| ১০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

বাঙ্গালহালিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর জরুরি উদ্যোগ, ড্রেন পরিষ্কারে স্বস্তি ফিরছে প্লাবিত এলাকায়

বাঙ্গালহালিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর জরুরি উদ্যোগ, ড্রেন পরিষ্কারে স্বস্তি ফিরছে প্লাবিত এলাকায়

 

রাজস্থলী প্রতিনিধি:

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় প্লাবিত এলাকায় পানি নিষ্কাশনের জরুরি উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৮ বীর রণজয়ী কাপ্তাই জোন। সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে ড্রেন পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু হওয়ায় দুর্ভোগে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

টানা বৃষ্টিতে বাঙ্গালহালিয়া বাজার, বাজারসংলগ্ন ডাকবাংলা মধ্যমপাড়া, দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পেছনের এলাকা এবং আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। এতে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি পরিবারের বসতঘর ও উঠানে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে পানি আটকে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিকেলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৮ বীর রণজয়ী কাপ্তাই জোনের জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল কাদির, পিএসসি-এর নির্দেশনায় বাঙ্গালহালিয়া সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর আরেফিন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা, ইউপি সদস্য শিমুল দাস, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য বাপ্পী দেব, বাজার কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শামসুল আলমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পরিদর্শন শেষে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তাৎক্ষণিকভাবে বুলডোজার এনে বাজার ও আশপাশের দীর্ঘদিন ধরে ভরাট হয়ে থাকা ড্রেন পরিষ্কার এবং পানি নিষ্কাশনের কার্যক্রম শুরু করা হয়। সেনাবাহিনীর এ দ্রুত মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মেজর আরেফিন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জনদুর্ভোগ নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা, চিকিৎসাসেবা, উদ্ধার কার্যক্রম এবং বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুত রয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমাদের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাকবাংলা পাড়ার ওপর দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পাশাপাশি বাঙ্গালহালিয়া বাজার ও গ্রামের পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। সেনাবাহিনীর উদ্যোগে সেই বাধা অপসারণ করে পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করছে। ইতোমধ্যে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মোট ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নবযোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ হাসান আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, বন্যা ও পাহাড়ধস মোকাবিলায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সেনাবাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করত। তারা সেনাবাহিনী, উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানের দাবি জানান।

স্থানীয় এমপি দীপেন দেওয়ানের অগোচরে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর আগমনে তৃণমুল বিএনপি নেতাকর্মীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বাঙ্গালহালিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর জরুরি উদ্যোগ, ড্রেন পরিষ্কারে স্বস্তি ফিরছে প্লাবিত এলাকায়
সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর একতরফা সিদ্ধান্ত ও সরকারি প্রটোকল না মেনেই রাঙ্গামাটি জেলা-উপজেলা বিএনপির তৃণমূলে দলীয় কোন্দলের মিশ্র প্রতিক্রিয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অভিযোগ পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী তিন জেলার জন্য দায়িত্ববন্ঠন থাকলেও রাঙ্গামাটি জেলা নিয়ে এতব্যস্ততা কেন তা ভাবার বিষয় বটে। কেননা, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে তার উপস্থিতি এত কম নাই বললেই চলে।

এদিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য এড. দীপেন দেওয়ানকে অবগত না করেই বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় মরিয়া হয়ে উঠেছেন বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির তৃণমূল নেতারা। তাদের ভাষ্য মতে, একজন প্রতিমন্ত্রী হয়ে সরকারি দল হিসেবে এবং দেশের সাংবিধানিক নিয়মে প্রটোকল ও দলীয় শৃঙ্খলা মেনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয়ে কাজ করা উচিত এবং প্রযোজ্য।

স্থানীয় বিএনপির একাধিক কর্মীরা বলছেন, রাঙামাটির স্থানীয় এমপি এড. দীপেন দেওয়ানকে সর্বস্তরের জনগণ বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন। এই অঞ্চলের জনগণ এমপির প্রতি আনুগত্য ও অনেক প্রত্যাশা রাখেন। পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী তার নিজের ক্ষমতা অপব্যবহারে স্থানীয় বিএনপিতে গ্রুপিং ও বিভাজন সৃষ্টি হচ্ছে। যা অদুর ভবিষ্যতে এটা দলের জন্য কাম্য নহে এবং দলের বিভাজনের একটি বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন।”

রাঙমাটির তৃণমূলের কর্মীরা আরও বলেন, “পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় এমপিদের সাথে কাজ না করলে এর দায়ভার বর্তমান সরকারকেই নিতে হবে। আমরা চাই দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখেই একটি সুসংগঠিত হয়ে রাঙামাটি জেলাকে বিএনপির শক্তির গড়ে উঠুক এবং এমপি-মন্ত্রী সমন্বয়ের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকার উন্নয়ন সাধিত হোক।”

এ ব্যাপারে স্থানীয় বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীসহ দলের হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অতিদ্রুত সময়ের মধ্যে এর সমাধান ও পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

নিদ্রাহীন রাত কাপ্তাইবাসীর: রিটার্নিং ওয়াল না থাকায় সড়ক ও বসতভিটা ধসের মুখে

বাঙ্গালহালিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর জরুরি উদ্যোগ, ড্রেন পরিষ্কারে স্বস্তি ফিরছে প্লাবিত এলাকায়

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

টানা বৃষ্টিতে কাপ্তাই উপজেলাজুড়ে পাহাড় ধসের ঘটনায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ৪ নং কাপ্তাই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের লকগেট কুরুম এলাকায় প্রধান সড়কের পাশের বসতিগুলো চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে পাহাড় ধসের কবলে পড়লেও টেকসই কোনো সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. আবদুল লিটন জানান, তাদের বসতভিটার ঠিক ওপরেই কাপ্তাই-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক। সড়কটির নিচে একটি টেকসই রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণের জন্য তারা কয়েক মাস আগে জেলা পরিষদে আবেদন করলেও এখনো কোনো সাড়া মেলেনি। তিনি বলেন, “সড়ক ও জনপথ বিভাগের গাফিলতির কারণে আজ আমরা মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে। একটি দেওয়ালের অভাবে আমাদের ঘরবাড়ি ও পাশের ১০ শয্যা হাসপাতালটিও হুমকির মুখে।”

আরেক বাসিন্দা ডেজি আক্তার বলেন, “সারা রাত আমাদের বসে কাটাতে হয়, কখন যেন পাহাড়ের মাটি ও সড়কের ঢাল ধসে আমাদের ঘরের ওপর পড়ে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করা হলেও আমরা যেতে পারছি না। একদিকে ঘরে যুবতী মেয়ে, অন্যদিকে চুরি-ডাকাতির ভয়। ঘরের আসবাবপত্র ও মালামাল ফেলে কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। মালামাল চুরি হওয়ার চেয়ে এখানে মৃত্যুই যেন শ্রেয় মনে হচ্ছে।”

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, প্রশাসনের লোকজন ছবি তুলে নিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর সহযোগিতা বা সুরক্ষা তারা পাননি। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে। লকগেট কুরুমের সাথে নতুন বাজার ঢাকাইয়া কলোনি একি ভাবে ঝুকিপূর্ণ। শুধু কাপ্তাই ইউনিয়ন নয়, ব্যাঙছড়ি মুসলিম পাড়া, চিৎমরম বাজার ঘাট ও চিৎমরম  ভামনি পাড়া, ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বরইছড়ি মারমা পাড়া, কুকি মারা, মুরালি পাড়া এবং রাইখালী ইউনিয়নের মুতি পাড়া ও ফেরিঘাটসহ বিভিন্ন এলাকা বর্তমানে পাহাড় ধসের চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এ বিষয়ে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে থাকা এলাকাগুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত মাইকিং ও সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জীবন রক্ষার্থে ঝুঁকিপূর্ণ বসতির বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে সরে আসার অনুরোধ করা হয়েছে। আমরা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।”​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, কেবল আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দ্রুত রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণসহ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা জরুরি।

টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে রামগড় পৌর প্রশাসক

বাঙ্গালহালিয়ায় জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর জরুরি উদ্যোগ, ড্রেন পরিষ্কারে স্বস্তি ফিরছে প্লাবিত এলাকায়

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে মাঠে নেমেছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে বিতরণ করা হয়েছে শুকনা খাবার ও জরুরি খাদ্য সহায়তা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ শামীম পৌরসভার সোনাইপুল, ফেনীরকুলসহ বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু পরিবারের হাতে খাদ্য সহায়তা তুলে দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন ধরে চলমান ভারী বর্ষণে পৌরসভার নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে বহু পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষজন খাদ্য সংকট, যাতায়াতের সমস্যা এবং দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

 

পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক কাজী মোহাম্মদ শামীম বলেন, “দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রশাসনের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তাও প্রদান করা হবে।”

এ সময় রামগড় পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

×