| ১২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ নারী

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ নারী

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে পরিবারভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস কনফারেন্সে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এমপি, প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন এমপি, সচিব ড. আবু ইউছুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব।

এ সময় স্থানীয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিল আল জান্নাত, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আজিজুর রহমান, শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী কর্মকর্তা কামরুন নাহার, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. বাহার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শেফায়েত উল্লাহসহ স্থানীয় সাংবাদিকেরা।

প্রেস কনফারেন্সে জানানো হয়, নারীর ক্ষমতায়ন, মর্যাদা, অধিকার ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার। ১২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী একযোগে পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, গত ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। পাইলটিং পর্যায়ে দেশের আট বিভাগের ৪৪টি জেলার ৫৫টি উপজেলা ও সিটির ৫৭টি ইউনিটে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে প্রক্সিমিটি টেস্ট (পিএমটি) স্কোরের ভিত্তিতে নির্বাচিত ৭১ হাজার ৮৩১ জন উপকারভোগীকে ভাতা দেওয়া হয়েছে।

কর্মসূচির জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা প্রদানের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আগামী তিন অর্থবছরে সব নারী পরিবারপ্রধানকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিশেষায়িত ট্যাবের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্যসংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে সম্মেলনে জানানো হয়।

কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।

গোবিন্দগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রেমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ নারী

 

মানিক সাহা,  গাইবান্ধা :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক অবহিত করণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা ৩টায় গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদের হল রুমে উপজেলা নিবাহী কর্মকতা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকতা শফিউল আলম মন্ডল, উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ, পৌর বিএনপি’র সভাপতি রবিউল কবির মনু, সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর লেলিন, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনির হোসেন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেষে উপজেলা নিবাহী অফিসার ও উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

বিলাইছড়িতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ নারী

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা–২০২৬ উপলক্ষে পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১২টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভি দাশ।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি মো. জাফর আহাম্মদ।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুরজিত দত্ত, বিলাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ওসমান গনি, ১ নম্বর বিলাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা, হেডম্যান সুনিক জ্যোতি তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ফরহাদ হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জবা রানী বড়ুয়া, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রুবেল বড়ুয়া, তথ্য আপা আমবিয়া বেগম, কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের প্রতিনিধি ওয়ার্ড সদস্য রিপন চাকমা এবং দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সৈকত দাশ (রুবেল)।

সভায় আসন্ন দুর্গাপূজা চলাকালে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা, অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এ সময় পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্ন ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়।

জানা গেছে, বিলাইছড়ি বাজার এলাকায় একটি পূজামণ্ডপে শ্রীশ্রী কালীমন্দিরে জাঁকজমকপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি  উপজেলা বিএনপির পক্ষ হতেও সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন বলে জানা যায়।

গোবিন্দগঞ্জে রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার লুইস মুরমু মারা গেছে

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রা ৪০ লাখ নারী

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া লুইস মুরমু (৬৩) মারা গেছেন।
রবিবার (১২ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার কামদিয়া সড়কের শালপাড়া এলাকা থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় লুইস মুরমুকে প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যায়। লুইস মুরমু রাজাহার ইউপির রাজাবিরাট এলাকার মৃত সুরুজ মুরমুর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, রাত ৯টার দিকে পথচারীরা লুইসকে অজ্ঞান অবস্থায় রাস্তার পাশ থেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিএনজিযোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়ায় পাঠানো হয়। বগুড়া নেয়ার পথে মোকামতলা এলাকায় রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান জানান, লুইস মুরমুর মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে। তার জ্ঞান না ফেরায় তাকে বগুড়ায় পাঠানো হয়।

×