| ২৭ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

বাঘাইছড়িতে ৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

বাঘাইছড়িতে ৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ


‎বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি :

‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্ন কর্মসূচির আওতায় ৬০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

‎রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে উপজেলা কৃষি অফিস কার্যালয়ে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে এ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

‎অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নূর আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী নিজাম উদ্দিন বাবু।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ানের বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি এবং জেলা বিএনপির কৃষি বিষয়ক সহ-সম্পাদক সেলিম উদ্দিন বাহারী, বাঘাইছড়ি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় সাংবাদিক, কৃষক প্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।



‎অনুষ্ঠান শেষে উপজেলার ৬০০ জন কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বিভিন্ন ধরনের সবজির বীজ ও রাসায়নিক সার তুলে দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, এ ধরনের প্রণোদনা কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে উৎসাহিত করবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিলাইছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে এগিয়ে এসেছেন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা-ও

বাঘাইছড়িতে ৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বাংলাদেশ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখা।

রবিবার (২৬ জুলাই) রাত ৯ টায় শাক্যপ্রিয় ভিক্ষু এক মেসেজ বার্তায় তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানান, গত ২৪ তারিখ, শুক্রবার হতে পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে মোট ১০৪ পরিবারকে পরিবার প্রতি ১০০০/-টাকা করে সর্বমোট- ১০৪,০০০/- (একলক্ষ চার হাজার টাকা) নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। গ্রামগুলো হলো- চাইন্দ্যা, উলুছড়ি, তক্তানালা উত্তর

পাড়া, তারাছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, গোয়াইনছড়ি ও তক্তানালা দক্ষিণ পাড়া। মোট ৭টি গ্রাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য ভিক্ষু সংঘ বিলাইছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি আর্য্যলঙ্কার মহাথের, সাধারণ সম্পাদক বিপুল জ্যোতি মহাথের-সহ অন্যান্যা ভিক্ষু সংঘ।

রামগড়ে চুরির আতঙ্ক, তিন দিনে দুই বাড়িতে চুরি

বাঘাইছড়িতে ৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার প্রাণকেন্দ্রে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দুটি পৃথক বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, বাড়ি দুটি রামগড় থানা থেকে মাত্র প্রায় ৩০০ গজ দূরে অবস্থিত। থানার এত কাছাকাছি এলাকায় পরপর চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, একটি বাড়ির নির্মাণাধীন ছাদ থেকে দুর্বৃত্তরা লোহার রড কেটে নিয়ে গেছে। অপর একটি বাড়ি থেকে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি হয়েছে।

প্রথম ঘটনায় ভুক্তভোগী রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার প্রভাষক আব্দুল হাই জানান, কয়েক দিনের মধ্যে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাঁর নির্মাণাধীন বাড়ির ছাদের রড কেটে নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, “ঘরের ছাদ থেকে রড চুরি হতে দেখে আমি হতবাক হয়েছি। বিষয়টি থানায় জানিয়েছি।”অপর চুরির ঘটনা ঘটে সাংবাদিক বেলাল হোসাইনের ভাড়া বাসায়। ঘটনার সময় তাঁর ভাড়াটিয়া বাসায় না থাকায় সেই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

সাংবাদিক বেলাল হোসাইন বলেন, “আমার ভাড়াটিয়া ওই সময় বাসায় ছিলেন না। দুর্বৃত্তরা এ সুযোগে ঘরে ঢুকে বৈদ্যুতিক তার, সিলিং ফ্যান, বাতি ও বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে গেছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর ভাড়াটিয়াকে বাসা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন। চুরির ঘটনার সঙ্গে ওই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার জন্য পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলগুলোতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।”

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৩:১০ পিএম

থানচির বড়পাথরে নৌকাডুবি; দুই দিন পর নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার।

বাঘাইছড়িতে ৬০০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ

 

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় ইঞ্জিনচালিত নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪) নামে এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই ২০২৬) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে ৩৮ বিজিবির অধীনস্থ তিন্দু মুখ ক্যাম্প সংলগ্ন নদীর ঘাটে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবিকে খবর দেন। খবর পেয়ে বিজিবির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। বর্তমানে মরদেহটি তিন্দু মুখ বিজিবি ক্যাম্পের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এর আগে গত ২৪ জুলাই বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে থানচি উপজেলার বড়পাথর এলাকায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা ডুবে গেলে পর্যটক মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান নিখোঁজ হন। ঘটনার পর নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।

নিখোঁজের পরদিন ২৫ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যের একটি প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল থানচিতে পৌঁছায়। তাদের সঙ্গে থানচি ফায়ার সার্ভিসের আরও পাঁচজন সদস্য যোগ দিয়ে মোট আটজন ডুবুরি নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালিয়েও সেদিন নিখোঁজ পর্যটকের কোনো সন্ধান মেলেনি।

অবশেষে ২৬ জুলাই সকালে তিন্দু মুখ ক্যাম্প সংলগ্ন নদীর ঘাটে ভেসে ওঠে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে বিজিবি সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।

নিহত মোঃ জাওয়াদ উল ইসলাম মাহিয়ান (২৪) ময়মনসিংহ জেলার মাসকান্দা এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মোঃ হেলাল উদ্দীন এবং মাতার নাম মোছাঃ দেলোয়ারা আক্তার।

নৌকাডুবির ঘটনায় পর্যটকের নিখোঁজ হওয়া এবং দুই দিন পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পর্যটকবাহী নৌযানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও নৌযান চলাচলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা নিশ্চিত করা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

×