| ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

দীঘিনালায় দুর্গাপূজা বিজিবির নিরাপত্তা সভা, ৯ পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান

দীঘিনালায় দুর্গাপূজা বিজিবির নিরাপত্তা সভা, ৯ পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নিরাপত্তা জোরদার ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার নয়টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ সময় প্রতিটি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি) অধিনায়ক।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি) মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব ও বক্তব্য দেন বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইশতিয়াক আহম্মদ ইবনে রিয়াজ। এ সময় দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী, দীঘিনালা আনসার ও ভিডিপির সহকারী পরিচালক পুলক সরকার, মেডিকেল অফিসার এম. আবদুল্লাহ আল মামুন এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সুমনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইশতিয়াক আহম্মদ ইবনে রিয়াজ বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীকাল থেকে তিন প্লাটুন বিজিবি সদস্য মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

তিনি বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যদের স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করে সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, পূজা উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা কিংবা অন্য কোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্টরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনে তিনি সহযোগিতা কামনা করেন।

সভা শেষে দীঘিনালা উপজেলার নয়টি পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিদের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণ করা হয়।

দীঘিনালায় দুর্গাপূজার ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

দীঘিনালায় দুর্গাপূজা বিজিবির নিরাপত্তা সভা, ৯ পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি)। উপজেলার নয়টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় তিন প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

পূজার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে উপজেলার নয়টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইশতিয়াক আহম্মদ ইবনে রিয়াজ। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, দুর্গাপূজা শুরু থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সার্বক্ষণিক নজরদারি ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবেন বিজিবি সদস্যরা।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইশতিয়াক আহম্মদ ইবনে রিয়াজ বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি) সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদ্‌যাপনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে দীঘিনালায় শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে বিজিবির এ নিরাপত্তা কার্যক্রম পূজা শেষ হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

দুর্গম ধূপপানি পাড়ায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ‘ধূপপানি শিশুকানন’

দীঘিনালায় দুর্গাপূজা বিজিবির নিরাপত্তা সভা, ৯ পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের অত্যন্ত দুর্গম ধূপপানি পাড়ার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ‘ধূপপানি শিশুকানন’ নামে একটি বিদ্যালয়।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর উদ্যোগে এবং বিলাইছড়ি উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। বিদ্যালয়টির কার্যক্রম বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভি দাশের তত্ত্বাবধানও গুরুত্বপূর্ণ।

ধূপপানি পাড়াটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় এখানকার শিশুরা দীর্ঘদিন ধরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছিল। পাড়া থেকে নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে যেতে শিশুদের প্রায় এক ঘণ্টা পায়ে হেঁটে দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করতে হয়। ফলে ছোট শিশুদের পক্ষে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। দুর্গম পথের ঝুঁকির কারণে অনেক অভিভাবকও তাঁদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে চান না। এমন পরিস্থিতিতে ধূপপানি পাড়ার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আওতায় আনতে ‘ধূপপানি শিশুকানন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১১ জন শিশু শিক্ষার্থী নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর উদ্যোগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভি দাশের তত্ত্বাবধানে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। শিক্ষার আলো থেকে পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্য ‘ধূপপানি শিশুকানন’ একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। বিদ্যালয়টির পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে দুর্গম ধূপপানি পাড়ার শিশুরা ছোটবেলা থেকেই আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাবে এবং তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথ আরও সুগম হবে।

বিলাইছড়িতে শহীদ হাবিব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে ইউএনও অভি দাশ

দীঘিনালায় দুর্গাপূজা বিজিবির নিরাপত্তা সভা, ৯ পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত শহীদ হাবিব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভি দাশ।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় তিনি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এ সময় পিডিপি-৪-এর আওতায় বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে ইউএনও অভি দাশ শিক্ষকদের শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে পাঠদানের নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি শিক্ষকদের বিভিন্ন সমস্যা ও অসুবিধার কথা জানতে চান। এ সময় বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সমস্যা তুলে ধরে সড়কে ইট সোলিং করার দাবি জানান সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমজাদ হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ তঞ্চঙ্গ্যা, সার্ভেয়ার শাহীন হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সদস্য ভুবনজয় চাকমাসহ অনেকে।

×