| ২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলী উপজেলার কুক্যাছড়ি পাড়ায় স্বাস্থ্য সম্মত তীব্র সুপেয়পানি ‌‌‌‌বহুদিন ধরে সংকটে এলাকাবাসী

রাজস্থলী উপজেলার কুক্যাছড়ি পাড়ায় স্বাস্থ্য সম্মত তীব্র সুপেয়পানি ‌‌‌‌বহুদিন ধরে সংকটে এলাকাবাসী

পানির জন্য হাহাকার খিয়াং সম্প্রদায়

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

স্বাস্থ্যসম্মত সুপেয়পানির দীর্ঘ দিন ধরে সংকট দেখা দিয়েছে পুরো পাহাড় জুড়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ । পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার দুর্গম খিয়াং সম্প্রদায়ের খিয়াং অধ্যুষিত এলাকায় বসবাসকারীদের পানির প্রধান উৎস নদী ও ঝিরি-ঝর্ণা। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে ঝিরি-ঝর্ণার পানি শুকিয়ে যাওয়ায় দুর্গম এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় ও ভূগর্ভের পানির স্তর নিচে নামার ফলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ে সুপেয় পানি থেকে শুরু করে নিত্য ব্যবহার্য পানিও মিলছে না। তাছাড়া সেসব দূষিত পানি আছে তা পান করে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন ওই সমস্ত এলাকার বাসিন্দারা। দূর-দূরান্ত থেকে অনেক কষ্টে পানি সংগ্রহ করে এনে খাওয়াসহ রান্নার কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে সেখানকার স্থানীয়দের। ফলে পাহাড়ে বসবাসরত মানুষের কষ্ট বহু গুণ বেড়েছে।

বিশেষ করে রাঙ্গামাটি জেলায় অন্তর্গত রাজস্থলী উপজেলার ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের বড় কুইক্যাছড়ি পাড়া, ছোট কুইক্যা, ধনুছড়ি, শীল ছড়ি পাড়ার দুর্গম এলাকাগুলোতে এখন পানির সংকট। পাহাড়ে পানি প্রধান উৎস ঝিরি-ঝর্ণা কিংবা কুয়া। তবে ছড়াগুলো শুকিয়ে পানির স্তর কমে যাওয়ায় পানি উঠছে না। তাছাড়া প্রকৃতির সবুজ ঘেরা বনাঞ্চল উজাড় করে দেয়ায় ঝিরিগুলোতে পানির দেখা মিলছেনা। যার ফলে সুপেয় পানি থেকে নিত্য ব্যবহার্য পানিও এখন চরম সংকটে। ইতিপূর্বে কয়েকবার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়াতে সংবাদ প্রকাশিত হলেও মেলেনি কোন সুফল। বরং দিনের পর দিন আরো তীব্র আকার ধারণ করেই চলেছে পানির সংকট।

উপজেলার সদর থেকে ৭/৮ কিলোমিটার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বসবাস করে আসছেন খিয়াং সম্প্রদায়। তাদের মূলত সমস্যা কারণ খাবার পানি। সকাল থেকে কলসিসহ খালি বোতল নিয়ে এসে পানির জন্য অপেক্ষা করতে হয় কয়েক ঘণ্টা। এমনকি ঝিরি ও ছড়ায় পাথরের ফাঁকে অল্প অল্প করে পানি আসে তা নারীরা মধ্যরাত থেকে পালা করে ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে কোনোমতে পরিবারের খাবার পানি সংগ্রহ করে আসছে।

কুইক্যাছড়ি পাড়ার নারীরা একসঙ্গে পাঁচ-ছয় জন দলবেঁধে ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করতে এসেছেন ভোর বেলায়। ঝিরিটি একটু স্যাঁতস্যাঁতে ও ভেজা। পাথরের মাঝখান দিয়ে খুব অল্প করে পানি বের হয়। পানি জমতে একটু সময় লাগে। দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করার পর কপালে জুটে ময়লা যুক্ত পানি। পর্যায়ক্রমে পানি নিতে আসেন অন্য নারীরাও। সকালে অন্য কাউকে পানি নেওয়ার সুযোগ দিয়ে ঘরে অন্যান্য কাজ সেরে একটু দেরি করে পানি সংগ্রহ করতে যান তারা। সেখান থেকে প্রথমে মাটির কলসি দিয়ে পানি তোলা হয়, তারপর ছেঁকে কলসিতে সংগ্রহ করা হয়। পরপর পানি নেওয়ার পর অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। তবুও এসব ঝিরি-ঝর্ণা ওপর ভরসা করে চলছে পাহাড়ীদের জীবনের সংগ্রাম।

উপজেলার সচেতন ব্যক্তিরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পাহাড়েও বৃষ্টির পরিমাণ প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। অবাধে ধ্বংস করা হচ্ছে বন। এসব কারণে পাহাড়ের পানির প্রাকৃতিক জলাধার ও উৎস মুখ দিনে দিনে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠীর জনস্বাস্থ্যের উপর।

কুইক্যাছড়ি পাড়ার গীর্জার পুরোহিত চিংচাউ বলছেন, তীব্র পানি সংকট যেন দিনের পর দিন বাড়ছে। প্রকৃতির ধ্বংসের কারণের পাহাড়ের বৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে। বন উজাড়, পাহাড় কর্তন, পাথর উত্তোলনের কারণে পাহাড় এখন মরুভূমিতে পরিণত হচ্ছে। তাছাড়া এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে প্রভাবশালীরা। আসলে দেখার কেউ নেই। আমরা ধর্মীয় অনুষ্টানে পানি কিনে অনুষ্টান করতে হচ্ছে।

ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য চিংলাউ খিয়াং বলেন, বন উজাড় করার ফলে পানি এখন নাই বললেই চলে। গোসল দূরের কথা খাওয়ার পানি পর্যন্ত সংকট। সন্ধায় হলে পানির জন্য লাইন পড়ে যায়। তাছাড়া জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল থেকে নলকূপ দিলেও সেগুলো অকেজো হয়ে পড়ে আছে বলে এলাকাবাসীরা জানান ।

গতকয়েক দিন আগে রাজস্থলী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক ও বর্তমান জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাইমুল ইসলাম রনি খিয়াং পাড়ায় ক্রীড়ামোদীদের খেলার উপকরণ দিতে গিয়ে পানি সংকটের দৃশ্যটি গোচরে আসে। তিনি আরও বলেন, রাজস্থলী উপজেলার দুর্গম পাহাড়ের সুপেয় পানির সংকট নিরসনের জন্য তিনি পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল সাহেবের সাথে আলাপ করে প্রকল্প নেওয়ার উদ্যােগ হাতে নেয়া হবে বলে জানান। যদি প্রকল্পের অনুমোদন হয় তাহলে পানি সংকট নিরসনের জন্য বাস্তবায়িত জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশাব্যক্ত করেন।

ছবি – রাজস্থলী উপজেলার বড় কুইক্যাছড়ি পাড়ার নারীরা ছড়ার কুয়া হতে পানি সংগ্রহ করছেন।

বিলাইছড়িতে পালবার লিং সেন্টারের বার্ষিক কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

রাজস্থলী উপজেলার কুক্যাছড়ি পাড়ায় স্বাস্থ্য সম্মত তীব্র সুপেয়পানি ‌‌‌‌বহুদিন ধরে সংকটে এলাকাবাসী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় পালবার লিং সেন্টার বাংলাদেশের উদ্যোগে বার্ষিক দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে দিনব্যাপী এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভদন্ত দেবানন্দ মহাথের এবং সভাপতিত্ব করেন প্রজ্ঞাবারিধি অধ্যাপক ভদন্ত সুমেধানন্দ মহাথের।

এ সময় ভিক্ষুসংঘের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত বিপস্সী মহাথের, ভদন্ত ওয়ারাসামী মহাথের, ভদন্ত ইন্দাচারা মহাথের এবং পালবার লিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ দেবতিষ্য ভিক্ষুসহ বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘ।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী মৈত্রী দেওয়ান, বিলাইছড়ি সেনা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. সাকিব হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভি দাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুস সালাম ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক উষা কিরণ বড়ুয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো পুণ্যার্থী।

দিনব্যাপী আয়োজনে কঠিন চীবর দানের পাশাপাশি বুদ্ধপূজা, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, পিণ্ডদানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় দানানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রভাত কান্তি বড়ুয়ার লেখা বুদ্ধকীর্তন এবং তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন।

দীঘিনালার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনাকুঠিরে ৫ তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন

রাজস্থলী উপজেলার কুক্যাছড়ি পাড়ায় স্বাস্থ্য সম্মত তীব্র সুপেয়পানি ‌‌‌‌বহুদিন ধরে সংকটে এলাকাবাসী

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনা কুঠিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৫তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ১নভেম্বর দিনব্যাপি অনুষ্টানে সকালে বুদ্ধ মুর্তিদান, সংঘ দান, অষ্টপরিস্কার দান করা হয়।

এতে অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন নন্দবংশ মহাস্হবির ভান্তে, ছোট মেরং বিশ্ব শান্তি ভাবনা কুঠিরের অধ্যক্ষ সুগতবংশ মহাস্হবির ভান্তে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য শান্তি প্রিয় চাকমা, এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জ্ঞান জীত চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দেশ ও বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় দেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

পাশাপাশি সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ও অশান্তি দূর হয়ে বিশ্বজুড়ে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশনা প্রদানকালে নন্দ বংশ মহাস্হবির ভান্তে বলেন, বুদ্ধ ধর্ম হলো শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের ধর্ম। বুদ্ধের আদর্শ অনুসরণ করে প্রত্যেক মানুষের জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সবাইকে বুদ্ধের উপদেশ মেনে চলতে হবে। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি পঞ্চশীল পালনের আহ্বান জানান।

নন্দ বংশ ভান্তে আরও বলেন, পঞ্চশীল মানুষের নৈতিক ও আদর্শ জীবন গঠনের অন্যতম ভিত্তি। পঞ্চশীল পালন করলে মানুষ হিংসা, লোভ, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে পারে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেকের পঞ্চশীল পালন করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি সবাইকে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবতার আদর্শে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান।

অনুষ্টানে দ্বিতীয় পর্ব উপস্তিত ভিক্ষু সংঘ উদ্দেশ্য কল্পতরু ও কঠিন চীবর দানের মাধ্যমে দিন ব্যাপি কঠিন চীবর দান অনুষ্টান সমাপ্ত হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি দায়িত্ব পেলেন অংগ্য মারমা

রাজস্থলী উপজেলার কুক্যাছড়ি পাড়ায় স্বাস্থ্য সম্মত তীব্র সুপেয়পানি ‌‌‌‌বহুদিন ধরে সংকটে এলাকাবাসী

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে ৩৪ নং সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমার পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন যুব নেতা ও সাংবাদিক অংগ্য মারমা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের প্যাডে সংসদ সদস্য মাধবী মারমা স্বাক্ষরিত এক পত্রে অংগ্য মারমাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

মনোনীত অংগ্য মারমা খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার গঞ্জ পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বাংলাদেশ মারমা যুব ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং মানিকছড়ি উপজেলা শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা ও উন্নয়নমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।

তিনি জাতীয় দৈনিক মানবকণ্ঠ, সরেজমিন বার্তা, এই বাংলা পত্রিকার এবং স্থানীয় দৈনিক অরণ্য বার্তা ও আলোকিত পাহাড় পত্রিকার জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিএইচটি বার্তা, আজকের প্রতিদিন ও বার্তা বাজার-এ কাজ করার সুবাদে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ ও নানা সমস্যার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘কারিতাস বাংলাদেশ’ এবং সমবায় অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত দি মারমা ক্রেডিট ইউনিয়নে বিভিন্ন সামাজিক ও সমবায় সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অংগ্য মারমা সংসদ সদস্য মাধবী মারমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডকে আরও গতিশীল করতে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করবেন।

এলাকার শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

×