| ২৭ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট : 

সাবেক রাষ্টপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এর সমকালীন পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় মন্ত্রীসভায় উপজাতী্য বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। এ লক্ষ্যে রাঙামাটিতে সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মাইনি হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সভাপতি জনাব ওয়াদুদ ভূইয়া এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি।

 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জনাব মোহাম্মদ নাজমুল হক। এ সময় রাঙামাটি সদর জোন কমান্ডার, রাঙামাটির পুলিশ সুপারসহ স্থানীয় সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মৈত্রী চাকমা।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতা বিকাশ, মননশীল চর্চা এবং প্রয়াত সুবিমল দেওয়ানের স্মৃতি ও আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়া অনুষ্ঠানে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘পাহাড়ের গর্ব’ ঋতুপর্ণা চাকমাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রয়াত সাংবাদিক মকছুদ আহমেদকে সাংবাদিকতা ও সমাজে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের এ আত্মপ্রকাশ ও আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্মৃতি সংরক্ষণ, সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, গুণীজনদের সম্মাননা এবং সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে নতুন উদ্যোগের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

মাতামুহুরী নদীর ঢেউয়ে ভাসে কল্পজাহাজ, সম্প্রীতির বন্ধনে আলীকদম

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

‎
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় কল্প জাহাজভাসা উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা (মাহাঃ ওয়াগ্যাই পোয়েঃ) উৎসব। এই উৎসবকে ঘিরে বান্দরবানের আলীকদমে সম্প্রীতির সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে আলীকদম কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ মন্দিরস্থ ক্যাং ঘাটে ২টি দৃষ্টিনন্দন কল্পজাহাজ নিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে। শোভাযাত্রায় রঙ-বেরঙের পোশাক পরিধান করে হাজার হাজার মার্মাসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেয়। এসময় কল্প জাহাজ নিয়ে ঢাক-ডোল ও বাজনা বাজিয়ে নেঁচে গেয়ে আনন্দ উন্মাদনায় মেতে উঠে সবাই।
‎
‎কল্প জাহাজ ভাসানো অনুষ্ঠানে মাতামূহুরী নদীর তীরে উৎসুক জনতা ভীড় করে। প্রায় ২ ঘন্টা পর কল্প জাহাজ নিয়ে নদীতে ভাসানোর মধ্যে দিয়ে ইতি ঘটে ক্যাং ঘাটে। এ সয়ম মাতামূহুরী নদীর ঘাটে হাজারো নর-নারীর উপস্থিত দেখা যায়। জাহাজ ভাসা উৎসবের আনন্দে সামিল হয়েছে ভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজনও। এ যেন এক অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
‎
‎পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ভাসানো হয় কাঙ্খিত কল্প জাহাজ। ঢেউয়ের তালে ভাসছে বাঁশ,বেত,কাঠ, রঙ্গিন কাগজ দিয়ে অপূর্ব কারুকাজে তৈরী নান্দনিক কল্প জাহাজ। যা নজর কাড়ে সবার।
‎
‎কল্প জাহাস ভাসানোর সময় সংবাদ কর্মী সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ বলেন,’আজ থেকে দুইশ বছর আগে মিয়ানমারে মুরহন ঘা নামক স্থানে একটি নদীতে মংরাজ ম্রাজংব্রান প্রথম এ উৎসবের আয়োজন করেন। প্রবারণা পূর্ণিমার একসাথে মিলিত হবার জন্য এ আয়োজন চলতো। সেখান থেকে  বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এ উৎসবের প্রচলন হয়। যা আজ অবদি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবার প্রবারণায় পৃথিবীর জন্য সুখ-শান্তি কামনা করে বিশেষ ভাবে প্রার্থনা করেছে।

‎আলীকদম আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক আপ্রুমং মার্মা জানান, ‘আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্নিমা পর্যন্ত তিনমাস বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বর্ষাব্রত পালন করেন। এ সময় বৌদ্ধ দায়ক-দায়িকারা প্রতি অমাবস্যা, পূর্ণিমা ও অষ্টমী তিথিতে অষ্টশীল পালন করেন। বৌদ্ধ ভিক্ষুরা তিনমাস ব্যাপী বর্ষাব্রত পালন কালে সদ্ধর্ম্ম বিষয়ক লেখাপড়া, গবেষনা ও জ্ঞান আহরন করেন। বর্ষাব্রত পালনের শেষ দিন আশ্বিনী পূর্ণিমাকেই বলা হয় প্রবারণা পূর্ণিমা – ওয়াগ্যাই পোয়েঃ
‎
‎প্রবারণা পূর্ণিমার পরদিন থেকে এক মাসব্যাপী কঠিন চীবর দানানুষ্ঠান পালন করা হবে বৌদ্ধ বিহারগুলোতে।

রামগড়ে নজরুল বর্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির রামগড়ে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে ৩ টায় পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শামীম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। এসময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) দ্বীন আল জান্নাত, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এবিএম মোজাম্মেল হক, রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজির আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিন এবং রামগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক নিজাম উদ্দিন লাভলু প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চেতনা দেশজুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে। অন্যথায় নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর অবদান বিস্মৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের নজরুলের কবিতা, ছড়া, গান, নাটক ও গল্প পাঠের অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের পদস্থ কর্মকর্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

রামগড়ে অসহাদের মাঝে ৪৩ বিজিবির মানবিক সহায়তা বিতরণ

সুবিমল দেওয়ান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড়ে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ঢেউটিন, আর্থিক অনুদান, শিক্ষা উপকরণ ও চিকিৎসা সহায়তা বিতরণ করেছে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রামগড় জোন সদরে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম, বিজিওএম, পিএসসি-উপস্থিত থেকে এ সহায়তা বিতরণ করেন, এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪৩ বিজিবি,র সহকারী পরিচালক)(এডি) শামছুল আলম সহ, বিজিবি,র পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, এ কার্যক্রমের আওতায় রামগড় উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত দরিদ্র ও অসহায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি পরিবারের মধ্যে বসতঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও উচ্চশিক্ষার জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও বৌদ্ধবিহারে আর্থিক অনুদান এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

রামগড় ৪৩ বিজিবি, র জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ আহসান উল ইসলাম বলেন সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে ৪৩ বিজিবি। এবং এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

×