| ৩১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

লংগদু গাথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব শাজাহান চৌধুরী “শিক্ষার মানোন্নয়নে দিলেন দিকনির্দেশনা”

লংগদু গাথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব শাজাহান চৌধুরী “শিক্ষার মানোন্নয়নে দিলেন দিকনির্দেশনা”

 

আবু বককর, লংগদু (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গাথাছড়া বায়তুশ শরফ আলিম মাদ্রাসা কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাজাহান চৌধুরী।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তিনি মাদ্রাসার ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মাদ্রাসার সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও আদর্শিক শিক্ষায় গড়ে তোলা এবং প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম অঞ্চলের টিম সদস্য মাও : মোস্তাফিজুর রহমান, রাঙামাটি জেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম, লংগদু উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা মো. এ এল এম সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি তাজমাহমুদ, সহকারী সেক্রেটারি শিহাব উদ্দিন, লংগদু প্রেসক্লাবের সভাপতি এখলাস মিয়া খান, বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের সুপার হাফেজ আলহাজ্ব মাওলানা ফোরকান আহমদসহ মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দ।


পরিদর্শনকালে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ও মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। তাঁর এ পরিদর্শন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম

পার্বত্য অঞ্চলের ত্রিপুরা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা পূরণে যাজক হচ্ছেন ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরা

লংগদু গাথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব শাজাহান চৌধুরী “শিক্ষার মানোন্নয়নে দিলেন দিকনির্দেশনা”

 

বলীপাড়ায় তিন দিনব্যাপী আয়োজন, অভিষেক ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন আয়োজকরা

মথি ত্রিপুরা, রুমা, (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

পার্বত্য অঞ্চলের ত্রিপুরা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। আগামী ৬ নভেম্বর শুক্রবার বান্দরবানের থানচি উপজেলার বলীপাড়া ধর্মপল্লীতে যাজক পদে অভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন ডিকন ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরা। চট্টগ্রাম মহাধর্মপ্রদেশের আর্চবিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার, সিএসসি তাঁর অভিষেক সম্পন্ন করবেন।

এই অভিষেককে কেন্দ্র করে পার্বত্য অঞ্চলের ত্রিপুরা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ, উৎসাহ ও ব্যাপক উদ্দীপনা বিরাজ করছে। নিজ জাতিগোষ্ঠীর একজন সদস্যকে যাজক হিসেবে পাওয়ার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাওয়ায় ঘটনাটিকে সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিষেক উপলক্ষে আগামী ৫ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত বলীপাড়া ধর্মপল্লীতে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় ও আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বরণ অনুষ্ঠান, পবিত্র আরাধনা, মঙ্গলানুষ্ঠান, যাজকীয় অভিষেক, ধন্যবাদের খ্রিষ্টযাগ, সংবর্ধনা ও প্রীতিভোজ।

আয়োজকদের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় বরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। বিকেল ৫টায় পবিত্র আরাধনা এবং সন্ধ্যা ৬টায় মঙ্গলানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

৬ নভেম্বর শুক্রবার সকাল ৯টায় মূল যাজকীয় অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অভিষেক শেষে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে সংবর্ধনা এবং দুপুর ১টায় প্রীতিভোজের আয়োজন রয়েছে। পরদিন ৭ নভেম্বর শনিবার সকাল ৯টায় ধন্যবাদের খ্রিষ্টযাগ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে সংবর্ধনা ও দুপুর ১টায় প্রীতিভোজের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে।

আমন্ত্রণপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিকন ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরা প্রয়াত ধর্মচরণ ত্রিপুরা ও সাইজমা ত্রিপুরার নবম সন্তান। তিনি চট্টগ্রাম মহাধর্মপ্রদেশের অন্তর্গত নিবেদিতা কুমারী মারীয়ার ধর্মপল্লী, বলীপাড়ার রীসংসং পাড়ার বাসিন্দা।

এদিকে, বহুল প্রতীক্ষিত এই অভিষেক অনুষ্ঠান সফল করতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আয়োজক, ধর্মপল্লীর সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। অনুষ্ঠানে আগত ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, অতিথি, আত্মীয়স্বজন ও খ্রিষ্টবিশ্বাসীদের বরণ এবং সার্বিক আয়োজন সম্পন্ন করতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা, আন্তরিকতা ও সহযোগিতায় সাজানো হচ্ছে পুরো আয়োজনস্থল।

সম্প্রদায়ের সদস্যরা মনে করছেন, এই যাজকীয় অভিষেক শুধু ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরার ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নয়, বরং পার্বত্য অঞ্চলের ত্রিপুরা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অগ্রযাত্রা ও আধ্যাত্মিক বিকাশের ক্ষেত্রেও একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। তাঁর মাধ্যমে ভবিষ্যতে খ্রিষ্টীয় বিশ্বাস, মানবসেবা, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ আরও জোরদার হবে বলে প্রত্যাশা তাঁদের।

অভিষেক উপলক্ষে বাংলাদেশ ত্রিপুরা খ্রিষ্টান স্টুডেন্টসসহ বিভিন্ন সংগঠন ও পর্যায় থেকে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর সুস্বাস্থ্য, আধ্যাত্মিক শক্তি এবং সফল যাজকীয় জীবনের জন্য প্রার্থনা করছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে এখন বলীপাড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশ। সবার অপেক্ষা ৬ নভেম্বরের সেই বিশেষ দিনের, যেদিন নতুন যাজক হিসেবে অভিষিক্ত হবেন ডিকন ফ্রান্সিস সাধুমনি ত্রিপুরা।

খাগড়াছড়িতে ৩২তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত: ‘সাধু সাধু’ ধ্বনিতে মুখরিত আর্য বন বিহার

লংগদু গাথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব শাজাহান চৌধুরী “শিক্ষার মানোন্নয়নে দিলেন দিকনির্দেশনা”

 

​ছন্দ সেন চাকম, নিজস্ব প্রতিনিধি :

​খাগড়াছড়ির আর্য বন বিহারে দুই দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান ৩২তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান-২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে। বস্তু দানের এই শ্রেষ্ঠ দানে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত পুণ্যার্থী ও উপাসক-উপাসিকা অংশ নেন।

​উৎসবের শুরুতে ফিতা কেটে বেইন ঘরের উদ্বোধন করেন রাজ বন বিহারের বন ভান্তের শিষ্য সংঘের প্রধান ও আবাসিক প্রধান শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ প্রজ্ঞা লংকার মহাস্থবির মহোদয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আর্য বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ ভদ্দজি মহাস্থবিরসহ বিভিন্ন বিহার থেকে আগত বিহার অধ্যক্ষ মহোদয়গণ।

‘চিরং তিত্থাতু বুদ্ধ সাসানম’ এই শাশ্বত বাণীর আলোকে ২৫৭০ বুদ্ধাব্দ উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সদ্ধর্ম আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দ্বিতীয় দিনে বুদ্ধ মূর্তি দান, সংঘ দান, অষ্টপরিষ্কার দান, রাজ বন বিহারে প্যাগোডার জন্য অর্থ দান এবং হাজার প্রদীপ দানসহ নানা প্রকার দানের মাধ্যমে কঠিন চীবর দান সম্পন্ন করা হয়।

​অনুষ্ঠানে ২৯৮ নম্বর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ওয়াদুদ ভূইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া ভিক্ষু সংঘের মধ্যে শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ বিশুদ্ধানন্দ মহাস্থবিরসহ আরও অনেক বিহার অধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে আর্য বন বিহারের অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ ভদ্দজি মহাস্থবির মহোদয়কে কঠিন চীবরটি দান করা হয়।

হাজারো পুণ্যার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে পুরো বিহার প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪০ পিএম

বুদ্ধধর্মই নির্বাণ লাভের পথ, অন্য কোনো ধর্মে তা সম্ভব নয় : বিপুল জ্যোতি মহাথের

লংগদু গাথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা পরিদর্শনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের এমপি আলহাজ্ব শাজাহান চৌধুরী “শিক্ষার মানোন্নয়নে দিলেন দিকনির্দেশনা”

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

বুদ্ধধর্মের উৎপত্তির পর থেকেই জানা যায়, গৌতম বুদ্ধের প্রদর্শিত ধর্মীয় পথ অনুসরণ করেই নির্বাণ লাভ সম্ভব। বুদ্ধধর্ম ছাড়া অন্য কোনো ধর্মে নির্বাণ লাভ করা যায় না। জগতের সবচেয়ে বড় পাপ হলো মিথ্যাদৃষ্টি, আর সবচেয়ে বড় পুণ্য হলো ধ্যান। তাই মানুষকে মিথ্যাদৃষ্টি পরিহার করে দান, শীল ও ভাবনার চর্চা করতে হবে।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কুতুবদিয়া গ্রামে অবস্থিত সদ্ধর্মোদয় বৌদ্ধ বিহারের ৩৭তম কঠিন চীবর দান উপলক্ষে আয়োজিত সকালের পর্বে একক ধর্মদেশনায় এসব কথা বলেন বিপুল জ্যোতি মহাথের।

বিহারটি ষষ্ঠ বৌদ্ধ মহাসংগীতিকার ও পার্বত্য ভিক্ষু সংঘের প্রতিষ্ঠাতা রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরোর জন্মস্থান হওয়ায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ পুণ্যভূমি হিসেবে পরিচিত।

বিহার পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় দায়ক-দায়িকাদের আয়োজনে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল পিণ্ডদান, পুষ্পমাল্য অর্পণ, অতিথি আপ্যায়ন, বুদ্ধমূর্তি দান, কল্পতরু দান, অষ্টপরিষ্কার দান, কঠিন চীবর দান, ধর্মসভা, ফানুস উত্তোলন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি আর্যলঙ্কার মহাথের উপস্থিত ছিলেন।

বিকেলের ধর্মসভায় সভাপতিত্ব করেন অগ্রবংশ ভিক্ষু। এতে প্রধান ধর্মালোক হিসেবে বুদ্ধ জ্যোতি ভিক্ষু এবং বিশেষ ধর্মালোক হিসেবে উ. তেজবর্ণ ভিক্ষু,সঞ্চালনায়   চন্দ্র কীর্তি ভিক্ষু সহ অন্যান্য ভিক্ষুসংঘ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান। প্রধান জ্ঞাতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা। আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অমৃত সেন তঞ্চঙ্গ্যা, রমাকান্ত হেডম্যান, বিশিষ্ট দায়ক বৃক্ষপতি তঞ্চঙ্গ্যা (বৈদানী), বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়তুন তঞ্চঙ্গ্যা, সাধারণ সম্পাদক সুমন্ত তঞ্চঙ্গ্যা, রঞ্জন তঞ্চঙ্গ, মনিষা তঞ্চঙ্গ্যা, দিবাকর তঞ্চঙ্গ্যা, জিকু তঞ্চঙ্গ্যা, ওয়ার্ড মেম্বার বাবু লাল তঞ্চঙ্গ্যা সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মপ্রাণ দায়ক-দায়িকারা।

×