| ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতার বার্তা দিয়ে কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত

আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতার বার্তা দিয়ে কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধব :

​‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে ধারণ করে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬। যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী এ কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য যুব র‍্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিটি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক উদ্বোধনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ​উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খায়রুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম।

যুবসমাজকে উদ্দীপ্ত করে প্রধান অতিথি বলেন, “প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থানের জন্য যে ডাক দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে যুবকদের জোরালোভাবে এগিয়ে আসতে হবে।” ​উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ডা. রহমত উল্লাহ, রাঙামাটি জেলা বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক দিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ডা. এনামুল হক হাজারী এবং কাপ্তাই থানার উপ-পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন।​

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ও যুব সংগঠক ইব্রাহীম হাবিব মিলু, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও যুব সংগঠক আবদুল্লাহ আল নাহিয়ান ডালিম, চন্দ্রঘোনা একতা যুব সংঘের সাধারণ সম্পাদক মো. রাব্বি এবং সফল ঋণগ্রহিতা থুইনচিং মারমা। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় উদীয়মান যুব-যুবতীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে যুব কল্যাণ তহবিল থেকে প্রাপ্ত অনুদান ও যুব ঋণের চেক সুবিধাভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি নিবন্ধিত বিভিন্ন যুব সংগঠনের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

পরিশেষে, এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জনপ্রিয় বাউল শিল্পী বসুদেব মল্লিক ও লিপি দাশের পরিবেশনায় গান উপস্থিত সবাইকে মাতিয়ে তোলে।

দীঘিনালার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনাকুঠিরে ৫ তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন

আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতার বার্তা দিয়ে কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনা কুঠিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৫তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ১নভেম্বর দিনব্যাপি অনুষ্টানে সকালে বুদ্ধ মুর্তিদান, সংঘ দান, অষ্টপরিস্কার দান করা হয়।

এতে অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন নন্দবংশ মহাস্হবির ভান্তে, ছোট মেরং বিশ্ব শান্তি ভাবনা কুঠিরের অধ্যক্ষ সুগতবংশ মহাস্হবির ভান্তে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য শান্তি প্রিয় চাকমা, এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জ্ঞান জীত চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দেশ ও বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় দেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

পাশাপাশি সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ও অশান্তি দূর হয়ে বিশ্বজুড়ে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশনা প্রদানকালে নন্দ বংশ মহাস্হবির ভান্তে বলেন, বুদ্ধ ধর্ম হলো শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের ধর্ম। বুদ্ধের আদর্শ অনুসরণ করে প্রত্যেক মানুষের জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সবাইকে বুদ্ধের উপদেশ মেনে চলতে হবে। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি পঞ্চশীল পালনের আহ্বান জানান।

নন্দ বংশ ভান্তে আরও বলেন, পঞ্চশীল মানুষের নৈতিক ও আদর্শ জীবন গঠনের অন্যতম ভিত্তি। পঞ্চশীল পালন করলে মানুষ হিংসা, লোভ, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে পারে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেকের পঞ্চশীল পালন করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি সবাইকে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবতার আদর্শে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান।

অনুষ্টানে দ্বিতীয় পর্ব উপস্তিত ভিক্ষু সংঘ উদ্দেশ্য কল্পতরু ও কঠিন চীবর দানের মাধ্যমে দিন ব্যাপি কঠিন চীবর দান অনুষ্টান সমাপ্ত হয়।

শান্তিপুরে দুই দিনব্যাপী ২০তম কঠিন চীবর দানোৎসব উদযাপিত

আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতার বার্তা দিয়ে কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত

 

ছন্দ সেন চাকমা :

দান, শীল ও প্রার্থনার পুণ্য আবহে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দান।

​শুক্রবার ও শনিবার—দুই দিনব্যাপী উপজেলার শান্তিপুর অরণ্য কুটিরে ২০তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক দায়ক-দায়িকা, উপাসক-উপাসিকা ও পুণ্যার্থী।

​শান্তিপুর অরণ্য কুটিরের ২০তম কঠিন চীবর দানোৎসবে সভাপতিত্ব করেন বনভান্তের শিষ্য সংঘের প্রধান ও রাঙামাটি রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ভদন্ত প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা।

​এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রিপল চাকমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য কংজপ্রু মারমা, বাংলাদেশ মারমা ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি সুধাঅং মারমা এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য রুমেল মারমাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​অনুষ্ঠানে ধর্মসভায় স্বধর্মদেশনা প্রদান করেন রাজবন বিহারের আবাসিক প্রধান ও বনভান্তের শিষ্য সংঘের প্রধান শ্রদ্ধেয় শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির মহোদয়, শান্তিপুর অরণ্য কুটিরের অধ্যক্ষ ভদন্ত শাসন রক্ষিত মহাস্থবির, মৈত্রীপুর ভাবনা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ভদন্ত বিমলানন্দ মহাস্থবির, ধর্মচক্র অরণ্য কুটিরের অধ্যক্ষ ভদন্ত মহামিত্র মহাস্থবির, তপোবন অরণ্য কুটিরের অধ্যক্ষ ভদন্ত জিনপ্রিয় মহাস্থবির এবং ধর্মপুর আর্য বন বিহারের ভদন্ত সত্যপ্রেম মহাস্থবিরসহ অন্যান্য ভিক্ষুসংঘ।

​ধর্মসভায় বক্তারা কঠিন চীবর দানের ধর্মীয় তাৎপর্য, বৌদ্ধধর্মে শীল, সমাধি ও প্রজ্ঞার গুরুত্ব এবং মানবজীবনে দান ও নৈতিকতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, কঠিন চীবর দান কেবল কোনো ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এর মধ্য দিয়ে ত্যাগ, সংযম, সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা প্রতিফলিত হয়। দান ও শীলের চর্চা মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও মৈত্রীর বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে।

​দিনব্যাপী বুদ্ধবন্দনা, ধর্মদেশনা, চীবর দান, পুণ্যাহুতি ও প্রার্থনাসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে দুই দিনব্যাপী এই দানোৎসবের সমাপ্তি ঘটে।

ঢাকায় আন্তর্জাতিক এসডিজি ও এসএডিজি ইউনিপান গ্লোবাল সামিট কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

আত্মকর্মসংস্থান ও দক্ষতার বার্তা দিয়ে কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবস পালিত

বিশেষ প্রতিবেদক :

আন্তর্জাতিক এসডিজি ও এসএডিজি ইউনিপান-ইউএন উদ্যোগে গ্লোবাল সামিট কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল দ্য ওয়েস্টিনের হলরুমে এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. রাজু সাহা। এতে উপস্থিত ছিলেন কানাডার রাষ্ট্রদূত, ইউনিপান কানাডা শাখার সভাপতি ড. রশিদ আব্দুর, বিশিষ্ট সমাজসেবক, বুদ্ধিজীবী ও কানাডাপ্রবাসী আব্দুর রশিদ খান, নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. রেভারেল রাজুলামা, নেপাল শাখার সাধারণ সম্পাদক গৌতম চন্দ্র, গ্লোবাল হিমালয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অ্যাম্বাসেডর ড. সত্য কালা তামাং লামা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অনারেবল পার্সন রুহেল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আমিরাজ, লন্ডনের অনারেবল পার্সন মিজানুর রহমান, এলিট পার্সন লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম বিভাগ ইউনিপান কো-অর্ডিনেটর রেভারেল বিজয়ানন্দন থেরো এবং তিন পার্বত্য জেলা থেকে আগত ইউনিপানের নির্বাহী সদস্য ও প্রতিনিধি চাইথোয়াইমং মারমা।

সম্মেলনে দেশ-বিদেশ থেকে আগত ইউনিপানের সদস্য, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষানুরাগী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলী ও মানবাধিকারকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আরেফিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিদের সম্মাননা ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

সম্মেলনে আন্তর্জাতিক এসডিজি ও এসএডিজি ইউনিপান-ইউএন উদ্যোগের বৈশ্বিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি তুলে ধরা হয়। বক্তারা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার, অধিকার, স্বাধীনতা, সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, বিশ্বে যুদ্ধ নয়, শান্তি প্রতিষ্ঠা, সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।

বক্তারা শিশুদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ, নারী ও শিশুর সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শ্রমের যথাযথ মূল্যায়নের আহ্বান জানান। ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে বিশ্বব্যাপী শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।

এ সময় অতিথিরা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, মানবাধিকারের গুরুত্ব এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমতা প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বক্তব্য দেন।

দিনব্যাপী আলোচনা, মতবিনিময় ও সম্মাননা প্রদান শেষে সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্ব মানবাধিকার, এসডিজি ও এসএডিজি গ্লোবাল সামিট কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

×