| ২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

চাইথোয়াইমং, মারমা বিশেষ প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলা বাঙ্গালহালিয়াতে মাত্র ২১ বছর বয়স। এই বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল সুন্দর ভবিষ্যতের, পরিবারকে নিয়ে সুখের সংসার গড়ার। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে আজ হিপ জয়েন্টের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে রাঙামাটি রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ম্রুংদ্রং পাড়ার বাসিন্দা টুম্পা দাশের। ২০২৫ সাল থেকে দুরারোগ্য এই ব্যাধিতে ভুগছেন তিনি।

দিন যত যাচ্ছে, ততই অবনতি হচ্ছে তাঁর শারীরিক অবস্থার। বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা তো দূরের কথা, নিজের দৈনন্দিন কাজও অন্যের সাহায্য ছাড়া করতে পারছেন না। এই অসহায় পরিস্থিতিকে আরও বেদনাদায়ক করে তুলেছে তাঁর মাত্র সাত মাস বয়সী কন্যাসন্তান। মাতৃত্বের সবচেয়ে সুন্দর সময়টি উপভোগ করার পরিবর্তে অসহ্য ব্যথা আর শারীরিক অক্ষমতার সঙ্গে লড়াই করছেন টুম্পা। নিজের সন্তানকে কোলে নেওয়া, আদর করা কিংবা ঠিকমতো যত্ন নেওয়ার মতো সাধারণ কাজও তাঁর কাছে আজ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন মায়ের এই অসহায়ত্ব পরিবার ও স্বজনদেরও গভীরভাবে কাঁদিয়ে তুলছে পুরো পরিবারর্বগ।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থতার শুরুতে সাধারণ চিকিৎসা নেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে উন্নত চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য পরিবারটির নেই। সীমিত আয়ের এই পরিবার ইতোমধ্যে চিকিৎসার পেছনে যা ছিল তা ব্যয় করেছে। এখন অর্থের অভাবে কার্যত চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে টুম্পা দাশ সুস্থ জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে সমাজের মানবিক মানুষের সহায়তার উপর।

টুম্পা দাশ বলেন, আমি ২০২৫ সাল থেকে এই রোগে ভুগছি। প্রতিদিন অসহ্য ব্যথা নিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। ঠিকভাবে হাঁটতে পারি না, নিজের কাজ নিজে করতে পারি না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে আমার সাত মাসের ছোট মেয়েটার দিকে তাকালে। ওকে কোলে নিতে চাই, আদর করতে চাই, কিন্তু শরীর সায় দেয় না। একজন মা হয়ে নিজের সন্তানকে ঠিকভাবে যত্ন নিতে না পারার কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার কথা বলেছেন। কিন্তু আমাদের পরিবারের সেই সামর্থ্য নেই। তাই দেশ-বিদেশের সকল হৃদয়বান মানুষ, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও মানবিক সংগঠনের কাছে আমার বিনীত আবেদন—আপনারা আমাকে একটু সাহায্য করুন। আমি সুস্থ হয়ে আমার ছোট্ট মেয়েটিকে নিয়ে স্বাভাবিক জীবন ফিরে পেতে চাই। সবার কাছে আমার জন্য দোয়া/আশীর্বাদ কামনা করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, টুম্পা দাশ একজন সংগ্রামী তরুণী। অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে প্রতি এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। একজন মায়ের সুস্থতা মানে শুধু একটি জীবনকে বাঁচানো নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি নিষ্পাপ ফুটফুটে সাত মাসের শিশুর ভবিষ্যৎ অন্ধকার । তাই টুম্পা দাশের চিকিৎসায় সমাজের সকলের মানবিক সহযোগিতা এখন হাত বাড়ানোর বিনয়ের সাথে সময়ের দাবি।

সহযোগিতার জন্য      নগদ: 01839797511   —-     বিকাশ: 01606195733 ——-   রোগীর সঙ্গে যোগাযোগ: 01885838659

টুম্পা দাশের মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে আনতে এবং সাত মাসের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে এগিয়ে আসুন, আমরা সবাই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই। আপনার সামান্য অনুদানও হতে পারে একজন অসহায় মায়ের নতুন জীবনের ফিরে আশার আলো স্বপ্ন দেখছে পুরো পরিবার।

বিলাইছড়িতে পালবার লিং সেন্টারের বার্ষিক কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় পালবার লিং সেন্টার বাংলাদেশের উদ্যোগে বার্ষিক দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে দিনব্যাপী এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভদন্ত দেবানন্দ মহাথের এবং সভাপতিত্ব করেন প্রজ্ঞাবারিধি অধ্যাপক ভদন্ত সুমেধানন্দ মহাথের।

এ সময় ভিক্ষুসংঘের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত বিপস্সী মহাথের, ভদন্ত ওয়ারাসামী মহাথের, ভদন্ত ইন্দাচারা মহাথের এবং পালবার লিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ দেবতিষ্য ভিক্ষুসহ বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘ।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী মৈত্রী দেওয়ান, বিলাইছড়ি সেনা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. সাকিব হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভি দাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুস সালাম ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক উষা কিরণ বড়ুয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো পুণ্যার্থী।

দিনব্যাপী আয়োজনে কঠিন চীবর দানের পাশাপাশি বুদ্ধপূজা, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, পিণ্ডদানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় দানানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রভাত কান্তি বড়ুয়ার লেখা বুদ্ধকীর্তন এবং তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন।

দীঘিনালার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনাকুঠিরে ৫ তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনা কুঠিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৫তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ১নভেম্বর দিনব্যাপি অনুষ্টানে সকালে বুদ্ধ মুর্তিদান, সংঘ দান, অষ্টপরিস্কার দান করা হয়।

এতে অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন নন্দবংশ মহাস্হবির ভান্তে, ছোট মেরং বিশ্ব শান্তি ভাবনা কুঠিরের অধ্যক্ষ সুগতবংশ মহাস্হবির ভান্তে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য শান্তি প্রিয় চাকমা, এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জ্ঞান জীত চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দেশ ও বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় দেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

পাশাপাশি সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ও অশান্তি দূর হয়ে বিশ্বজুড়ে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশনা প্রদানকালে নন্দ বংশ মহাস্হবির ভান্তে বলেন, বুদ্ধ ধর্ম হলো শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের ধর্ম। বুদ্ধের আদর্শ অনুসরণ করে প্রত্যেক মানুষের জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সবাইকে বুদ্ধের উপদেশ মেনে চলতে হবে। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি পঞ্চশীল পালনের আহ্বান জানান।

নন্দ বংশ ভান্তে আরও বলেন, পঞ্চশীল মানুষের নৈতিক ও আদর্শ জীবন গঠনের অন্যতম ভিত্তি। পঞ্চশীল পালন করলে মানুষ হিংসা, লোভ, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে পারে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেকের পঞ্চশীল পালন করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি সবাইকে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবতার আদর্শে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান।

অনুষ্টানে দ্বিতীয় পর্ব উপস্তিত ভিক্ষু সংঘ উদ্দেশ্য কল্পতরু ও কঠিন চীবর দানের মাধ্যমে দিন ব্যাপি কঠিন চীবর দান অনুষ্টান সমাপ্ত হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি দায়িত্ব পেলেন অংগ্য মারমা

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা ২১ বছরের টুম্পা দাশ, চিকিৎসা অর্থ অভাবে বাঁচার আকুতি

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে ৩৪ নং সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমার পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন যুব নেতা ও সাংবাদিক অংগ্য মারমা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের প্যাডে সংসদ সদস্য মাধবী মারমা স্বাক্ষরিত এক পত্রে অংগ্য মারমাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

মনোনীত অংগ্য মারমা খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার গঞ্জ পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বাংলাদেশ মারমা যুব ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং মানিকছড়ি উপজেলা শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা ও উন্নয়নমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।

তিনি জাতীয় দৈনিক মানবকণ্ঠ, সরেজমিন বার্তা, এই বাংলা পত্রিকার এবং স্থানীয় দৈনিক অরণ্য বার্তা ও আলোকিত পাহাড় পত্রিকার জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিএইচটি বার্তা, আজকের প্রতিদিন ও বার্তা বাজার-এ কাজ করার সুবাদে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ ও নানা সমস্যার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘কারিতাস বাংলাদেশ’ এবং সমবায় অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত দি মারমা ক্রেডিট ইউনিয়নে বিভিন্ন সামাজিক ও সমবায় সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অংগ্য মারমা সংসদ সদস্য মাধবী মারমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডকে আরও গতিশীল করতে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করবেন।

এলাকার শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

×