শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

রুমায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকটে দুর্ভোগে জনজীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৮ পিএম
8 বার পড়া হয়েছে
রুমায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকটে দুর্ভোগে জনজীবন

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

টানা সাত দিনের ভারী বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলেও বান্দরবানের রুমা উপজেলার জনজীবন এখনো স্বাভাবিক হয়নি। পাহাড় ধস, সড়ক দেবে যাওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে মাটি-পাথর জমে থাকায় রুমা–বান্দরবান সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে বাসসহ সব ধরনের গণপরিবহন। অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও মোবাইল নেটওয়ার্কের দুর্বলতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার হাজারো মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, জরুরি প্রয়োজন ও জীবিকার তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কিছু B-70 যানবাহন ও মোটরসাইকেল চলাচল করলেও বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন এখনো চলাচল করতে পারছে না। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা এই সড়কে বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধস, সড়ক ভেঙে যাওয়া ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনা প্রায় নিয়মিত। কয়েক বছর আগে ভয়াবহ পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছিল। তাই চলমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন পাহাড়ের ঢাল ভেঙে সড়কের ওপর মাটি ও পাথর নেমে এসেছে। এতে কয়েকটি স্থানে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছে। এছাড়া সড়কের বিভিন্ন অংশ দেবে যাওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।

রুমা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অংসিনু মার্মা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ ও তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা প্রস্তুত শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠানো হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত বুধবার বিকেলে বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার সার্বিক অবস্থা দেখতে উপজেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিজা আক্তার বিথী।

এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা ও মোবাইল নেটওয়ার্কের সংকটের কারণে অনেকে অনলাইন ও অফলাইনভিত্তিক কাজ করতে পারছেন না। স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যাহত হওয়ায় উদ্বেগ ও দুর্ভোগ বেড়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, নিম্নআয়ের মানুষ এবং দুর্গম পাহাড়ে বসবাসকারী জুমচাষিরা। টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ি জমিতে ধান, আদা, হলুদ, মরিচ, তিল, তুলা, শসাসহ বিভিন্ন অর্থকরী ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেকের জুমের জমি পাহাড় ধসে বিলীন হয়ে গেছে। পাহাড় ধসের আশঙ্কায় অনেক কৃষক জুমে যেতে পারছেন না। ফলে ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কারসহ প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ব্যাহত হচ্ছে। এতে এক বছরের পরিশ্রম ও স্বপ্ন মুহূর্তেই ভেঙে পড়েছে অনেক কৃষকের।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার থেকে বন্যাকবলিত আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। রুমা সদর ইউনিয়নের রুমা বাজার আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৪টি পরিবারের ১২৮ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া ৪ নম্বর গালেঙ্গ্যা ইউনিয়নের যথুরামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে তিনটি পরিবারের ১৫ জন অবস্থান করছেন।

এদিকে টানা বর্ষণে রুমা বাজার থেকে ১ নম্বর সদরঘাট ও মুনলাইপাড়া পর্যন্ত কয়েকটি সেতু পানিতে তলিয়ে যায়। পানি কমতে শুরু করলেও সেতুগুলোর ওপর দিয়ে এখনো নিরাপদে চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। ছোট-বড় বেশ কয়েকটি সেতু ও কালভার্ট এখনো পানির নিচে থাকায় যানবাহন চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা নৌকার মাধ্যমে পারাপার করছেন। টানা সাত দিনের বৈরি আবহাওয়ার পরও থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। কবে বৃষ্টি থামবে এবং কবে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরবে—সেই অপেক্ষায় রয়েছেন রুমাবাসী।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, আরও কয়েক দিন এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে জনদুর্ভোগ, খাদ্যসংকট এবং কৃষি খাতে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়বে। তাই দ্রুত সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক পুনঃস্থাপন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে কার্যকর সহায়তা নিয়ে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বান্দরবানে বন্যাকবলিত ২৫৫ পরিবারের পাশে সেনা বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ পিএম
রুমায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকটে দুর্ভোগে জনজীবন

 

উথোয়াইচিং মারমা; নিজস্ব প্রতিবেদক :

টানা বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বান্দরবানে ত্রাণ বিতরণ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শনিবার (১১ জুলাই) বান্দরবান সদর জোনের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন বন্যাকবলিত এলাকায় এ মানবিক সহায়তা দেওয়া হয়।

বান্দরবান সদর জোন সূত্রে জানা যায়, জোন সদর ও ডুলুপাড়া ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর দুটি টহল দল বিকেল ৩টা থেকে ৫টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত বান্দরবান সদর উপজেলার রেইচা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লেমুঝিড়ি পাড়া এবং কুহালং ইউনিয়নের ডুলুপাড়া ও বটতলী পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বন্যায় পানিবন্দি ৭২টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর মোবাইল মেডিক্যাল টিম ৯৫ জনকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান করে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের অনুরোধে সেনাবাহিনীর পৃথক একটি টহল দল সদর উপজেলার ব্রিগেডপাড়া ও ফজর আলী পাড়ায় বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সেখানে পানিবন্দি আরও ১৬০টি পরিবারের হাতে জরুরি ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
সব মিলিয়ে এদিন সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বান্দরবান সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৫৫টি বন্যাকবলিত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।

বান্দরবান সদর জোন জানিয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

জমে উঠেছে কাপ্তাই বণিক কল্যাণ সমবায় সমিতির নির্বাচন, প্রচারণায় মুখর প্রার্থীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম
রুমায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকটে দুর্ভোগে জনজীবন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​রাঙ্গামাটির কাপ্তাই নতুন বাজার বণিক কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের ত্রী-বার্ষিক নির্বাচনকে ঘিরে পুরো বাজার এলাকায় এখন উৎসবের আমেজ। নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে ব্যবসায়ী মহল। আগামী ১৬ জুলাই ২০২৬ এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ​

সভাপতি পদে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই নির্বাচনের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সভাপতি পদ। এই পদে ছাতা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন জয়নাল আবেদীন। তার বিপরীতে চেয়ার প্রতীক নিয়ে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আব্দুল আলীম কালাম। কে হচ্ছেন ব্যবসায়ীদের আগামী দিনের অভিভাবক, তা নিয়ে এখন বাজারের অলিগলিতে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সভাপতি ছাড়াও সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক এবং কার্যকরী সদস্য পদে চূড়ান্ত প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। কে কোন পদে দাড়িয়েছে  ​সভাপতি: জয়নাল আবেদীন (ছাতা), আব্দুল আলীম কালাম (চেয়ার)। ​সহ-সভাপতি: মোঃ মহিউদ্দিন (ফুটবল), হাবিবুল ইসলাম শিপু (মোবাইল), মিটু চন্দ্র শীল (গোলাপ ফুল), মোঃ রজব আলী (দোয়াত কলম)। ​সাধারণ সম্পাদক: মোহাম্মদ করিম উদ্দিন (বাঘ), মোঃ মোফাজ্জল হোসেন স্বপন (দেয়াল ঘড়ি), মোঃ তরিক উল্লাহ (হারিকেন)। ​সহ-সাধারণ সম্পাদক: মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (মই), মোঃ ইউসুফ (চশমা)। ​সাংগঠনিক সম্পাদক: মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন (কলসী), মোঃ রাশেদ (নলকূপ)। ​অর্থ সম্পাদক: মোঃ হেলাল উদ্দিন (হাতপাখা)। ​

কার্যকরী সদস্য: আনোয়ারুল আজিম (চাকা), মোহাম্মদ আবদুল শুক্কুর (হাতি), শরীফ হোসেন (ডাব), মোঃ বেলাল হোসেন মানিক (মাইক), মোঃ বাদশা মিয়া (আম), ইকবাল হোসেন মাসুদ (হাতুড়ি), মোহাম্মদ বায়েজিদ হোসেন (প্রজাপতি)। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

নির্বাচন কমিটির সদস্য নিয়হলা মারমা জানান, ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বার্তা দিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে (জেলা ও উপজেলা সমবায় কার্যালয়) প্রয়োজনীয় অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। ​ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এমন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে, যারা বাজারের উন্নয়ন এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রামগড় উপজেলা প্রশাসনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১ জুলাই, ২০২৬, ৫:১১ পিএম
রুমায় বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও সড়ক, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সংকটে দুর্ভোগে জনজীবন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় টানা বৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এবং পানিবন্দী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৮৪জন ব্যক্তিকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ শামীম উপজেলার ১নং রামগড় ইউনিয়নের, কলসিরমুখ, অন্তুপাড়া, পৌরসভার ফাইদ্যা পাড়া, দারোগা পাড়া এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শামীম বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে। প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও সহায়তা প্রদান করা হবে।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ইউনিয়ন প্রশাসক মো. রেহান উদ্দিন, ইউনিয়ন সচিব মো. মিজানুর রহমান, রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নরুল হুদাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অপরদিকে একই দিনে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিসেস দ্বীল আল জান্নাতের নেতৃত্বে উপজেলার ২নং পাতাছড়া ইউনিয়নের প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝেও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, যে এই পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোট ১১৫ জনকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

×