বিশেষ প্রতিবেদক :
আন্তর্জাতিক এসডিজি ও এসএডিজি ইউনিপান-ইউএন উদ্যোগে গ্লোবাল সামিট কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল দ্য ওয়েস্টিনের হলরুমে এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. রাজু সাহা। এতে উপস্থিত ছিলেন কানাডার রাষ্ট্রদূত, ইউনিপান কানাডা শাখার সভাপতি ড. রশিদ আব্দুর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, বুদ্ধিজীবী ও কানাডাপ্রবাসী আব্দুর রশিদ খান, নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. রেভারেল রাজুলামা, নেপাল শাখার সাধারণ সম্পাদক গৌতম চন্দ্র, গ্লোবাল হিমালয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাম্বাসেডর ড. সত্য কালা তামাং লামা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অনারেবল পার্সন রুহেল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আমিরাজ, লন্ডনের অনারেবল পার্সন মিজানুর রহমান, এলিট পার্সন লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম বিভাগ ইউনিপান কো-অর্ডিনেটর রেভারেল বিজয়ানন্দন থেরো এবং তিন পার্বত্য জেলা থেকে আগত ইউনিপানের নির্বাহী সদস্য ও প্রতিনিধি চাইথোয়াইমং মারমা।
সম্মেলনে দেশ-বিদেশ থেকে আগত ইউনিপানের সদস্য, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষানুরাগী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী ও মানবাধিকারকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আরেফিন চৌধুরী।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
সম্মেলনে আন্তর্জাতিক এসডিজি ও এসএডিজি ইউনিপান-ইউএন উদ্যোগের বৈশ্বিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি তুলে ধরা হয়। বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার, অধিকার, স্বাধীনতা, সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, বিশ্বে যুদ্ধ নয়, শান্তি প্রতিষ্ঠা, সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।
বক্তারা শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ, নারী ও শিশুর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শ্রমের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান। ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে বিশ্বব্যাপী শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।
এ সময় অতিথিরা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মানবাধিকারের গুরুত্ব এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বক্তব্য দেন।
দিনব্যাপী আলোচনা, মতবিনিময় ও সম্মাননা প্রদান শেষে সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ব মানবাধিকার, এসডিজি ও এসএডিজি গ্লোবাল সামিট কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।