| ২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে ইউএনওর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে ইউএনওর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি :

বান্দরবানের রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিজা আক্তার বীথির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, শুভেচ্ছা বিনিময় ও মতবিনিময় করেছেন রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা।

গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রুমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা ইউএনওকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং রুমা প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

মতবিনিময়কালে ইউএনও লিজা আক্তার বীথি বলেন, একটি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে গণমাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি উপজেলা রুমার মানুষের জীবনযাত্রা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পর্যটন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের খবর সঠিকভাবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে স্থানীয় সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

তিনি সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও নিরপেক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। শুধু ভিউ বাড়ানোর জন্য সংবাদ করলে হবে না। এমন সংবাদ করতে হবে, যা মানুষের উপকারে আসে। সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং ন্যায় ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, একটি ভালো সংবাদ শুধু কোনো ঘটনা তুলে ধরে না; বরং সমাজের সমস্যা, মানুষের প্রত্যাশা এবং সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন । তাই সাংবাদিকদের সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও বজায় রাখতে হবে। মতবিনিময়কালে রুমা প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয় না থাকার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

নবনির্বাচিত কমিটির পক্ষ থেকে প্রেসক্লাবের জন্য একটি স্থায়ী কার্যালয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হলে ইউএনও লিজা আক্তার বীথি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার আশ্বাস দেন। তিনি প্রেসক্লাবের কার্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত জায়গা নির্ধারণসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান।

ইউএনও বলেন, একটি সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাব স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। সাংবাদিকরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, তাহলে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত প্রশাসনের নজরে আসবে এবং সমাধানের পথও সহজ হবে।

এ সময় সাংবাদিকদের মধ্যে দলাদলি, বিভাজন ও বৈষম্য পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নতুন কমিটির সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে রুমার সাংবাদিকতার পরিবেশকে আরও সুন্দর ও পেশাদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন ইউএনও।

সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও নৈতিকতার বিষয়েও কথা বলেন লিজা আক্তার বীথি। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে অনেকেই হাতে মোবাইল ফোন বা ক্যামেরা থাকলেই সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছেন। কিন্তু সাংবাদিকতা শুধু ছবি তোলা বা তথ্য সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে সত্যতা যাচাই, তথ্যের ভারসাম্য, নৈতিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি জড়িত।

তিনি নবীন ও স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়মিতভাবে সাংবাদিকতার নীতিমালা, তথ্য যাচাইয়ের পদ্ধতি এবং পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। পাশাপাশি প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও যোগাযোগ আরও জোরদার হলে রুমার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকালে রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মংহাইথুই মারমা, সাধারণ সম্পাদক অংবাচিং মারমা, কোষাধ্যক্ষ উবাসিং মারমা, সদস্য মথি ত্রিপুরা, চনুমং মারমা এবং স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা স্থানীয় সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন এবং রুমার মানুষের সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বিলাইছড়িতে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে ইউএনওর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাঙামাটির বিলাইছড়িতে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা কনফারেন্স রুমে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ২৯৯ নম্বর রাঙামাটি আসনের এমপির প্রতিনিধি ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক।

সভায় প্রধান অতিথি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা ও থানা এসআই তৌকির আহমেদ।

সভা সঞ্চালনা করেন শিক্ষক জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, উপজেলা পরিষদের সত্য কিশোর চাকমা, সুজিত চাকমাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

বাঙ্গালহালিয়া ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা মেম্বার পদে প্রার্থী থুইমাচিং মারমা ; নারী নেতৃত্ব ও স্থানীয় উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয়

রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে ইউএনওর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার ৩ নম্বর বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত সংরক্ষিত নারী আসনে মহিলা মেম্বার পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন থুইমাচিং মারমা। তিনি বর্তমানে স্থানীয় মহিলা দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাঙ্গালহালিয়া বাজারের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা থুইমাচিং মারমা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানান। বিশেষ করে এলাকার নারী ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা কাছ থেকে দেখে আসছেন উল্লেখ করে তিনি এবার সংরক্ষিত নারী আসনে জনপ্রতিনিধি হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

থুইমাচিং মারমা বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে আছি। মানুষের সুখ-দুঃখ ও বিভিন্ন সমস্যার কথা কাছ থেকে শুনেছি। বিশেষ করে নারীদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো আমাকে ভাবায়। মানুষের জন্য আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা করছি।” তিনি বলেন, “জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ পেলে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নারী-পুরুষ সবার কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনতে চাই। এলাকার রাস্তাঘাট, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সুবিধার যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরে সমাধানের জন্য কাজ করব।”

নারীদের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নারীদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা, তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করা এবং বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার বিষয়ে কাজ করতে চাই। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করারও চেষ্টা থাকবে।”

থুইমাচিং মারমা আরও বলেন, “আমি মনে করি জনপ্রতিনিধিত্ব কোনো ব্যক্তিগত পদ বা মর্যাদার বিষয় নয়; এটি মানুষের প্রতি দায়িত্ব। নির্বাচিত হলে এলাকার প্রতিটি মানুষের কথা শোনার চেষ্টা করব। দল-মত বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়, সবার জন্য সমানভাবে কাজ করতে চাই।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংরক্ষিত নারী আসনের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তিনি এলাকার নারীদের বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সামাজিক উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরবেন। এলাকাবাসীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো জানার পাশাপাশি নির্বাচিত হলে ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন থুইমাচিং মারমা।

বাঘাইছড়িতে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ

রুমা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে ইউএনওর সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

 

আনোয়ার হোসেন,

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ, ক্রেস্ট, পুরস্কার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯ টায় কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজের অডিটোরিয়ামে শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদের বাঘাইছড়ি শাখার উদ্যোগে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি সংসদ, বাঘাইছড়ি শাখার উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বিল্টু চাকমা। শহীদ হালিম লিয়াকত স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা বাঘাইছড়ি শাখার সমন্বয়ক মো. আব্দুল জলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাচালং সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কামাল হোসেন মীর। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, কাচালং দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা ওমর ফারুক, কাচালং গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দীন এবং কাচালং বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক হুসাইন আহমেদ সাজু। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, অভিভাবক ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও আত্মবিশ্বাস বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে বই পড়া ও নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের সৎ, মানবিক ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তারা আরও বলেন, সাফল্যই জীবনের শেষ কথা নয়; বরং এটি নতুন পথচলার সূচনা। ব্যর্থতাকে হতাশার কারণ না করে তা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। ধৈর্য, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে গেলে জীবনে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।

অনুষ্ঠানের শেষপর্যায়ে বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ, ক্রেস্ট, পুরস্কার ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এ সময় বক্তারা শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

×