শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ মাঘ ১৪৩২
শিরোনাম:

ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মহোদয়কে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র পক্ষ থেকে পুষ্পিত অভিনন্দন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম
4 বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মহোদয়কে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র পক্ষ থেকে পুষ্পিত অভিনন্দন

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

২৯৯নং সংসদীয় আসনের বিজয়ী মাননীয় সাংসদ এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মহোদয়কে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি”, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার পক্ষ থেকে জানাই পুষ্পিত অভিনন্দন ও নিরন্তর শুভ কামনা জানিয়েছেন।

বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী দীপেন দেওয়ানের আগামী দিনের পথ চলা হোক সুন্দর ও প্রস্ফুটিত পার্বত্যাঞ্চলের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, অত্রাঞ্চল’র পাহাড়ী বাঙ্গালীসহ সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থান নিশ্চিত সহ পার্বত্যাঞ্চলের স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্টা এবং একটি উন্নত, সমৃদ্ধশালী, বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করবেন সেই প্রত্যাশা করেছেন জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি”, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।

নির্বাচন উপলক্ষে টানা দুইদিন বন্ধ থাকার পর দিঘীনালায় আবারও জমে উঠেছে লারমা স্কোয়ার ঐতিহ্যবাহী সবজি বাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৩ পিএম
ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মহোদয়কে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র পক্ষ থেকে পুষ্পিত অভিনন্দন

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

নির্বাচনী ছুটির কারণে বাজার বন্ধ থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই ছিল একধরনের স্থবিরতা। তবে বিরতির পর আজ শত্রুবার ১৩ ফেব্রুয়ারী সকাল থেকেই বাজারে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

আজ ভোর থেকেই দিঘীনালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা তাদের তাজা শাকসবজি নিয়ে হাজির হন বাজারে। পাহাড়ি লাউ, কুমড়া, বেগুন, কাঁচা মরিচ, শিম, পেঁপে ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় শাকের সমারোহে ভরে ওঠে পুরো লারমা স্কোয়ার বাজার এলাকা।

ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে জানান, দুইদিন বাজার বন্ধ থাকায় ঘরে তাজা সবজির সংকট দেখা দিয়েছিল। ফলে বাজার খোলার খবর পেয়ে সকাল থেকেই তারা কেনাকাটায় নেমে পড়েন। এতে বাজারে তৈরি হয় এক আনন্দঘন ও কর্মচঞ্চল পরিবেশ।

সবজি বিক্রেতারা জানান, নির্বাচন উপলক্ষে বন্ধ থাকায় কিছুটা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। তবে আজকের জমজমাট বেচাকেনায় সেই ক্ষতি অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। অনেক কৃষক বলেন, টানা দুইদিন পণ্য মজুত রাখায় কিছু সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ছিল, তাই বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বিক্রি করার চেষ্টা করছেন তারা।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তির সঙ্গে লেনদেন করতে পারছেন।

সব মিলিয়ে নির্বাচন-পরবর্তী বিরতির পর দিঘীনালার লারমা স্কোয়ার সবজি বাজারে ফিরেছে পুরোনো ছন্দ। প্রাণবন্ত এ বাজার আবারও প্রমাণ করলো—স্থানীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবেই এর গুরুত্ব অপরিসীম।

বান্দরবানে সাচিংপ্রু জেরীর জয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মহোদয়কে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র পক্ষ থেকে পুষ্পিত অভিনন্দন

বান্দরবান প্রতিনিধি:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য জেলা বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী বেসরকারিভাবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলাপ্রশাসক শামীম আরা রিনি এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

এ সময় ঘোষিত ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী সাজিং প্রু জেরী ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এনসিপির সুজা উদ্দীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট।

এছাড়াও, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৭১৮ ভোট এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ পেয়েছেন ২ হাজার ৪৩৫ ভোট।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারাদেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন সকাল থেকে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার পর ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

অন্যদিকে, এই আসনে গণভোটে ‘না’ ভোট পড়েছে সবচেয়ে বেশি। গণভোটে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭ টি এবং না ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬ টি।

রাজস্থলীর ১২ কেন্দ্রে ফলাফল ঘোষণা : ধানের শীষে দীপেন দেওয়ান বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫০ এএম
ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিজয়ী এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মহোদয়কে জাতিগত সংখ্যালঘুদের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন “বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ” ও পার্বত্যাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠন “ওয়ার্ল্ড পীস্ এন্ড হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’র পক্ষ থেকে পুষ্পিত অভিনন্দন

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২৯৯ নং আসনের ১২টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলা কন্ট্রোল রুম থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান পেয়েছেন ১০ হাজার ৯০৩ ভোট। তিনি বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকের আবুবক্কর পেয়েছেন ৬৫৬ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী পেয়েছেন ২৩০ ভোট, হাতপাখা প্রতীকের জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ১১৩ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে ২৩০ ভোট, গণঅধিকার প্রতীকে ২৪ ভোট, ফুটবল প্রতীকে ৮৩ ভোট এবং কোদাল প্রতীকে ৭০ ভোট পাওয়া গেছে।

গণভোটের ফলাফলেও ভোটারদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। এতে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮ হাজার ৬৬৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ১১ হাজার ৪৭২টি। ফলে গণভোটে ‘না’ ভোটের সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার বলেন, “সারা দেশের ন্যায় রাজস্থলী উপজেলায় সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত উপস্থিতি ছিল। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ভোটগ্রহণ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল।”

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, রাজস্থলী উপজেলার ১২টি ভোটকেন্দ্রে মোট নিবন্ধিত ভোটার ছিলেন ২১ হাজার ৬২৫ জন। এর মধ্যে শতকরা ৫৭ দশমিক ৭১ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। নারী ভোটারদের অংশগ্রহণও ছিল চোখে পড়ার মতো।

বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী সাবজোন অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুর রহমান, ওসি খালেদ হোসেনসহ বিভিন্ন প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী, প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারগণ।

ফলাফল ঘোষণার পর প্রার্থীদের সমর্থকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সার্বিকভাবে পরিস্থিতি ছিল শান্ত। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া এবং দ্রুত ফলাফল ঘোষণা প্রশাসনের সক্ষমতারই প্রতিফলন।

×