| ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধিঃ

কোনো জাতিকে যদি ধ্বংস করতে চাও তাহলে তার ভাষা ধ্বংস করে দেন তঞ্চঙ্গ্যা জাতির কেন্দ্রীয় কমিটির বিষু মেলা অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথি বক্তব্যে ৩০০নং বান্দরবান সংসদীয় আসনে সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী তিনি একথা বলেন। তিনি রবিবার (১২ই এপ্রিল) বিকাল ৫ টায় রোয়াংছড়ির বেক্ষ্যং নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যায় মাঠে এক সভায় একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বহু বছর ধরে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিসত্তা নেতৃত্বে – কর্তৃত্বে শীর্ষে ছিলেন তিন পার্বত্য জেলায়। যাদের পরশে তঞ্চঙ্গ্যা জাতি সত্বা অনেক বেশি সম্বৃদ্ধশালী। বান্দরবান পার্বত্য জেলা-উপজেলার কাজ করার সময় সবার সাথে ভেরী ক্লোজ টু মি। তিনি আরও বলেন, তঞ্চঙ্গ্যা কমিউনিটি একটি রাজনৈতিক সামাজিক সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন এটা একটা খুবই পজিটিভ দিক। এজন্য রেস্টপেক্ট করি।

অনুষ্ঠানে ব্যানারে বাংলার পাশাপাশি নিজের ভাষাও (স্পেলিং) লিখে দিতে বলেন। আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাতিসত্বাকে স্বীকার ও স্বীকৃতি দিয়েছেন। বোমাং সার্কেলের অধীনে বান্দরবান প্রায় ১৪ টি  জাতিসত্বা রয়েছে। এজন্য বান্দরবানকে মিনি চিটাগং হিলট্রাক বলা হয়। প্রধানমন্ত্রীর ৩১ দফার বাস্তবায়নে ১১টি ক্ষুদ্র ভাষার মধ্যে ১০ টার অনুবাদ রয়েছে সেখানে তঞ্চঙ্গ্যা ভাষাও অনুবাদ করা আছে। নিজস্ব যে কোনো ফাংশানে/অনুষ্ঠানে নিজস্ব ভাষা ব্যবহার করা। সেটা তোমাদের অধিকার তোমাদের স্বীকৃতি। নারী ও পুরুষের নিজস্ব ট্রাডিশনাল পোশাক দেখে খুবই মুগ্ধ হয়েছি। এটা শুধু বাংলাদেশে প্রচারে নয় সারা বিশ্বে প্রচার হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪ জাতি সত্বার রাষ্ট্রীভাবে যেখাবে সুযোগ আসবে সেটা প্রোফার্লী তঞ্চঙ্গ্যা জাতিও পাবে। তঞ্চঙ্গ্যা জাতির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি জানান এবং গুনমুনি মহাজনের কথা স্বরণ করেন।

এরঁ আগে প্রধান অতিথি ঘিলা খেলা গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট শুভ উদ্বোধন করেন সকলের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং কয়েকদিন  আগে ৭০০ টি ঘিলা উপহার দেন।

বাংলাদেশ তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থা (বাতকস)-কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটি এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাজমিন আলম তুলি, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য  শৈসাঅং মার্মা, থানা অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্ব নাথ তঞ্চঙ্গ্যা, উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অমিত ভূষণ তঞ্চঙ্গ্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজীব কুমার তঞ্চঙ্গ্যা এবং সভাপতিত্ব করেন উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির মহা-সচিব উজ্জ্বল তঞ্চঙ্গ্যা।

এছাড়াও ঘিলা খেলা উপকমিটির আহ্বায়ক ছোটন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা, উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কার্য বিবাহী কমিটির সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা, শাক্যমিত্র তঞ্চঙ্গ্যা এ্যাড. বিমল তঞ্চঙ্গ্যা, বিরলাল তঞ্চঙ্গ্যা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

কেন্দ্রীয় বিষু উৎসবে ৪৭টি যুবক – যুবতীর দল অংশ গ্রহন করেন। সারারাত ধরে ঘিলা খেলা প্রতিযোগিতা, অতিথি আপ্যায়ন  ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় এবং সকালে খেলায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হন পাগলাছড়া পাড়া ও গুইনখ্যং তঞ্চঙ্গ্যা পাড়া।

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগে চ্যাম্পিয়ন অর্জনে বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে বিশেষ সংবর্ধনা দিয়েছে বিলাইছড়ি সেনা জোন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে ‘উদ্যমী উনত্রিশ, বিলাইছড়ি জোন, রাঙামাটি রিজিয়ন’-এর সৌজন্যে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন জোন কমান্ডার বিএ- ৭৭৭৩ লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী পিএসসি (অধিনায়ক, ২৯ বীর)।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জনকারী বিলাইছড়ি উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়াতে সেনা জোনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় জোনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, প্রথাগত নেতা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টে বিলাইছড়ি দলের সোহাগ বাবু মার্মা সেরা গোলদাতা, জনি মার্মা সেরা গোলকিপার এবং অজান্ত চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল। নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে রাঙামাটি সদরকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লেখায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। অংশ নেওয়া উপজেলাগুলো হলো— রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু।

শিক্ষার আলো ছড়াতে কাপ্তাইয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী উপহার দিল ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কাপ্তাই ১১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের (১১ আর ই) উদ্যোগে স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে পাহাড়ি ও বাঙালি শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা, কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্সসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এসময় কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অর্জনের মাধ্যমেই সঠিক শিক্ষা অর্জন সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ অত্যন্ত আনন্দিত।

তারা জানান, এই ধরনের সহায়তা পিছিয়ে পড়া এলাকার কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

তঞ্চঙ্গ্যা জাতি পোশাকে, সামাজিক, সংস্কৃতিতে খুবই ডিসিপ্লিন — এমপি রাজপুত্র সাচিংপ্রু জেরী

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চৌমুহনী কলেজ রোডের বায়তুশ শরফ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম জাবেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন কার্যালয়টি বাঘাইছড়ির সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলী অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×