| ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ পরিবারের মধ্যে ঢেউটিন ও নগদ অর্থের চেক বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রামগড় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ সহায়তা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ঢেউটিন ও ৩ হাজার টাকা করে চেক তুলে দেন খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী শামীম।

এ সময় প্রধান অতিথি,র বক্তব্যে ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহযোগিতা করা জরুরি। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মালেক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রব রাজা, রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন।

এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

আলীকদমে কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া

 

‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, ‎

আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি: ‎

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় অবৈধ মাদক-কিশোর গ্যাং বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে থানা পুলিশ। অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে আড্ডারত,অহেতুক ঘোরাঘুরি ও ক্যারাম খেলাসহ বিভিন্ন কারণে ১৯ কিশোরকে আটক করা হয়। পরে তাদের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে ভবিষ্যতে সদাচরণ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ‎

‎রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলার চম্পটপাড়া, প্রভাত কারবারি পাড়া, হাফিজের দোকান, আলীর বাজার, চিনারী বাজার এলাকা,আবাসিক, রেফারপাড়া বাজার, চৈক্ষ্যং রাস্তার মাথাসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। ‎ ‎

আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহেদ পারভেজের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পুলিশ পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন, এসআই উপেন বড়ুয়া, এসআই নিশাত বড়ুয়া, এসআই আবু সাইদ, এসআই জহিরুল ইসলাম, এসআই মিয়েল চাকমা, এএসআই রাজিব, এএসআই মফিজ, এ এস আই মাহফুজসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। ‎ ‎

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর বিভিন্ন এলাকায় কিশোরদের অপ্রয়োজনীয় আড্ডা, ঘোরাঘুরি ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নজরদারি চালানো হয়। এ সময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা ও বিভিন্ন অভিযোগে ১৯ কিশোরকে সতর্কতামূলক ভাবে আটক করা হয়। পরে আটক কিশোরদের অভিভাবকদের থানায় ডেকে নেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতৃবৃন্দও থানায় উপস্থিত ছিলেন।

থানায় অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন, ওসি মো. শাহেদ পারভেজ। তিনি কিশোরদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা, মাদক থেকে দূরে থাকা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ার বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন করেন। ‎অভিভাবকদের উদ্দেশে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, কিশোরদের চলাফেরা, বন্ধু নির্বাচন ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে পরিবারকে আরও দায়িত্বশীল ভাবে নজর রাখতে হবে। একই সঙ্গে কিশোরদের স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে পরিবার ও সমাজকে সম্মিলিত ভাবে ভূমিকা রাখতে হবে। ‎ ‎

এ বিষয়ে উপস্থিত অভিভাবকেরা পুলিশের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁরা কিশোরদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। ‎ ‎

আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহেদ পারভেজ বলেন, “কিশোরদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। তাদের মাদক ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই এ ধরনের অভিযানের মূল লক্ষ্য। অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে আরও সচেতন হতে হবে।” ‎ ‎তিনি আরও বলেন, “কিশোরদের প্রতি আইনগত ও সামাজিক দায়িত্বের বিষয়টি বিবেচনা করে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা যাতে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে তাদের ও অভিভাবকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” ‎ ‎

পুলিশ জানায়, আটক কিশোরদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে সদাচরণ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার মুচলেকা নেওয়া হয়। পরে তাদের নিজ নিজ অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ‎অভিযান চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে পুলিশ। মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী এ ধরনের বিশেষ অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

বিহার উন্নয়নে বৌদ্ধ ভিক্ষুকে পাওয়ার টিলার প্রদান দীঘিনালা জোনের

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও স্থানীয় জনগণের সুবিধার্থে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে উপজেলার দীঘিনালা ইউনিয়নের কার্বারীটিলা দাম্মাচারিয়া বুদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ করূনা বংশ বৌদ্ধ ভিক্ষুকে পাওয়ার টিলা মেশিন প্রদান করা হযছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জোন সদরে সম্প্রতি দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে বিহার উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যবহারের জন্য বৌদ্ধ ভিক্ষুর হাতে মেশিনটি তুলে দেন দীঘিনালা জোনের মেজর তৌকির আহমেদ এস ইউপি পিএসসি। এ সময় দীঘিনালা জোনের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দীঘিনালা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাওয়ার টিলার মেশিনটি বিহারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হবে। মেশিনটি পেয়ে বৌদ্ধ ভিক্ষু দীঘিনালা জোনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের সহযোগিতা বিহারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও সহজ ও গতিশীল করবে। স্থানীয়রা জানান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে এ ধরনের সহযোগিতা পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে।

দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবায় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ; ২১ জনকে নারীকে সনদ বিতরণ

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ সহায়তা দিলেন এমপি ওয়াদুদ ভূইয়া

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ি দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ৩ সপ্তাহ ব্যাপি গর্ভকালীন স্বাস্থ্য, পরিচর্যা, সন্তান প্রসব, শিশু স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক উপর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন। প্রশিক্ষণার্থী ২১ জন নারীকে সনদ বিতরন করেন মেডিকেল অফিসার আরএমও শায়খ উদ্দিন ক্যাপ্টেন সাকলাইন।

সোমবার (২৭ সেপ্টম্বর) সকালে দীঘিনালা জোন সদরে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীঘিনালা জোনের তত্ত্বাবধানে এবং দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সহযোগিতার গর্ভকালীন স্বাস্থ্য, পরিচর্যা, প্রসব, শিশু স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক ৩ (তিন) সপ্তাহের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন শেষে ২১ প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে যোগ্যতার সনদ প্রদান করা হয়েছে।

প্রশিক্ষনার্থী তিলক্ষ চাকমা ও বিউটি মুৎসুদ্দি বলেন, আমরা প্রশিক্ষন নিয়েছি এখন আমরা গর্ভকালীন স্বাস্থ্য, পরিচর্যা, প্রসব, শিশু স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানে পরামর্শ ও সহযোগীতা করতে পারব।

×