রবিবার, ৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি: কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ জুন, ২০২৬, ৮:১১ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি: কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

 

রিপন মারমা কাপ্তাই :

খাগড়াছড়ির সিনিয়র সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং সারাদেশে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের দাবিতে রাঙ্গামাটিতে এক বিক্ষোভ মানববন্ধনের ডাক দেওয়া হয়েছে। ​আগামীকাল (৮ জুন) সোমবার সকাল ১১:০০ টায় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ইউনিয়ন (আরজেইউ) ও রাঙ্গামাটি টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।​ কর্মসূচি সফল করতে রাঙ্গামাটিতে কর্মরত সকল প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মাধ্যমের সাংবাদিকদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে, আজ টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, আজকের জরুরি সভায় উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিকে বেগবান করার জন্য সকল সদস্যের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই সাথে আগামীকালকের মানববন্ধনে বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মীর উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সকলের সুস্বাস্থ্য ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্যমন্ত্রী পুনর্বহালের দাবীতে রাঙ্গামাটিতে কর্মসূচীর ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ জুন, ২০২৬, ৫:৩৯ পিএম
সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি: কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

 

স্টাফ রিপোর্টার :

অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে পুনর্বহালের দাবীতে রাঙ্গামাটি’তে আগামী সোমবার (৮ জুন) ’২৬ খ্রিঃ বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচী ঘোষণা দিয়েছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নাগরিক সমাজ।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের ন্যায্য প্রত্যাশা, গণতান্ত্রিক অধিকার এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও ২৯৯নং রাঙ্গামাটি পার্বত্য আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ প্রত্যাহারপূর্বক তাঁকে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে পুনর্বহালের দাবীতে এই স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীর ঘোষণা।

কর্মসূচীর মূল দাবী হলো- অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা।

ঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী, আগামীকাল সোমবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের সময় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের সম্মুখ সড়কে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে। পরে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক এই কর্মসূচীতে যোগ দেওয়ার জন্য আয়োজকরা রাঙ্গামাটি জেলার নাগরিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজস্থলীতে ইউএনও পদ শূন্য : প্রশাসনিক দাপ্তরিক কাজে স্থানীয়দের সেবা জনভোগান্তি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ জুন, ২০২৬, ৫:১৬ পিএম
সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি: কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ রিপোর্টার:

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শূন্য এক মাসের অধিক। ইউএনওর পদ শূন্য থাকায় প্রশাসনিক দাপ্তরিক কার্যক্রম অনেকটা স্থবিরতা ও ধীরগতি হয়ে পড়েছে। ভূমি বিষয়ক শুনানি, জন্ম নিবন্ধন রেজিষ্ট্রেশন সংশোধন, সভার আয়োজন, উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকি এবং অন্যান্য নিয়মিত কার্যক্রম সম্পাদনে সমস্যা হচ্ছে এবং এতে স্থানীয় সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তির শেষ নেই বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

রাজস্থলী ইউএনও পদটি বিগত একমাসের অধিক শূন্য থাকায় জনভোগান্তির শিকার বিষয়টি রাঙামাটির ডিসি, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেছেন বলে সিএইচিটি বার্তা প্রতিবেদকে জানিয়েছেন। সাধারণত, ইউএনও’র তত্ত্বাবধানে উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বরত সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ইউএনও ভূমি বিষয়ক শুনানি গ্রহণ, বিভিন্ন সভা আয়োজন, উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকি, ত্রাণ বিতরণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা বিধি মোতাবেক পরিচালনা ও তদারক করে থাকেন। ইউএনও শূন্য থাকার কারণে এসব কার্যক্রম সম্পাদনে সমস্যা হচ্ছে বলে সরেজমিনে কথা বলে জানা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভূমি বিষয়ক শুনানি এবং উন্নয়ন প্রকল্পের কাজগুলো সময় মতো না হওয়ায় সাধারণ মানুষ নানান ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে সরকারি বিভিন্ন সেবার জন্য মানুষ ইউএনও অফিসে গিয়ে সেবা পাচ্ছে না। তাছাড়া ইউএনও না থাকার কারণে উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেও বেগ পেতে হচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনকে। বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মিটিং এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণেও সমস্যা দেখা যাচ্ছে। উপজেলার সচেতন মহল মনে করছেন, রাজস্থলী উপজেলায় দ্রুত ইউএনও পদায়ন করা জরুরি। যাতে প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে, জনগণের ভোগান্তি দূর করা সম্ভব হয়।

উল্লেখ্য, রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার ময়মনসিংহ জেলা সদরে বদলী হওয়ার পর রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার রায়হানুল ইসলাম অতিরিক্ত দায়িত্ব নেন। তিনি সপ্তাহে বা দুই সপ্তাহে একবার এসে অফিস করেন। যার ফলে মুলসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ জনগণ।

এ বিষয়ে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী গণমাধ্যম কে  জানান, তিনি রাজস্থলীতে ইউএনও পদ শূন্য থাকার বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবগত করেছেন। খুব শিগগিরই ইউএনও পদ পূরণে কর্তৃপক্ষ নিকট জানানো হল এর পর  ব্যবস্থা নেবে বলে নিশ্চিত করেন।

নানা আয়োজনে দীঘিনালায় ৭ বিজিবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭ জুন, ২০২৬, ৪:১১ পিএম
সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি: কাল রাঙ্গামাটিতে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বাবুছড়া ব্যাটালিয়ন (৭ বিজিবি)-এর ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক এ দিনটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি বিজিবি সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল ইফতেখারুল আলম বেগ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “বিজিবি দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ও গৌরবময় বাহিনী। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বাহিনীটির অবদান অনস্বীকার্য। সদস্যদের নিষ্ঠা, সততা ও দেশপ্রেম বাহিনীটির সাফল্যের প্রধান ভিত্তি।”

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিজিবি সেক্টরের অধীনস্ত বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়কবৃন্দ, খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মুরতোজা আলী খান, দীঘিনালা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আল আমিন, দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তানজিল পারভেজ, দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ৭ বিজিবি’র ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইশতিয়াক আহমেদ ইবনে রিয়াজ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশ, জাতি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধান অতিথি, সভাপতি ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইসতিয়াক আহমেদ ইবনে রিয়াজ বলেন, “দীর্ঘ ৬৮ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলায় বিজিবি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবে।”
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথিরা ৭ বিজিবি’র দীর্ঘ পথচলার সাফল্য স্মরণ করেন এবং বাহিনীটির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।

×