| ৮ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়িতে যথাযোগ্য মর্যাদায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালন করেছে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় দিবসটি উপলক্ষে পল্টন ঘাট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা মিলনায়তনে গিয়ে শেষ হয়।

পরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকিরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি মো. জাফর আহাম্মদ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক বারেক খাঁ, সহসভাপতি নেইলাই পাংখোয়া এবং যুগ্ম সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি।

এছাড়াও বক্তব্য দেন কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কবির হোসেন, বিলাইছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হায়দার, ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলু আরা বেগম, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ভিএল পাংখোয়া, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আল মামুন, ওলামা দলের সভাপতি মো. হোসাইন, জাসাসের সভাপতি মো. জাকির হোসেন, ছাত্রদলের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, ২ নম্বর কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. মনির হোসেন এবং তাঁতী দলের সভাপতি মো. আবুল কালাম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফারুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি যতীন তঞ্চঙ্গ্যা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ইমাম হাসান সিকদার, চাথোয়াই রোয়াজা, সমূল্য হেডম্যান, শান্তি রায় চাকমা, মো. আলমগীর, মো. হারুন, অলি আহমেদ, আকবর হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মো. মোবারক হোসেন, ববিতা চাকমা, ডালিয়া বড়ুয়া, নিত্যলাল তঞ্চঙ্গ্যা, মো. ইসহাক, ফাক্কো চাকমা ও জনি মার্মাসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক পটভূমি ও তাৎপর্য তুলে ধরেন। তাঁরা দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পিয়ন থেকে শুরু করে কর্মকর্তা পর্যায় পর্যন্ত দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন দপ্তরে দাপ্তরিক কাজ ও সভা-সমাবেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন বক্তারা।

তাঁরা আরও বলেন, বিলাইছড়িতে বিভিন্ন সময় সুবিধাভোগী ও দালালচক্রের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের কাছে তথ্য ও তালিকা রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ না হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

 

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে। তাঁর নেতৃত্বে দেশকে রক্ষার যে ভূমিকা বিএনপি তুলে ধরে, সেই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমানেও গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তাঁরা।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মানিকছড়িতে বিএনপির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৮ নভেম্বর) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হাবিব এবং সদস্য সচিব মো. মীর হোসেন-এর উপস্থিতিতে এ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। কর্মসূচিতে উপজেলা জাতীয়তাবাদী বিএনপি, কৃষকদল, ওলামা দল, যুবদল, ছাত্রদল এবং মহিলা দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাটি উপজেলার আমতল ও মহামুনি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এক পথসভায় মিলিত হয়। পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর আওয়ামী লীগ সরকার কর্তৃক বাকশাল গঠন এবং রক্ষীবাহিনী সৃষ্টি করে বুদ্ধিজীবী হত্যার যে নীলনকশা তৈরি করা হয়েছিল, তা নস্যাৎ করেছিলেন। এটি সম্ভব হয়েছিল সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতির মাধ্যমে”।

 

তিনি আরও বলেন, মেজর জিয়াউর রহমান কেবল স্বাধীনতার ঘোষণাই দেননি, বরং রণাঙ্গনে সম্মুখ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশ ও জাতির অন্তিম মুহূর্তে তিনি যে বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন, জনতার সংহতির মাধ্যমে সেই কঠিন অবস্থা থেকে দেশ মুক্তি পেয়েছিল। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পতন-পরবর্তী দেশ গঠনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমানের গড়া এ দেশের গণমানুষের দল বিএনপি আবারও দেশের সংকট দূর করতে বদ্ধপরিকর। শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরী তারেক রহমান এখন দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করছেন। তবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরেরা এখনও নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় দলের সকল স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে।

পথসভায় উপজেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

হালদা-কর্ণফুলী রক্ষায় কাপ্তাইয়ে জোরালো আওয়াজ: প্রজননক্ষেত্র ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অংশীজনদের অঙ্গীকার

বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী এবং এর সঙ্গে সংযুক্ত কর্ণফুলী নদীর অমূল্য মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাপ্তাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক গুরুত্বপূর্ণ উদ্বুদ্ধকরণ সভা। নদীদূষণ রোধ এবং অবৈধ মাছ শিকার বন্ধ করে মা-মাছ রক্ষায় স্থানীয় অংশীজনদের মাঝে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।মৎস্য অধিদপ্তর ও চট্টগ্রামের উদ্যোগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) আওতায় এই সভার আয়োজন করা হয়। রোববার (৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তর বাংলাদেশের মৎস্য পরিকল্পনা ও জরিপ বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সাহেদ আলী বলেন, “হালদা ও কর্ণফুলী নদী আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই নদীর সুরক্ষা কেবল সরকারি উদ্যোগের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না; এর জন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।”

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি জেলা পরিষদের মৎস্য বিভাগের আহবায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য বিল্টু চাকমা। তিনি নদী সুরক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কঠোর নজরদারির ওপর জোর দেন।​এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, কাপ্তাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. এনামুল হক হাজারী, মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)-এর প্রকল্প পরিচালক মো. ইউসুফ আলী, কাপ্তাই উপজেলা সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দিয়ে মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন কাপ্তাই উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মো. এরশাদ বিন শহীদ।হালদা ও কর্ণফুলী নদী দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক মৎস্যসম্পদের আধার—এ কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বক্তারা বলেন, মাছের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নদীদূষণ এবং সব ধরনের অবৈধ মাছ শিকার অবিলম্বে বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।নদী ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।​এই ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী সভাটি কাপ্তাইয়ের স্থানীয় মৎস্যজীবী ও সচেতন মহলে নদীর সুরক্ষায় নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

রামগড়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

বিলাইছড়িতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে খাগড়াছড়ির রামগড়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহিংসতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সমাবেশে বক্তব্য দেন দলীয় নেতারা।

রবিবার (৮ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রামগড় উপজেলা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত মোর্শেদ ভূঁইয়া মিঠু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শেফায়েত উল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম বাদশাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ ছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল এবং উপজেলা জিয়া পরিষদের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা র‍্যালি ও সমাবেশে অংশ নেন।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। পাশাপাশি দেশের গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×