| ১৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

রুমায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত : ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

রুমায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত : ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

 

মথি ত্রিপুরা,  রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

বান্দরবানের রুমা উপজেলার বেথেল পাড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে স্থানীয় জনগণ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট পাড়াবাসীর অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার, এসবিপি, পিএসসি।

সভায় রুমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাস্টর, বম সোশ্যাল কাউন্সিল (বিএসসি)-এর সদস্যবৃন্দ, কারবারি, হেডম্যান এবং বেথেল পাড়ার সাধারণ জনগণসহ প্রায় ১৫৫ জন অংশগ্রহণ করেন। সভা শেষে জেল থেকে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও ভারতের মিজোরাম থেকে ফিরে আসা পরিবারের সদস্যদেরসহ মোট ৫৬টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।

মতবিনিময় সভায় জোন কমান্ডার ধর্মীয় অনুশীলন ও ধর্মীয় কার্যক্রম বিষয়ে পাস্টরদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, দেশে ধর্মীয় অনুশীলন ও ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো ধরনের বাধা বা সীমাবদ্ধতা নেই। তিনি বম সম্প্রদায়ের মধ্যে পাস্টরদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ)-এর বিভিন্ন অপতৎপরতা সম্পর্কে সতর্ক করেন।

তিনি পাস্টরদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেএনএর ভয়ভীতি বা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে তাদের কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি কেএনএর সদস্যদের আত্মসমর্পণে উদ্বুদ্ধ করা এবং মিজোরামে অবস্থানরত শরণার্থীদের নিজ নিজ ঘরে ফিরে আসতে উৎসাহিত করারও আহ্বান জানান। এছাড়া গণমাধ্যমে প্রচারিত বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে সৃষ্ট যেকোনো আশঙ্কা দূর করতে সচেতন ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেন।

জোন কমান্ডার বর্তমান এলাকার স্থিতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, অতীতের অস্থিতিশীল সময়ের তুলনায় বর্তমানে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। তিনি স্থানীয় জনগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, তাদের জীবনযাত্রাকে আরও নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

তিনি আরও বলেন, কেএনএ বর্তমান শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করার লক্ষ্যে বিভিন্ন অপচেষ্টা চালাতে পারে এবং স্থানীয় জনগণকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

মিজোরাম থেকে বম শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে জোন কমান্ডার জানান, দেশে ফিরে আসা শরণার্থী ও জেল থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পুনর্বাসন কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি কেএনএর কোনো সদস্য আত্মসমর্পণ করলে তাকে পুরস্কৃত করা হবে এবং পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভার শেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এ দেশের সাধারণ মানুষের সেনাবাহিনী। শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উন্নয়নমুখী জীবন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে স্থানীয় জনগণের পাশে থাকবে।

কাপ্তাইয়ে ১৬ লিটার চোলাই মদসহ ৪ পাচারকারী আটক

রুমায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত : ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই প্রতিনিধি, রাঙ্গামাটি :

কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন (৪১ বিজিবি) এর বিশেষ অভিযানে ১৬ লিটার চোলাই মদসহ ৪ মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় কাপ্তাই ব্যাটালিয়ন সদরের ১ নম্বর গেইট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কাপ্তাই থেকে একটি সিএনজি চোলাই মদ নিয়ে রাঙ্গুনিয়ার লিচুবাগান অভিমুখে রওনা দেয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪১ বিজিবির একটি বিশেষ টহল দল ব্যাটালিয়ন সদরের ১ নম্বর গেইটে ওই সিএনজিটিতে তল্লাশি চালায়। এসময় সিএনজিতে থাকা ১৬ লিটার চোলাই মদসহ ৪ পাচারকারীকে হাতেনাতে আটক করে বিজিবি।

বিজিবির প্রেস নোটে জানায়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের কাপ্তাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদক নির্মূলে বিজিবি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​ছবি ক্যাপসন – উদ্ধারকৃত চোলাই মদ ও আটক ৪ পাচারকারী

নারীকে সামনে রেখে আলীকম প্রেস ক্লাব দখলের চেষ্টা, নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের ওপর হামলা

রুমায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত : ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে নারীকে সামনে রেখে প্রেস ক্লাব দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মমতাজ উদ্দিন আহমদ গংদের বিরুদ্ধে। এ সময় প্রেস ক্লাবের নব-নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের ওপর হামলা,মারধর ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‎তথ্য সূত্রে জানা যায়,সম্প্রতিক সময়ে দীর্ঘ ২৭ বছর পর গণতান্ত্রিক নিয়মে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সদস্যরা মিলে আলীকদম প্রেসক্লাবে প্রবেশ করার সময় মমতাজ উদ্দিন আহমেদসহ তার ভাইদের নেতৃীত্বে একদল নারী ও তাদের পরিবারের লোকজন হঠাৎ করে আলীকদম প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত কমিটির সদস্যরা বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং কয়েকজন সদস্য হামলার শিকার হন বলে দাবি করা হয়েছে।

‎প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য,নির্বাচিত উপর ব্যাপক হারে হামলা-মারধর করা হয়েছে এবং সদস্যদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনাও ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানা যায়নি। আলীকদম প্রেস ক্লাবকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সদস্যরা আশার পর কিছু পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আবারও যে কোন সময় বড় ধরণের রক্তক্ষয়ি-সংঘাত হওয়ার সম্ববনা রয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা যায়।

‎নির্বাচিত কমিটির সভাপতি এসএম জিয়াউদ্দিন জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আবু জুয়েল নুরখান অভিযোগ করে বলেন,একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী পরিকল্পিত ভাবে নারীকে সামনে রেখে প্রেস ক্লাব দখলের অপচেষ্টা চালিয়েছে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত,জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং প্রেস ক্লাবের স্বাভাবিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

‎স্থানীয় প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে,ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে প্রেস ক্লাবকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিক সমাজের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়াতে নারী শিশু নির্যাতন দমন অপহরণ মামলার আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে ; আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ও গ্রেপ্তারে ধীরগতি

রুমায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত : ধর্মীয় স্বাধীনতা, শান্তি ও পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

 

বিশেষ প্রতিবেদক, রাঙামাটি :

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন ডাকবাংলা পাড়া নিবাসী কেপ্রু মারমার কনিষ্ঠ মেয়ে নাবালিকা খ্যাইনুউ মারমা (১৫) সে কুন্ডেশরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে অধ্যয়রনত ছিল। রাউজান এলাকা থেকে গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ সালের এক মারমা নাবালিকা ছাত্রীকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর প্রথমে রাউজান থানায় ভিকটিমের অভিভাবক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নং- ১১৫৫ ও ২১ এপ্রিল। এবং ২৪ এপ্রিল আদালতে গিয়ে নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল চট্টগ্রাম-০৩ আদালতে নারী শিশু নির্যাতন মামলা নং- ৩৫/২০২৬, রাউজান নির্যাতিতার অভিভাবক আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন। যার নারী ও শিশু দমন আইন ২০০০ সংশোধনী ২০০৩ (ধারা ৭/৩০) হলেও প্রধান আসামিসহ অন্যান্য অপরাধীকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার না করার অভিযোগ উঠেছে।

ভিকটিমের নামঃ খ্যাইনুউ মারমা (১৫) পিতাঃ কেপ্রু মারমা মাতাঃ নুম্রাসিং মারমা, সাং ডাকবাংলা পাড়া চন্দ্রঘোনা, থানা- রাজস্থলী,  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। সরকারী নিয়মে কোন নারী ১৮ বছরের নিচে বিয়ের নামে অবৈধ বাল্যবিবাহ, অসামাজিক কার্যকলাপ, বিয়ে করা ও সংসার নামে একসঙ্গে বসবাস করা আইনের লঙ্ঘন ও পরিপন্থী। আসামীঃ ১. মোঃ আরজ তালুকদার, পিতা- মৃতঃ আব্দুল মফেজ তালুকদার, বাসিন্দাঃ ডাকবাংলা মধ্য পাড়া, বাঙ্গালহালিয়া চন্দ্রঘোনা, থানা- রাজস্থলী, রাঙ্গামাটি।

সূত্রে জানা যায়, ১নং আসামি তার বিশাল দালান কোঠা তিন তলা বিশিষ্ট বাড়ি অবস্থিত উত্তর সুখবিলাস পাড়া পদুয়া ইউনিয়ন চট্রগ্রাম। আসামি নং-২, মোঃ আলাউদ্দিন পিতাঃ আলী আহম্মদ সাকিনঃ সুখবিলাস, ফলহারিয়া পাড়া পোস্টঃ পদুয়া থানাঃ রাঙ্গুনিয়া উপজেলাঃ রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম। মূলহোতা আসামীসহ সহযোগিতায় আসামীরা ধরা ছোঁয়া বাইরে স্বাভাবিক প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছেন।

স্থানীয়রা এ প্রতিবেদককে জানান, আসামিরা এখনও বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ১ম আসামি পূর্বেও একাধিক পাহাড়ি নারী ও বাঙালি নারীদের সাথে বিয়ে নামে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। ১নং আসামি পূর্বের জন্ম স্থান সাং- নাপিত পুকুরিয়া গ্রাম দক্ষিণ পদুয়া ইউনিয়ন রাঙ্গুনিয়া থানা/ উপজেলা জেলা : চট্টগ্রাম।

স্থানীয়রা জানান, নারী কেলেংকারীর মাধ্যমে এলাকায় পরিস্থিতি অশান্তি সৃষ্টি করতে সে  টাকা অর্থ প্রলোভনের মাধ্যমে নারীদের সাথে জড়িয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া যায় অনুসন্ধানে রিপোর্টে। আসামিরা এলাকায় দাপটের প্রভাব খাটিয়ে ভিকটিম পরিবারকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

ভিকটিমের মেয়ে, অভিভাবক চাচিসহ গণমাধ্যমকে জানান, সুস্থ বিচার, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্তৃক অপরাধীকে নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইবুন্যাল আদালতে মামলার আসামিকে দ্রুত গ্রেফতারসহ বিচারের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন ভিকটিম অভিভাবক ও নির্যাতিত নারী।

×