রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম
6 বার পড়া হয়েছে
রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে চিংম্রাসিং মারমা (১৫) নামক এক কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উদ্ধেগ ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। সে বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হন চিংম্রাসিং মারমা। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি আর বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় তার পরিবার অনেক খুজা খুজির পরও মেয়েটির কোনো সন্ধান পায়নি পরিবারটি। নিখোঁজ কিশোরী বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের বিহারপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি সদস্য উখ্যাই চৌধুরীর কন্যা। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি চালিয়েও তার কোনো হদিস মিলেনি এখনো। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর অভিভাবক গতকাল চন্দ্রঘোনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর বিষয়ে চন্দ্রঘোনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাকের আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীর পরিবার একটি সাধারন ডায়েরী করেন। “নিখোঁজের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। কিশোরীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও অনুসন্ধান অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি দ্রুত তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে বলে জানান।

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি মোকাবেলায় মাইকিং ও সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬, ৩:৫৮ পিএম
রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ

 

ছন্দ সেন চাকমা, রাঙ্গামাটি

রাঙ্গামাটিতে টানা অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশেষ মাইকিং কার্যক্রম চালানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় রোববার (১৪ জুন) দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ভেদভেদী পশ্চিম মুসলিম পাড়া, শিমুলতলী ও রুপনগর এলাকায় এ সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত মানুষের জানমালের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ দল মাঠে কাজ করে। মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস না করার জন্য সতর্ক করা হয়। বিশেষ করে ভারী বর্ষণের সময় দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলায় তারা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

​সারাদেশে কুষ্ঠরোগ নির্মূলের ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬, ৩:৪৩ পিএম
রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ

 

সিএইচটি বার্তা ​ডেক্স রিপোর্ট :

পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সমগ্র বাংলাদেশ থেকে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যেই কুষ্ঠরোগ নির্মূলের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন লেপ্রসি মিশনের কর্মকর্তারা। আজ রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে রাঙামাটি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জেলা পর্যায়ের এক অ্যাডভোকেসি সভায় এই প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

​সভায় পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সংস্থার কার্যক্রম তুলে ধরেন লেপ্রসি মিশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক পরশ চাকমা। তিনি জানান, ২০০১ সাল থেকে গত দুই যুগে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রায় ৫ হাজার কুষ্ঠরোগীকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করেছে লেপ্রসি মিশন। বর্তমানে সংস্থাটি পার্বত্য অঞ্চলের ২৬টি উপজেলায় কুষ্ঠ নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। চিকিৎসার পাশাপাশি কুষ্ঠরোগী ও প্রতিবন্ধীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও কাজ করবে সংস্থাটি।

​কর্মকর্তারা কুষ্ঠ নির্মূলে সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, ধর্মীয় নেতা, হেডম্যান-কার্বারী, সুশীল সমাজ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সভায় উপস্থিত অংশীজনদের কুষ্ঠরোগের লক্ষণ, সনাক্তকরণ ও চিকিৎসা বিষয়েও বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়।

​অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রোগ্রাম অফিসার শরীফুল ইসলাম, রাঙামাটি সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদসহ স্থানীয় বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পুরোহিত, ইমাম, এনজিও প্রতিনিধি এবং হেডম্যান-কার্বারীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সভা শেষে কুষ্ঠ নির্মূল কার্যক্রমকে গতিশীল করতে একটি জেলা অ্যাডভোকেসি প্লাটফর্ম গঠন করা হয়। এতে লক্ষীন্দ্র চাকমাকে সভাপতি, মো. বাচ্চু মিয়াকে সহ-সভাপতি, শিলা আক্তারকে সম্পাদক এবং জ্ঞানপম চাকমাকে অর্থ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

রাজস্থলীতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে দিনব্যাপী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জুন, ২০২৬, ২:৩০ পিএম
রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ

 

চাইথোয়াইমং মারমা, 
বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙ্গামাটি জেলা রাজস্থলী  উপজেলায় ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফর সাসটেইনেবল বাংলাদেশ প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ঝুঁকি  মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে দিনব্যাপী  গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  ১৪ জুন রবিবার উপজেলা মডেল মসজিদ  হলরুমে আয়োজিত এ সভায় স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

সভাতে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী উপজেলা  অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ দাস  । সভাপতির বক্তব্যে শুরুতে  তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এখন একটি বৈশ্বিক সংকট হলেও এর প্রভাব স্থানীয় পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পানি সংকট, ভূমিধস এবং কৃষিতে বিরূপ প্রভাব ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণকে আরও সচেতন ও সম্পৃক্ত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন  পরিবেশের সামাজিক পরিবেশ পরির্বতন মোকাবেলায়  নিশ্চিত করতে পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী প্রেস ক্লাবের সভাপতি আজগর আলী খান, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রিয় রতন চাকমা,বাজার চৌধুরী শাক্য মিত্র তঞ্চঙ্গ্যা, সমাজ সেবা কর্মকর্তা লিজা চাকমা, তাওহিদুল ইসলাম,রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি অফিসার অ্যানিকা তঞ্চঙ্গ্যা,কমিউনিটি এনগেজমেন্ট অ্যান্ড লিয়াজোঁ অফিসার থোয়াই সিং নু মারমা, সংবাদ কর্মী হাবীবুল্ল্যাহ মিজবা। বক্তারা  নিজ নিজ বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি, নারী ও শিশুদের ওপর এর প্রভাব এবং তরুণদের সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে পানিবাহিত রোগের বিস্তার, অপুষ্টি এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা মতামত দেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদার, পাহাড় সংরক্ষণ, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে এক সাথে  পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার সহ ভবিষ্যৎ প্ল্যান অনুযায়ী বাস্তবায়ন কার্য্যক্রম কথা তুলে ধরে সকলের কাছে জানানো হয়েছে।

.

×