মানিক সাহা, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে তিন সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার, সুস্থ হতে চান মানুষের সহযোগিতায়
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার চক গোবিন্দপুর গ্রামের রায়হান মিয়া একসময় নিজের উপার্জনে সংসার চালাতেন। পেশায় তিনি একজন দর্জি শ্রমিক। স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে ছিল তাঁর ছোট্ট সংসার। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে দিনরাত পরিশ্রম করতেন তিনি। কিন্তু একটি মর্মান্তিক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা তাঁর জীবনের চিত্র বদলে দিয়েছে। এখন অন্যের সহযোগিতায় কোনো রকমে দিন কাটছে তাঁর পরিবারের।
রায়হান মিয়া সাদুল্লাপুর উপজেলার চক গোবিন্দপুর গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে। জানা যায়, একদিন বাড়ি থেকে সাদুল্লাপুর যাওয়ার পথে একটি বেপরোয়া পাওয়ার টিলারের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তিনি। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হলেও পায়ের আঘাতের কারণে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরার সক্ষমতা ফিরে পাননি রায়হান। বর্তমানে ক্রাচে ভর করে তাঁকে চলাফেরা করতে হচ্ছে। দুর্ঘটনার পর চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া তাঁর শেষ সম্বল ১৫ শতক জমিও বিক্রি করে দিয়েছেন। আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের সহযোগিতায় চিকিৎসা চালালেও এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি তিনি।
অন্যদিকে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। পরিবারের খাবার জোগাড় করাও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রায়হান মিয়া আবারও সুস্থ হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান। ফিরে পেতে চান কর্মক্ষমতা, চালাতে চান নিজের সংসার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা।
এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি, প্রবাসী বাংলাদেশি ও মানবিক সংগঠনগুলোর কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন রায়হান। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে এবং অসহায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম :
বিকাশ ও নগদ : ০১৭২৫১৮৩৮২৭
আসুন, মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিই। রায়হান মিয়ার চিকিৎসায় সহযোগিতা করে তাঁকে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ করে দিই।