বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

​রাঙামাটিতে কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ‘সিঝি ধর্মীয় পুণ্যখলা’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ মে, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
3 বার পড়া হয়েছে
​রাঙামাটিতে কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ‘সিঝি ধর্মীয় পুণ্যখলা’ অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

​রাঙামাটি শহরের তবলছড়ি আনন্দ বিহার প্রাঙ্গণে আজ বুধবার (২৭ মে) অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী ‘সিঝি ধর্মীয় পুণ্যখলা-২০২৬’। হাম্ভে হোজা গ্রুপের রাঙামাত্যের কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর চিনেচিনি, কোচপাপি ও আলুলোদুলুলো অবাত্তেই পত্তমহেবর এগত্তরি-এর সম্মিলিত উদ্যোগে দিনব্যাপী এই পুণ্যময় উৎসবের আয়োজন করা হয়।

​উৎসবের প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন সুখেশ্বর চাকমা (পল্টু), শুভ্র জ্যোতি চাকমা ও নির্মল চন্দ্র চাকমা। অনুষ্ঠানের শুরুতে সমবেত পুণ্যার্থীদের পক্ষে পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন নবেল চাকমা (সোনা মনি)। এরপর কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও এই আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রতন জ্যোতি চাকমা।

​অনুষ্ঠানে পুণ্যার্থীদের ভাবনা, পঞ্চশীল প্রদান ও বুদ্ধমূর্তিসহ যাবতীয় দানীয় সামগ্রী উৎসর্গ করে দেন তবলছড়ি আনন্দ বিহারের আবাসিক উপাধ্যক্ষ শ্রীমৎ ধর্মেশ্বর স্থবির। এরপর উপস্থিত পুণ্যার্থীদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান ধর্মদেশনা প্রদান করেন পরম পূজনীয় শ্রীমৎ শুভদর্শী মহাস্থবির ও শ্রীমৎ পন্থক মহাস্থবির মহোদয়। তাঁদের অমৃতময় ধর্মদেশনা শ্রবণ এবং বিশ্বশান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উৎসবের প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘটে।

উৎসবের দ্বিতীয় পর্বের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিজয় কেতন চাকমার সভাপতিত্বে এই পর্বে কাম্ভে গোজা বংশের বিভিন্ন শাখার (গুত্তি) প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। এর মধ্যে নাদেঙ্গ্যে গোষ্ঠী থেকে শ্রী অনুপ্রভা চাকমা, অংগ্য গোষ্ঠী থেকে শ্রী কল্যাণ মিত্র চাকমা এবং দ্যায়া গোষ্ঠী থেকে শ্রী জওহুর লাল চাকমা নিজ নিজ গোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও পারস্পরিক মেলবন্ধনের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য প্রদান করেন।

​পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন অমিত কান্তি চাকমা, বিক্রম চাকমা, রিপ রিপ চাকমা, দুকুল মনি চাকমা ও অজান্তা চাকমা প্রমুখ। বক্তারা বংশের ঐক্য রক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে নিজস্ব সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

​ঐতিহ্যবাহী এই আয়োজনকে কেন্দ্র করে সকালের নাস্তা ও দুপুরে ঐতিহ্যবাহী খাবারের সুব্যবস্থা করা হয়েছিল। দূর-দূরান্ত থেকে আসা কাম্ভে গোজা বংশের শত শত পুণ্যার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও মিলনোৎসবের মধ্য দিয়ে বিকেলে দিনব্যাপী এই উৎসবের সফল সমাপ্তি ঘটে।

বিলাইছড়িতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাউল বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬, ১:৫৮ পিএম
​রাঙামাটিতে কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ‘সিঝি ধর্মীয় পুণ্যখলা’ অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

আসন্ন পবিত্র ঈদ উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষে, ৩নং ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়।  ২২ মে শুক্রবার  ৪, ৫, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডে জন সাধারনের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। একাই  ২৩ মে শনিবার ১, ২, ৩, ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে বিতরন করা হয়েছে।

ইউনিয়নে ৯টি ওর্য়াডে সর্বমোট ১৯৮৬ জনের মাঝে ১০ কেজি হারে বিতরণ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা নিজেই উপস্থিত থেকে এইসব চাউল বিতরণ করেন। বিতরণ কালে তদারকি কর্মকতা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিলাইছড়ি উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জনাব নিত্যলাল তঞ্চঙ্গ্যা। এছড়াও ইউপি প্রশাসনিক কর্মকতা সিদ্ধার্থ তঞ্চঙ্গ্যা, মহিলা মেম্বার এবং ওর্য়াড মেম্বার গন উপস্থিত ছিল।

গাছ পড়ে পিলার ভাঙল ; ২৩ ঘণ্টা পর কাপ্তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক, জনমনে তীব্র ক্ষোভ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬, ১:১৯ পিএম
​রাঙামাটিতে কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ‘সিঝি ধর্মীয় পুণ্যখলা’ অনুষ্ঠিত

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

ঝড়ো হাওয়ায় গাছ উপড়ে বৈদ্যুতিক পিলারের ওপর পড়ায় দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল কাপ্তাই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। গতকাল ২৭ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম প্রধান সড়ক সংলগ্ন ব্যাঙছড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। দীর্ঘ প্রচেষ্টা শেষে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়। তবে ঈদের মতো বড় উৎসবের পূর্বে এই দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে একটি বড় গাছ উপড়ে সড়কের পাশের বৈদ্যুতিক পিলারের ওপর ভেঙে পড়ে। এতে পিলারটি ভেঙে গিয়ে মুহূর্তের মধ্যে কাপ্তাই, বড়ইছড়ি, শিলছড়ি, নোয়াপাড়া, মিতিঙাছড়ি, কাপ্তাই উপজেলা সদর, ব্যাঙছড়ি ও রেশম বাগানসহ অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ​নতুন পিলার স্থাপন এবং তারের সংযোগ পুনর্স্থাপন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের দীর্ঘ ২৩ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ফলে গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু করে আজ ঈদের দিন সকাল ১০টা ১২ মিনিট পর্যন্ত পুরো এলাকা অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। ​ঈদের আগের দিন ও ঈদের সকালে এমন দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কাপ্তাইয়ের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”গত বছরের তুলনায় এবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের হার অস্বাভাবিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। ঈদের নামাজ, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের কথা চিন্তা করে হলেও বিদ্যুৎ বিভাগের বিশেষ প্রস্তুতি রাখা উচিত ছিল। অথচ ঈদের আগের দিন থেকে ঈদের দিন সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের কোরবানির প্রস্তুতিসহ প্রতিটি ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে। নেটিজেনদের অনেকেই অভিযোগ করে লিখেছেন, সামান্য ঝড়ো হাওয়ায় একটি গাছ পড়ে পিলার ভাঙার পর তা মেরামত করতে ২৩ ঘণ্টা লাগা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। চন্দ্রঘোনা আবাসিক প্রকৌশল দপ্তরে দক্ষ শ্রমিক ও কর্মচারীর অভাবের কারণেই এই সামান্য সমস্যা সমাধানে এত দীর্ঘ সময় লেগেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার কারণেই এই দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই সংকটের দ্রুত স্থায়ী সমাধান না হলে আগামীতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে বলেও ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা আভাস দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রকৌশলী তৌফিক আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ​”কাপ্তাইয়ে টানা ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকার পর পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়েছি। আকস্মিক এই দুর্ঘটনার পর থেকে আমাদের কর্মীরা লাইন সচল করতে নিরলস কাজ করেছেন।” দুর্ঘটনার কারণে সৃষ্ট এই সাময়িক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে যেন এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদ্যুৎ বিভাগ আরও বেশি তৎপর ও দক্ষ ভূমিকা পালন করে।

কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরে গাছ পড়ে ফারুয়ার রুবেল অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬, ১২:১১ পিএম
​রাঙামাটিতে কাম্ভে গোজা গোষ্ঠীর ‘সিঝি ধর্মীয় পুণ্যখলা’ অনুষ্ঠিত

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

কালবৈশাখী তান্ডবে ঘরের ছালে (ছাদে) সেগুন গাছ উপড়ে পড়ে ফারুয়ার এগুজ্যাছড়ি গ্রামের যুবক রুবেল তঞ্চঙ্গ্যা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চন্দ্রঘোনা মিশন হাসপাতালে। সে তাংখুলা তঞ্চঙ্গ্যা ও তাপসী তঞ্চঙ্গ্যা’র আদরের ছোট ছেলে এবং রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া এগুজ্যাছড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে জ্ঞান ফিরে এলে তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন রুবেল তঞ্চঙ্গ্যা। তার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে সে জানায়, এখন কিছুটা সুস্থ আরো কয়েকদিন থাকতে হবে হাসপাতালে। স্থানীয় ও পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল বুধবার (২৭ মে) প্রচন্ড কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে এ দুর্ঘটা ঘটে। তাদের বাড়ির পাশে কয়েকটি বড় বড় সেগুন গাছ রয়েছে। বাতাসে তীব্র হওয়ায় সেখান থেকে একটি গাছ উপড়ে তাদের ঘরে টিনের ছালে (ছাদ) উপর পড়ে। গাছটি বাতাসে ঝড়ো হাওয়ায় মাচাং ঘরের চাল ভেঙ্গে খাটের উপর পরে। এসময় খাটে ছিলেন রুবেল। গাছটি পরার সাথে সাথে সরতে পারলেও, ডালগুলো শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে। এতে প্রচন্ড ব্যাথা পেয়ে পরে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে মিশন হাসপাতালে নিয়ে যায়।

রুবেলের মা তাপসী জানান, ঐ গাছগুলোর বন বিভাগ না সরালে আরো এধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। মরার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা পাশাপাশি পাঁচ পরিবারের রয়েছি। তাপসী আরো জানান, তার বাবা মারা যাওয়ার পর সেখানে বসবাস করার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সেগুন গাছগুলোর অনেক বড়, ঘূর্ণিঝড়, কালবৈশাখী হলে যেকোনো মূহুর্তে ঘরে উপরে উপড়ে পড়তে পারে। এজন্য গাছগুলো কেটে নেওয়ার জন্য বনবিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকতার সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এলাকাটি দুর্গম হওয়ায় ফোনে পাওয়া যায়নি ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা কে এবং আলীখ্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা রোকুনুজ্জামানকে ফোন করলেও ফোন রিসিভ করেননি। হয়তো ছুটিতে রয়েছেন। তাই গাছগুলোর বড় ও বয়স বেশি হওয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত, কাল বৈশাখী ও ঘুর্ণিঝড় হলে যেকোনো মূহুর্তে বিপদ হতে পারে। ভয়ে আতঙ্কে কাটছে তাদের। তাই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বনবিভাগের কর্তৃপক্ষের কাছে সুদৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টরা।

×