বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

দীঘিনালায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বিদায় সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
দীঘিনালায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বিদায় সংবর্ধনা

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর আয়োজিত অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কে এম সাইদ মাহাম্মুদ নির্বাহী প্রকৌশলী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন, ২নং বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা, ৩নং কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান নলেজ চাকমাসহ স্হানীয় গন মাধ্যম কর্মীরা উপস্তিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে জাহাঙ্গীর আলম সরকারের কর্মদক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতার প্রশংসা করেন।

বক্তারা বলেন, কর্মজীবনে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীঘিনালায় নিরাপদ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশনসহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাঁর বদলিজনিত বিদায়ে সহকর্মীদের মাঝে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

 

বিদায়ী বক্তব্যে জাহাঙ্গীর আলম সরকার তাঁর কর্মকালীন সময়ে সহযোগিতার জন্য সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

কাপ্তাইয়ে বিএনপির হুংকার : গুপ্ত তৎপরতা ও নৈরাজ্য প্রতিহত করার ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১৭ পিএম
দীঘিনালায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বিদায় সংবর্ধনা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

দেশব্যাপী পরিকল্পিত সন্ত্রাস, নৈরাজ্য এবং আওয়ামী লীগের গুপ্ত তৎপরতার মাধ্যমে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে কাপ্তাই উপজেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা মিলনায়তনের সামনে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।সমাবেশ শেষে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে সৃষ্ট বিদ্যুৎ ও সার সংকট উত্তরণে বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরতে বিশেষ প্রচারপত্র (লিফলেট) বিলি করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. লোকমান আহমেদের সভাপতিত্বে

উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইব্রাহিম হাবিব মিলু সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. জাফর আহমেদ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াছিন মামুন।রাঙামাটি জেলা পরিষদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক উথোয়াইমং মারমা।বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল এবং অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

বক্তারা বলেন, দেশবিরোধী চক্র বিভিন্ন উপায়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করবে। জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তারা।

রুমার বেথেল পাড়ায় পানির সংকট নিরসনে ১ লাখ লিটারের ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:১০ পিএম
দীঘিনালায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বিদায় সংবর্ধনা

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি :

বান্দরবানের রুমা উপজেলার বেথেল পাড়ায় দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে ১ লাখ লিটার ধারণক্ষমতার একটি ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রুমা জোন। এতে পাড়ার ছয় শতাধিক মানুষের দীর্ঘদিনের পানির দুর্ভোগ অনেকটাই লাঘব হয়েছে।

বেথেল পাড়াবাসীর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই শুষ্ক মৌসুমে সুপেয় পানির সংকট ছিল অন্যতম বড় সমস্যা। বিশেষ করে নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এ সংকট তীব্র আকার ধারণ করত। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ মিটার দূরের পাহাড়ি ঝিরি থেকে পানি সংগ্রহ করে দুর্গম পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে বাড়িতে ফিরতে হতো। আবার শুষ্ক মৌসুমে ঝিরির পানি শুকিয়ে গেলে দেখা দিত তীব্র পানির সংকট।

পাড়াবাসীর এ দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পানির সংকটের স্থায়ী সমাধানে এগিয়ে আসে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এলাকা পরিদর্শনকালে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবান সেনা রিজিয়নের দিকনির্দেশনায় রুমা জোনের উদ্যোগে ১ লাখ লিটার ধারণক্ষমতার ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়।

সেনাসদস্য ও পাড়াবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও তত্ত্বাবধানে দ্রুততম সময়ে নির্মাণকাজ শেষ হয়। বর্তমানে নির্মিত রিজার্ভার থেকে পাড়াবাসী ছাড়াও পথচারীরা সহজেই পানি সংগ্রহ করতে পারছেন।

স্থানীয় কয়েকজন নারী জানান, আগে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ মিটার দূরের পাহাড়ি ঝিরি থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করে উঁচু পাহাড় বেয়ে বাড়িতে ফিরতে হতো। এতে তাদের অনেক কষ্ট হতো। শুষ্ক মৌসুমে ঝিরি শুকিয়ে গেলে পানির সংকট আরও বেড়ে যেত। ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণের ফলে তাদের সেই দুর্ভোগ অনেকটাই দূর হয়েছে।

বেথেল পাড়ার বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য লাল লুঙ থাং বম বলেন, আমাদের যেকোনো প্রয়োজনে আমরা সেনাবাহিনীকে পাশে পাই। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের কাছে আস্থার প্রতীক। ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণের ফলে পাড়াবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিনের পানি সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা সেনাবাহিনীর কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

রুমা উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম পাড়ায় পানির সংকট নিরসনেও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আর্থাপাড়ায় ওয়াটার পাম্প ও জেনারেটর প্রদান, হ্যাপিহিল পাড়ায় ২ হাজার লিটার, চায়ড়াগ্র পাড়ায় ৫ হাজার লিটার এবং সালেম পাড়ায় ১ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার পানির ট্যাংক প্রদান এবং বিভিন্ন পাড়ায় ওয়াটার পয়েন্ট নির্মাণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন রুমা জোনের জোন কমান্ডার। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জাতিগোষ্ঠীর মানুষই বাংলাদেশের নাগরিক। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি বিভেদ ও বিবাদের চক্রান্ত রুখে দিয়ে সম্প্রীতি সুনিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

পাড়াবাসীর ভাষ্য, নতুন ওয়াটার রিজার্ভার নির্মাণের ফলে দীর্ঘদিনের পানির কষ্ট অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে সুপেয় পানির জন্য দূরের পাহাড়ি ঝিরির ওপর নির্ভরশীলতা কমবে বলে আশা করছেন তারা।

কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন সম্পন্ন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ পিএম
দীঘিনালায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম সরকারের বিদায় সংবর্ধনা

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

​পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাপ্তাই এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও কাপ্তাই ১১ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন (১১ আর ই)-এর ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনসাধারণের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। ​

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী চলা এই মেডিকেল কার্যক্রমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর নারী, পুরুষ ও শিশুসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। ​১১ আর ই ব্যাটালিয়নের অভিজ্ঞ মেডিকেল অফিসার এবং একদল দক্ষ চিকিৎসকের নিবিড় তত্ত্বাবধানে এই ক্যাম্প পরিচালিত হয়। ক্যাম্পে আগত রোগীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা এবং ওষুধ প্রদান করা হয়।

এছাড়া বর্তমান সময়ের বিভিন্ন সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা, নারী ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টির চাহিদা এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে স্থানীয়দের বিশেষ সচেতনতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। ​সেনাবাহিনীর এই মানবিক উদ্যোগের ফলে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত পাহাড়ের সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা ও পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ পেলেন।

স্থানীয় সুবিধাভোগী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সেনাবাহিনীর এই জনকল্যাণমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এমন উদ্যোগ পাহাড়ে সম্প্রীতি ও আস্থার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য অঞ্চলের জনসাধারণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিক কল্যাণে রাঙামাটি রিজিয়নের সার্বিক দিকনির্দেশনায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসেবামূলক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ​

 

ছবির ক্যাপশন: কাপ্তাই ১১ আর ই ব্যাটালিয়নের আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্থানীয় জনসাধারণকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন চিকিৎসকরা।

×