| ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার ৩ নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা।

তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন উল্লেখ করে তিনি বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সাচিং মারমা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি আপনাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমার বাবা থোয়াইঅংগ্য মারমার দেখানো পথে সততা, ন্যায় ও স্বচ্ছতাকে ধারণ করে মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করছি। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের মতামত, সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চাই। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগব্যবস্থা, কৃষি, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইডিএফে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি অবসরপ্রাপ্ত। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন

সাচিং মারমার পিতা থোয়াইঅংগ্য মারমা প্রয়াত। তাঁর বাড়ি রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ডাকবাংলা বিহারপাড়ায়। স্থানীয়ভাবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন বলে তাঁর সমর্থকেরা জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সাচিং মারমা বলেন, “বাঙ্গালহালিয়ার মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণকে সামনে রেখে কাজ করতে চাই। ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সমস্যাগুলো কাছ থেকে দেখেছি। অনেক জায়গায় যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের আরও উন্নয়ন প্রয়োজন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালনা করতে চাই।”

তিনি বলেন, “আমার কাছে চেয়ারম্যানের পদ কোনো ক্ষমতার বিষয় নয়; এটি মানুষের সেবা করার একটি দায়িত্ব। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষ যেন ইউনিয়ন পরিষদে এসে নিজের কথা বলতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় সেবা পান—সেই পরিবেশ তৈরি করতে চাই।”

এদিকে সাচিং মারমার প্রার্থিতাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপি ও সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অনুসারীরা দাবি করেছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিনের সামাজিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তিনি বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।

এলাকার সচেতন নাগরিক সমাজের কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে কে জনগণের আস্থা অর্জন করবেন, সেটি নির্ভর করবে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয়, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং এলাকার মানুষের জন্য তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ওপর। তবে সাচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এবং মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন—এ বিষয়টি তাঁর সমর্থকেরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

সাচিং মারমা বলেন, “আমি বাঙ্গালহালিয়ার প্রতিটি মানুষের দোয়া ও সমর্থন চাই। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষ, তরুণ সমাজ, প্রবীণ নাগরিক, নারী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে চাই। নির্বাচনে জনগণ যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন এবং দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ দেন, তাহলে তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

তিনি আরও বলেন, “বাঙ্গালহালিয়ার উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য দল-মত ও সম্প্রদায়ের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩ নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়ে সাধারণ মানুষের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন সাচিং মারমা। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত, নির্বাচনী পরিস্থিতি এবং ভোটারদের সমর্থন তাঁর প্রার্থিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাচিং মারমার প্রত্যাশা—শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে জনগণের পাশে থেকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নকে উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জনসেবার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া।

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগে চ্যাম্পিয়ন অর্জনে বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লীগ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দলকে বিশেষ সংবর্ধনা দিয়েছে বিলাইছড়ি সেনা জোন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা মিলনায়তনে ‘উদ্যমী উনত্রিশ, বিলাইছড়ি জোন, রাঙামাটি রিজিয়ন’-এর সৌজন্যে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের হাতে সম্মাননা ও শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন জোন কমান্ডার বিএ- ৭৭৭৩ লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী পিএসসি (অধিনায়ক, ২৯ বীর)।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে টুর্নামেন্টে অসাধারণ ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি অর্জনকারী বিলাইছড়ি উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের সম্মাননা প্রদান করা হয়। বিজয়ী দলের খেলোয়াড়দের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়াতে সেনা জোনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় জোনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, প্রথাগত নেতা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

টুর্নামেন্টে বিলাইছড়ি দলের সোহাগ বাবু মার্মা সেরা গোলদাতা, জনি মার্মা সেরা গোলকিপার এবং অজান্ত চাকমা সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি মারী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের রোমাঞ্চকর ফাইনালে টাইব্রেকারে রাঙামাটি সদর উপজেলাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল। নির্ধারিত সময়ে কোনো দলই গোল করতে না পারায় ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে রাঙামাটি সদরকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করে বিলাইছড়ি। এর মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নিজেদের নাম লেখায় বিলাইছড়ি উপজেলা ফুটবল দল।

রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে জেলার ১০ উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করেন। অংশ নেওয়া উপজেলাগুলো হলো— রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, রাজস্থলী, বিলাইছড়ি, জুরাছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বাঘাইছড়ি ও লংগদু।

শিক্ষার আলো ছড়াতে কাপ্তাইয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সামগ্রী উপহার দিল ১১ আর ই ব্যাটালিয়ন

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি সেনা রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কাপ্তাই ১১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নের (১১ আর ই) উদ্যোগে স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই কল্যাণমূলক কর্মসূচিতে পাহাড়ি ও বাঙালি শিক্ষার্থীদের মাঝে খাতা, কলম, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্সসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

এসময় কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অর্জনের মাধ্যমেই সঠিক শিক্ষা অর্জন সম্ভব। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক সহায়তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী উদ্যোগে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজ অত্যন্ত আনন্দিত।

তারা জানান, এই ধরনের সহায়তা পিছিয়ে পড়া এলাকার কোমলমতি শিশুদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে এবং ঝরে পড়া রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন

শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক সাচিং মারমা, বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রত্যাশী

 

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চৌমুহনী কলেজ রোডের বায়তুশ শরফ মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় কার্যালয়টির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাবেদুল আলম জাবেদ, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কবির আহমেদ, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ুমসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন কার্যালয়টি বাঘাইছড়ির সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনদুর্ভোগ তুলে ধরার পাশাপাশি সাংবাদিকদের পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সত্য, নিরপেক্ষ, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা এবং সাংবাদিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ হাসান আলী অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

×