মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের মানবিক উদ্যোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
5 বার পড়া হয়েছে
শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের মানবিক উদ্যোগ

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা প্রতিনিধি:

পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চলমান মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার পাড়াবাসী এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন শিক্ষা ও মানবিক সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেছে রুমা জোন (৩৬ বীর)।

গত (৬ জুন) শনিবার “সবার জন্য সেনাবাহিনী” এই মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি নির্দেশক্রমে রুমা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার, এসবিপি, পিএসসি-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রাইংখিয়ং পুকুর আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন বিভিন্ন পাড়ায় এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এ সময় স্থানীয় গীর্জা, বিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, শিক্ষা উপকরণ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

পুকুর পাড়ায় গীর্জার জন্য ২ সেট সোলার সিস্টেম, শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০টি ছাতা এবং বিদ্যালয়ের জন্য একটি ব্ল্যাকবোর্ড প্রদান করা হয়। প্রংজং পাড়ায় একটি সোলার সিস্টেম, ৩০টি ছাতা, একটি ব্ল্যাকবোর্ড ও একটি সাউন্ড সিস্টেম বিতরণ করা হয়। এছাড়া চার্জিং পাড়ায় ২ সেট সোলার সিস্টেম, ২৮টি ছাতা, একটি ব্ল্যাকবোর্ড, ৭টি নিরাপত্তা লাইট, একটি জেনারেটর এবং একটি সাউন্ড সিস্টেম প্রদান করা হয়। সেপ্রু পাড়ায় একটি সোলার সিস্টেম ও একটি সাউন্ড সিস্টেম এবং সূরাহা পাড়ার স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০টি ছাতা ও একটি ব্ল্যাকবোর্ড বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে এসব সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপকরণ এবং বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় তারা উপকৃত হবে।

রুমা জোন কর্তৃপক্ষ জানায়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও মানবিক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

গোবিন্দগঞ্জে দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত ; নগদ টাকা স্বর্ণালংকার ও বিভিন্ন মালামাল লুট

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের মানবিক উদ্যোগ

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কোমরপুর এলাকায় দুর্ধষ ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) গভীর রাতে উপজেলার কোমরপুর এলাকার পারভীন বেগমের প্রাচীর টপকে বাড়ীতে প্রবেশ করে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে বাড়ীর লোকজনের হাত-পা, চোখ মুখ বেঁধে ফেলে। এসময় তারা ঘরের বিভিন্ন শোকেস থেকে মোটরসাইকেল, ল্যাপটপ স্বর্ণলংকার, নগদ টাকা লুট নিয়ে যায়।

বাড়ীর মালিক পারভিন বেগম জানান, গভীর রাতে বাড়ী সবাই ঘুমিয়ে ছিল এই সুযোগে ডাকাতদল বাড়ীতে ঢুকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে। এরপর হাত-পা চোখ-মুখ বেঁধে প্রায় ৫ লাখ টাকার বিভিন্ন মালামাল, স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। আমার ছেলে শোয়েব রহমান বাদি হয়ে থানায় এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করেছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলীকদমে কারিতাসের উদ্যোগে চারা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের মানবিক উদ্যোগ


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎”প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায় জলবায়ুর জন্য আমাদের ভবিষ্যতের জন্য” এই প্রতিপাদ্যে বান্দরবানের আলীকদমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস পিএইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

‎সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার সময় আলীকদম উপজেলার পরিষদের হলরুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কারিতাস পিএইপি-৩ প্রকল্পের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। ‎পরে উপজেলা পরিষদ হলরুমে কারিতাস পিএইপি-৩ প্রকল্পের মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মনজুর আলম। ‎অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলীকদম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা, মাতামুহুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল মালেকসহ প্রকল্পের উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎কারিতাস পিএইপি-৩ মাঠ কর্মকর্তা জেসমিন চাকমার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায় জলবায়ুর জন্য আমাদের ভবিষ্যতের জন্য এই প্রতিপাদ্যে এই প্রতিপাদ্যের আলোকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহেল রানা।

‎আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পাহাড়ে নির্বিচারে গাছপালা কাটা হচ্ছে এবং পাহাড়ে আগুন দেওয়ার কারণেই বন্যপ্রাণী অভয়ারন্য ধ্বংস হচ্ছে। পাহাড়ে গাছপালা-বনাঞ্চল না থাকার ফলে প্রতি নিয়ত বিলুপ্ত হচ্ছে বন্যপ্রাণী ও পাহাড়ের পানির উৎস গুলো শুকিয়ে যাওয়ার ফলে এখন দুর্গম কুরুকপাতা রির্জাভ এলাকায় পানির জন্য হাহাকার করছে লোকজন। তাই জুম চাষের বিকল্প হিসেবে ফলজ বাগান করলে পরিবেশ ও প্রকৃতি রক্ষা পাবে। চাষাবাদে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে উপকারী পোকামাকড় রক্ষা করতে হবে। পলিটিনের ব্যবহারের হার কমিয়ে আনার জন্য বলেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতায় পারে সবুজ পৃথিবী গড়তে। ‎

‎বক্তারা আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য সকলে মিলে গাছ লাগিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। জনসচেতনার মাধ্যমে গাছ রোপন করে ভবিষ্যতে সুন্দভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিরাপদ আবাসস্থল পরিবেশ সৃষ্টিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। এরপরে উপস্থিত লোকজন কে বিভিন্ন ফলজ বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

রামগড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাউল বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৬ পিএম
শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে রুমা জোনের মানবিক উদ্যোগ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে চাউল বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির আওতায় এ সহায়তা প্রদান করা হয়।

সোমবার (৮ জুন) সকাল ১০টায় রামগড় পৌরসভা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে এ ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে ২৯৮ নং আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়ার সার্বিক সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ২০০টি পরিবারের প্রত্যেককে ২৮ কেজি করে চাউল দেওয়া হয়।

বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কাজী শামীম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি বাহার উদ্দিনসহ রামগড় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত উপকারভোগী পরিবার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে সরকার ও জনপ্রতিনিধিরা সবসময় রয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তারা আশ্বাস দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের আবেদন সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে সহায়তা বিতরণ করা হচ্ছে।

এদিকে চাউল পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দুর্যোগের কারণে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ সহায়তা তাদের পরিবারের জন্য কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে।

×