বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
4 বার পড়া হয়েছে
মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

 

ষ্টাফ রিপোর্টার :

বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও মানবিক কর্মকাণ্ডের অঙ্গনে সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর শুভ জন্মদিন ১৮ জুন।

এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মানবিকতা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিতপ্রাণ এই নারীনেত্রী অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু ১৯৭৯ সালের ১৮ জুন ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ী মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল এলাকায়। তাঁর পিতা দেওয়ান মোঃ সাইদুর রহমান এবং মাতা লুৎফা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার সায়দাবাদে নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি বিশ্বের নানা দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া তাঁর অন্যতম আগ্রহের বিষয়।

একনজরে অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর প্রিয় বিষয়সমূহ: প্রিয় মুহূর্ত: প্রিয়জনদের সান্নিধ্যে কাটানো সময়। প্রিয় খাবার: পছন্দনীয় ও রুচিসম্মত খাবার। প্রিয় খেলা: ক্রিকেট। প্রিয় শখ: ভ্রমণ করা। প্রিয় কাজ: যে কোনো কাজ, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করা। প্রিয় কবি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। প্রিয় সঙ্গীত: বাছাইকৃত ও হৃদয়ছোঁয়া গান। প্রিয় পোশাক: থ্রি-পিস। প্রিয় ঋতু: ঋতুরাজ বসন্ত। প্রিয় খেলোয়াড়: ডিয়েগো ম্যারাডোনা। প্রিয় গায়ক: অ্যান্ড্রু কিশোর। প্রিয় স্থান: নিজের বাড়ী। প্রিয় মানুষ: পরিবার এবং একান্ত কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু-বান্ধব। জীবনদর্শন: মানুষের কল্যাণে কাজ করা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে এগিয়ে চলা।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন সফল সংগঠক ও সমাজসেবী। তিনি বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর উপদেষ্টা, এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্বাধিকারী, এস আর ক্রীড়া সংঘ-এর সভাপতি, এস আর “ল” অ্যাসোসিয়েট-এর হেড অফ চেম্বার, লায়ন ক্লাবের মেম্বার, ফিল্ম ক্লাবের মেম্বার, টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বার, আর জে এফ-এর উপদেষ্টা এবং হাস্যউজ্জ্বল ফোরাম (হাউফো)-এর কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ। এছাড়াও তিনি সমাজসেবিকা, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক, কবি, মানবাধিকারকর্মী ও সফল প্রযোজক হিসেবে সুপরিচিত।

মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এই ব্যক্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর দানশীলতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। মানুষের জন্য কাজ করাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা বলে মনে করেন।

শিক্ষা বিস্তার, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং সচেতন সমাজ গঠনে তাঁর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার আন্দোলনে তিনি সত্য, ন্যায় ও গণমানুষের অধিকারের পক্ষে একজন সাহসী কণ্ঠস্বর। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

একজন কবি ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর রয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি। তাঁর লেখনীতে মানবতা, ভালোবাসা, সমাজের বাস্তবতা এবং জীবনের গভীর অনুভূতির প্রতিফলন ঘটে। পাশাপাশি সফল প্রযোজক হিসেবে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু শুধু একটি নাম নন; তিনি মানবিকতা, সততা, সাহস, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর কর্মময় জীবন ও মানবকল্যাণে নিবেদিত অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তাঁর এই আলোকিত যাত্রা আরও দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ হোক, এটাই সবার প্রত্যাশা।

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন ; সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ কামাল পাশা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:৫১ পিএম
মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

 

স্টাফ রিপোর্টার :

রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সহকারী (ক্লার্ক) সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন (২০২৬-২০২৭) উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এবারের নির্বাচনে অধিকাংশ পদের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হলেও একমাত্র কোষাধ্যক্ষ পদে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ভোটে রনজিৎ দাশকে পরাজিত করে কোষাধ্যক্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন অমল দত্ত।​ এর আগে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, অধিকাংশ পদে একক প্রার্থী থাকায় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। নবনির্বাচিত কমিটির শীর্ষ পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন— সভাপতি পদে সুধীর কান্তি মজুমদার, সহ-সভাপতি পদে মোঃ কামাল পাশা ও মোঃ রহমত আলী, সাধারণ সম্পাদক পদে উজ্জল কান্তি দে, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোঃ হারুনুর রশিদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ হাবিবুর রহমান (রনি)। ​

এছাড়াও অন্যান্য পদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মোঃ নুর আলম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে মোঃ ইউসুফ হোসেন, মোঃ রাজীব সহ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।​ এবারের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার দে।

নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন রনজিৎ দাশ মানিক এবং জ্যোতি কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। ​এদিকে নির্বাচন শেষে এক প্রতিক্রিয়ায় নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দ ভোটার ও সাধারণ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। তারা সমিতির সার্বিক উন্নয়ন, সদস্যদের কল্যাণ সাধন এবং পেশাগত মর্যাদা রক্ষায় আগামী মেয়াদে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে বাঘাইছড়ির পাহাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম
মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

 

‎আনোয়ার হোসেন, ‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎পরিবেশ সংরক্ষণ, ভূমিক্ষয় রোধ এবং পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বাঘাইহাট জোনের উদ্যোগে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬নং সাজেক ইউনিয়নের আওতাধীন এলাকায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। ‎

‎বুধবার (১৭ জুন) সকালে ৩৫নং বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী এলাকায় পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে সাজেক ও রুপকারী ইউনিয়নেও এ বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালিত হবে। ‎২৪ পদাতিক ডিভিশন ও ২০৩ পদাতিক ব্রিগেডের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাঘাইহাট জোনের তত্ত্বাবধানে বছরব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় প্রায় তিন লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ ও রোপণ করা হয়। ‎‎বৃক্ষরোপণ অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

‎এ সময় বাঘাইহাট জোনের জোন কমান্ডার বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসতে হবে।” তিনি আরও বলেন, পাহাড়ি এলাকায় বৃক্ষরোপণ ভূমিধস প্রতিরোধ, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

‎তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখবে। ‎কর্মসূচির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়— “একটি গাছ একটি প্রাণ, সবুজ হোক বাংলাদেশের প্রতিটি স্থান।” ‎

‎সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, পাহাড়ি অঞ্চলে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। ‎

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলায় আবীরের মৃত্যুদণ্ড বাকলিয়ার শিশু ধর্ষন মামলার রায় ঘোষনা আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ জুন, ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম
মানবতার অনুপ্রেরণার প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ :

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াতকে অপহরণ ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন)২৬খ্রি: চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী আক্কাস বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আবীর আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালত সূত্র জানায়, মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গত শনিবার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর নগরের ইপিজেড থানার নয়ারহাট এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা আলিনা ইসলাম আয়াত নিখোঁজ হয়। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, প্রতিবেশী আবীর আলী মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুটিকে অপহরণ করে এবং পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে শ্বাসরোধে হত্যা করে। এরপর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগরে ফেলে দেয়।

ঘটনার তদন্তে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, শিশুটির জুতা এবং বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে। ডিএনএ পরীক্ষাতেও আবীরের বাসায় পাওয়া রক্তের নমুনার সঙ্গে আয়াতের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়। তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ৯ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মনোজ কুমার দে।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে প্রায় সাড়ে তিন বছর পর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হলো। অন্যদিকে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন)২৬ খ্রিঃ চট্টগ্রাম মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেন (৩০) ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাসিন্দা হলেও চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকায় বসবাস করতেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে তারা আদালতে দাবি করেছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২১ মে বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় একটি গুদামঘরে চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে শিশুর পরিবার মামলা দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে।
তদন্ত শেষে ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং ৯ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পরে অভিযুক্তকে নিরাপত্তার মধ্যে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল রিপোর্ট ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

আলোচিত দুই ঘটনায় আদালতের কার্যক্রম ও রায়কে ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।

×