শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ মাঘ ১৪৩২
শিরোনাম:

আলীকদমে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সেনা জোনের টহল জোরদার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম
17 বার পড়া হয়েছে
আলীকদমে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সেনা জোনের টহল জোরদার


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ পরবর্তী সময়ে বান্দরবানের আলীকদম ও সংলগ্ন এলাকায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়কে ঘিরে সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জোরদার ও সমন্বিত নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

‎দায়িত্বপূর্ণ এলাকাজুড়ে নিয়মিত ও বিশেষ টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও যোগাযোগপথ, প্রবেশ ও নির্গমন পয়েন্ট এবং কৌশলগত স্থানে স্থাপন করা হয়েছে একাধিক চেকপোস্ট। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ও সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি বজায় রাখা হয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকাগুলোতে সেনা উপস্থিতি দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

‎এছাড়া সংশ্লিষ্ট সিভিল প্রশাসন ও নির্বাচন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে দুর্গম ভোটকেন্দ্রসমূহ থেকে ব্যালট বাক্স, নির্বাচনী সামগ্রী এবং সংবেদনশীল দাপ্তরিক নথিপত্র নিরাপদে উপজেলা নির্বাচন অফিসে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পুরো কার্যক্রমটি বহুমাত্রিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।

‎আলীকদম সেনা জোনের পেশাদার, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলে নির্বাচন-পরবর্তী সময়েও এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নির্বিঘ্নে চলমান থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

‎রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ—এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

রামগড়ে ওয়াদুদ ভূঁইয়া সমর্থক পরিষদের উদ্যোগে শুকরানা মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম
আলীকদমে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সেনা জোনের টহল জোরদার

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড়:

পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলার ২৯৮নং সংসদীয় আসনে বিপুল ভোটে ধানের শীষের প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়া নির্বাচিত হওয়ায় রামগড়ে শুকরানা মোনাজাত ও মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ মাগরিব রামগড় বাজারস্থ কার্যালয়ে এ আয়োজন করে ওয়াদুদ ভূঁইয়া সমর্থক পরিষদ–এর রামগড় উপজেলা ও পৌর শাখা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক রিয়াজ উদ্দিন রিপন। মোনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমানসহ সকল কবরবাসীর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন অব্যাহত থাকার জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে রিয়াজ উদ্দিন রিপন বলেন, “জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবেই ওয়াদুদ ভূঁইয়া বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা আশা করি, তিনি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মো. শাহআলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন, যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. মোস্তফা, সদস্য সচিব মো. নুর হোসেন সোবহান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী মো. ছাদেক, যুগ্ম-আহ্বায়ক ওয়াজেদ আলী সর্দার, সদস্য সচিব মো. নুরুল আবছার শামীমসহ উপজেলা ও পৌর শাখার অন্যান্য নেতাকর্মীরা। মোনাজাত শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। পুরো আয়োজনটি শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।

সাজেকে এক বিধবা বৃদ্ধার বসতঘর পুড়ে ছাই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম
আলীকদমে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সেনা জোনের টহল জোরদার

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের সুরুংনালা গ্রামে এক অসহায় বিধবা বৃদ্ধার বসত ঘর পুরে ছায় হয়েছে। গতকাল ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে দ্রুত তা পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবেশীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও দাহ্য সামগ্রী ও টিনশেড ঘর হওয়ায় মুহূর্তেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়।

এতে ঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দৈনন্দিন ব্যবহার্য সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত ওই বৃদ্ধা নারী দীর্ঘদিন ধরে একাই বসবাস করছিলেন। আগুন লাগার সময় তিনি ঘরের বাইরে থাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে মাথা গোঁজার একমাত্র আশ্রয় হারিয়ে তিনি এখন দিশেহারা অবস্থায় রয়েছেন।

ঘটনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষতিগ্রস্ত নারীর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। স্হানীয়রা সুত্রের মতে চুলার আগুন থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোক ও সহমর্মিতার সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বৃদ্ধার পুনর্বাসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

ভুক্তভোগি বৃদ্ধার নাম নাগরী চাকমা।

নির্বাচন উপলক্ষে টানা দুইদিন বন্ধ থাকার পর দিঘীনালায় আবারও জমে উঠেছে লারমা স্কোয়ার ঐতিহ্যবাহী সবজি বাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৩ পিএম
আলীকদমে নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি স্বাভাবিক, সেনা জোনের টহল জোরদার

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

নির্বাচনী ছুটির কারণে বাজার বন্ধ থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যেই ছিল একধরনের স্থবিরতা। তবে বিরতির পর আজ শত্রুবার ১৩ ফেব্রুয়ারী সকাল থেকেই বাজারে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য।

আজ ভোর থেকেই দিঘীনালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা তাদের তাজা শাকসবজি নিয়ে হাজির হন বাজারে। পাহাড়ি লাউ, কুমড়া, বেগুন, কাঁচা মরিচ, শিম, পেঁপে ও বিভিন্ন প্রকার দেশীয় শাকের সমারোহে ভরে ওঠে পুরো লারমা স্কোয়ার বাজার এলাকা।

ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে জানান, দুইদিন বাজার বন্ধ থাকায় ঘরে তাজা সবজির সংকট দেখা দিয়েছিল। ফলে বাজার খোলার খবর পেয়ে সকাল থেকেই তারা কেনাকাটায় নেমে পড়েন। এতে বাজারে তৈরি হয় এক আনন্দঘন ও কর্মচঞ্চল পরিবেশ।

সবজি বিক্রেতারা জানান, নির্বাচন উপলক্ষে বন্ধ থাকায় কিছুটা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। তবে আজকের জমজমাট বেচাকেনায় সেই ক্ষতি অনেকটাই পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। অনেক কৃষক বলেন, টানা দুইদিন পণ্য মজুত রাখায় কিছু সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা ছিল, তাই বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত বিক্রি করার চেষ্টা করছেন তারা।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার এলাকায় নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বস্তির সঙ্গে লেনদেন করতে পারছেন।

সব মিলিয়ে নির্বাচন-পরবর্তী বিরতির পর দিঘীনালার লারমা স্কোয়ার সবজি বাজারে ফিরেছে পুরোনো ছন্দ। প্রাণবন্ত এ বাজার আবারও প্রমাণ করলো—স্থানীয় অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবেই এর গুরুত্ব অপরিসীম।

×