সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:

রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:০১ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দুটি পৃথক বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বাড়ি দুটি রামগড় থানা থেকে মাত্র প্রায় ৩০০ গজ দূরে অবস্থিত। থানার এত কাছাকাছি এলাকায় পরপর চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, একটি বাড়ির নির্মাণাধীন ছাদ থেকে দুর্বৃত্তরা লোহার রড কেটে নিয়ে গেছে। অপর একটি বাড়ি থেকে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হয়েছে।

প্রথম ঘটনায় ভুক্তভোগী রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক আব্দুল হাই জানান, কয়েক দিনের মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদের রড কেটে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, “ঘরের ছাদ থেকে রড চুরি হতে দেখে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।”অপর চুরির ঘটনা ঘটে সাংবাদিক বেলাল হোসাইনের ভাড়া বাসায়। ঘটনার সময় তাঁর ভাড়াটিয়া বাসায় না থাকায় সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

সাংবাদিক বেলাল হোসাইন বলেন, “আমার ভাড়াটিয়া ওই সময় বাসায় ছিলেন না। দুর্বৃত্তরা এ সুযোগে ঘরে ঢুকে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর ভাড়াটিয়াকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন। চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার জন্য পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলগুলোতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”

বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এগিয়ে এসেছেন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা-ও

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৭ পিএম
রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখা।

রবিবার (২৬ জুলাই) রাত ৯ টায় শাক্যপ্রিয় ভিক্ষু এক মেসেজ বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, গত ২৪ তারিখ, শুক্রবার হতে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে মোট ১০৪ পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০০০/-টাকা করে সর্বমোট- ১০৪,০০০/- (একলক্ষ চার হাজার টাকা) নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। গ্রামগুলো হলো- চাইন্দ্যা, উলুছড়ি, তক্তানালা উত্তর

পাড়া, তারাছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, গোয়াইনছড়ি ও তক্তানালা দক্ষিণ পাড়া। মোট ৭টি গ্রাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি আর্য্যলঙ্কার মহাথের, সাধারণ সম্পাদক বিপুল জ্যোতি মহাথের-সহ অন্যান্যা ভিক্ষু সংঘ।

থানচির বড়পাথরে নৌকাডুবি; দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১০ পিএম
রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

 

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪) নামে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ৩৮ বিজিবির অধীনস্থ তিন্দু মুখ ক্যাম্প সংলগ্ন নদীর ঘাটে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবিকে খবর দেন। খবর পেয়ে বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। বর্তমানে মরদেহটি তিন্দু মুখ বিজিবি ক্যাম্পের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা ডুবে গেলে পর্যটক মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান নিখোঁজ হন। ঘটনার পর নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

নিখোঁজের পরদিন ২৫ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যের একটি প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল থানচিতে পৌঁছায়। তাদের সঙ্গে থানচি ফায়ার সার্ভিসের আরও পাঁচজন সদস্য যোগ দিয়ে মোট আটজন ডুবুরি নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও সেদিন নিখোঁজ পর্যটকের কোনো সন্ধান মেলেনি।

অবশেষে ২৬ জুলাই সকালে তিন্দু মুখ ক্যাম্প সংলগ্ন নদীর ঘাটে ভেসে ওঠে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।

নিহত মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪) ময়মনসিংহ জেলার মাসকান্দা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ হেলাল উদ্দীন এবং মাতার নাম মোছাঃ দেলোয়ারা আক্তার।

নৌকাডুবির ঘটনায় পর্যটকের নিখোঁজ হওয়া এবং দুই দিন পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকবাহী নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নৌযান চলাচলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিশ্চিত করা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন সন্ত্রাস চাঁদাবাজ বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান- মেজর হাফিজ সৈকত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম
রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

 

বিশেষ প্রতিনিধি, রাঙামাটি :

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডার লে, কর্ণেল নাজমুল কাদির শুভ পিএসসি এর নির্দেশনায় এবং রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডার মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত এর তত্ত্বাবধানে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পে হেডম্যান ও কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডার মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত ।

সম্মেলনটি নিয়মিত মাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। সাব-জোন কমান্ডার স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত হন।
সভাপতির বক্তব্যে মেজর হাফিজ বলেন, রণজয়ী আটত্রিশ দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন।সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী নিরলস ভাবে কাজ পরিচালনা করে আসছে, আমরা জানি এলাকার মানুষের যে পরিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়ছে সেটা অপূরণীয়। আমরা সামান্য সহযোগিতা করতে পেরে নিজেকে গর্বীত মনে করছি, তবে দুর্যোগে নিজেকে সচেতন হতে হবে নইলে নিজেই বিপদের সম্মুখিন হতে হয়।

তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে অবদান রেখে চলেছে। আমরা চাই এলাকায় কেউ সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি করে তাহলে তাদের কে প্রতিহত করবো। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কোন দিন উন্নয়ন চাইনা। যে এলাকায় শান্তি থাকবে, সে এলাকা উন্নয়ন হবে সন্ত্রাস চাঁদাবাজ যে হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে তাদের মাথা গোজার ঠায় এ এলাকায় হতে দেওয়া যাবেনা।
মাদকের বিষয়ে সাব জোন অধিনায়ক মেজর হাফিজ বলেন, আমি শুনতেছি এলাকায় মাদকের ছড়াছড়ি হচ্ছে মাদককে নিমূল করতে হবে আপনারা আমাদের কে সঠিক তথ্য দিন আমরা মাদক সেবন কারী ও মাদক ব্যবসায়ীকে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে আইনের আওতায় এনে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা হাতে নিব। আশা করি কয়েক দিনের ভিতরে মাদক বিরোধী যুব সমাজ কে নিয়ে একটি প্রীতি ফুটবল টুর্ণামেন্ট করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা যেতে পারে। কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সাথে আরও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান।

সেনাবাহিনীর পক্ষে জানান, “আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই। দুর্গম এলাকার মানুষ যারা এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি, তাদেরকে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক সুবিধার আওতায় আনার জন্য আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতেও এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।” এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা পরিবেশের ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে ।

আরো সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজস্থলী সাব-জোনের জেসিও মিজানুর রহমান, ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবার্ট ত্রিপুরা, ২ নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুচিংমং মারমা, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান উথিনসিন মারমা সহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৯ জন মেম্বার, ৮ জন হেডম্যান ও ১০২ জন কারবারী। এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি ক্যাপসন, রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যােগে হেডম্যান কারবারী সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মেজর হাফিজ আহম্মদ সৈকত।

×