| ২৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

রুমা উপজেলায় ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ

রুমা উপজেলায় ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্প এবং ইউনিসেফের (UNICEF) সহায়তায় পরিচালিত পাড়াকেন্দ্রগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে। পাড়াকর্মীদের বেতন-ভাতা কমে যাওয়া, কেন্দ্রগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা এবং অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পাড়াকর্মীরা।

পাড়াকর্মীরা জানান, ২০২৪ সালে প্রকল্প কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর দীর্ঘদিন নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে গেছেন। তবে বর্তমানে অনেক পাড়াকেন্দ্র অগোছালো ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিশুদের পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনায় বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে কেন্দ্রগুলোতে পাঠদান সম্ভব না হওয়ায় নিজ নিজ বাড়িতে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে হচ্ছে। একজন পাড়াকর্মী বলেন, পাড়াকেন্দ্রগুলো মেরামত কিংবা পুনর্নির্মাণ করা হলে শিশুদের জন্য সুষ্ঠুভাবে পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

পাড়াকর্মীদের অভিযোগ, আগে মাসিক ৯ হাজার ৫০০ টাকা ভাতা পেলেও বর্তমানে তা কমে ৫ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। ফলে পরিবার পরিচালনা করতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে স্বল্প বেতনে দায়িত্ব পালন করেও অনেকেই আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতন-ভাতার সংকট ও বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেশ কয়েকটি পাড়াকেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে দুর্গম এলাকার শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও পাড়াকর্মীরা দ্রুত পাড়াকেন্দ্রগুলো পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করে কার্যক্রম সচল রাখার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প ম্যানেজার (UPM) থুইসাচিং মারমা বলেন, বেতন কমে যাওয়ার কারণে অনেক পাড়াকর্মী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আগে ১০৯ জন পাড়াকর্মী কর্মরত ছিলেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ৬ জন স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রকল্প অফিসের বিভিন্ন অবকাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে। বৃষ্টির সময় অফিসে পানি জমে যায়। এছাড়া একটি ফটোকপি মেশিন ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প ম্যানেজার জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার দুর্গম এলাকায় পরিচালিত পাড়াকেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে শিশুদের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেবা প্রদান করা হয়। প্রকল্পের আওতায় ৬ থেকে ২৪ মাস বয়সী ৫৩৫ জন শিশুকে নিয়মিত পুষ্টি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি উন্নয়নে পাড়াকর্মী ও মাঠ সংগঠকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

স্থানীয়দের দাবি, পাড়াকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, পাড়াকর্মীদের বেতন-ভাতা পুনর্বিবেচনা এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দ্রুত শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা হোক, যাতে দুর্গম এলাকার শিশুদের শিক্ষার সুযোগ ব্যাহত না হয়।

মানিকছড়িতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন —— সভাপতি পারদর্শী বড়ুয়া

রুমা উপজেলায় ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

বৃক্ষরোপণ সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য নিয়ে খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি উপজেলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয়তাবাদী কৃষকদলে জেলা কমিটি সভাপতি পারদর্শী বড়ুয়া।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে মানিকছড়ি উপজেলা শাখা কৃষকদলে আয়োজনে বিএনপি দলীয় অফিসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা মানিকছড়ি সদর ইউনিয়নে কৃষকদলে সাধারণ সম্পাদক অংগ্য মারমা সঞ্চালনায় উপজেলা কৃষকদলে সভাপতি মোঃ আল ফারুক সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জাতীয়তাবাদী কৃষকদলে জেলা কমিটি যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মান্নান জাহাঙ্গীর, উপজেলা বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটি সদস্য নুরুজ্জামান মাষ্টার, কৃষকদলে জেলা কমিটি যুগ্ম সম্পাদক সফিকুর ইসলাম বেপারী, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই, মানিকছড়ি সদর ইউনিয়নে কৃষকদলে সভাপতি মোঃ আব্দুল রাজ্জাক, তিনট্যহরী ইউনিয়নে কৃষকদলে সভাপতি মোঃ হানিফ, বাটনাতলী ইউনিয়ন কৃষকদলে সভাপতি মোঃ খোকন মিয়া প্রমূখ।

এ সময় প্রধান অতিথি পারদর্শী বড়ুয়া বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এর অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি উপজেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ি এলাকাগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। তিনি বলেন, গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আলোচনা সভা শেষে উপজেলা জামতলা জামে মসজিদ মাঠ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন জাতের ফলজ গাছের চারা রোপণ করা হয়।

অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ

রুমা উপজেলায় ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক, ঢাকা অফিস:

দেশের রাজনীতির সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ব্যক্তিগত ও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগপত্র ইতোমধ্যে সংসদ সচিবালয়ে পৌঁছেছে। এ ব্যাপারে স্পিকার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন। সেখানে তিনি বিস্তারিত জানাবেন।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র নিয়ে জাতীয় সংসদে যান বঙ্গভবনে কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র পৌঁছে দেন।

পদত্যাগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতি নিজেও স্বীকার করেছেন। একটি শীর্ষ গণমাধ্যমে একজন সাংবাদিক হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করলে মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের ব্যাপারে বলেন, ‘এটা তো সর্বজনবিদিত, আমার মুখ থেকে শুনে কী লাভ? আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান।’  পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করা হয়ে গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বলে দিছি, বুঝে নেন।’

পদত্যাগপত্রের চিঠিতে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, তিনি ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে তৎকালীন সরকারের পতনের পর সাংবিধানিক সংকট এড়াতে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পরামর্শক্রমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন এবং পরবর্তীতে সাধারণ নির্বাচন আয়োজনে ভূমিকা রাখেন।

বর্তমানে তিনি হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা এবং ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’ (Autonomic Neuropathy) নামক স্নায়ুরোগে আক্রান্ত বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এই শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক অসমর্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি স্বেচ্ছায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অব্যাহতি নেন।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে ওই পদে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আপাতত স্পিকার হাফিজ উদ্দিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন বলে জানা গেছে।

২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। মেয়াদের আরও প্রায় এক বছর নয় মাস বাকি থাকতেই তিনি পদত্যাগ করলেন।

 

সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণের দাবি জানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তখন বঙ্গভবন ঘেরাও কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে বিএনপি বরাবরই রাষ্ট্রপতিকে সরানোর পক্ষে ছিল না। ফলে শেষ পর্যন্ত টিকে যান মো. সাহাবুদ্দিন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার ঘটন করলে নতুন সরকারকে শপথ পড়ান সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। নতুন সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রপতিকে কখন পরিবর্তন করা হবে সেই নিয়ে অনেক নীতিনির্ধারক ও রাজনীতি দলের বিশ্লেষকদের মধ্যে অনেক কথা চলে। অবশেষে সরকারের পাঁচ মাসের মাথায় তিনি বঙ্গভবন ছাড়ার নিশ্চিত করলেন।

বন্যাদুর্গতদের পাশে সাংসদ সাচিংপ্রূ জেরি।

রুমা উপজেলায় ইউনিসেফ-সহায়তাপুষ্ট পাড়াকেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ও উদ্বেগ

বান্দরবান সংবাদদাতা:

বান্দরবানে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন ৩০০ নং আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু (জেরি)।

আজ (২৪ জুলাই) সংসদ সদস্য সাচিংপ্রূ জেরি বান্দরবান পৌর এলাকার ক্যাচিংঘাটা ৬নং ওয়ার্ডে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

সকালে তিনি প্লাবিত এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন। এসময় চাল, ডাল, তেল, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন ১৫০ পরিবারের হাতে।

ত্রাণ বিতরণকালে তিনি বলেন,”প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। সরকারি সহায়তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও যতদিন প্রয়োজন ত্রাণ কার্যক্রম চলবে। বন্যার পানি নেমে যাওয়া পর্যন্ত আশ্রয়কেন্দ্রে খাবার ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে।”

প্রশাসনের তথ্যমতে, কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ক্যাচিংঘাটা ৬ নং ওয়ার্ডের অনেক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় আরও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রাণ পেয়ে উপকারভোগীরা সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দুর্যোগের এই সময়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

×