বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২
শিরোনাম:

একজন হার্টের রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:১০ পিএম
17 বার পড়া হয়েছে
একজন হার্টের রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

বরার্ট বম একজন হার্টের রোগী। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়  তার শরীরে রিং লাগাতে হবে। খরচ প্রয়োজন হতে পারে ৪-৫ লক্ষ টাকার মত। দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর সে আর নিঃসম্বল হয়ে পড়েছে। মানুষ যতদিন বেছে থাকে জীবন সংগ্রাম করে।শেষ পর্যন্ত তিনি চিকিৎসার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন। তার লেখা হুবহু তুলে ধরা হলো।

মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে, একটু সহানুভূতি কি? মানুষ পেতে পারি না? ও বন্ধু।

সবাইকে জানাই আসসালামুয়া লাইকুম, আদাব, সালাম, নমস্কার ও ইম্মানুয়েল। আজ আমি রেভারেন্ডঃ রবার্ট বম  পিতাঃ মৃত, আলকিপ বম মাতাঃ থংলিয়ানকিম বম গ্রামঃযমুনাছড়ি বম পাড়া, ৩নং ফারুয়া ইউনিয়ন, উপজেলাঃ বিলাইছড়ি,জেলাঃরাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা। আমি আপনাদের কাছে আমার কপালে লিখন কাহিনী শেয়ার না করে থাকতে পারছিলাম।আমার সংসারে জীবন কাহিনী। আমার বর্তমানে পরিবারে মা সহ সাত (৭) জন জনসংখ্যা। আমার ছেলে মেয়ে ৪ জন স্কুল কলেজে পড়ুয়া রয়েছে।আমার বড় মেয়ে ২০১৫ সাল থেকে তার শারিরীক অসুস্থতা কারণে আজ পর্যন্ত বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবং আমার বাবা লিভার ক্যান্সার বা ব্র্যান্ড সিরোসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় তিন (৩) বৎসর চিকিৎসা করা পর বাবা আমাদেরকে ছেড়ে পুরলোকগমণ করেন।বাবা আর মেয়ে চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০/৪০ লক্ষাধীক টাকা খরচ হয়।বাবার মৃত্যু ১৫ দিন পর আমার মেজো মেয়ে এপেডিসাইটিস কারণে অপারেশন করতে হয়েছে, এবং ২ মাস পর আমার ছেলে চোখের চিকিৎসা করতে হল। পরিশেষে আমি নিজে বিগত ১৮ জানুয়ারি ২০২৪ সাল হইতে হার্টের সমস্যা, টাইফেক, হাইপ্রেসার ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা করতে করতে প্রায় ৪/৫ লক্ষাধীক টাকা খরচ করার পরেও আজ পর্যন্ত সুস্থ হতে পারিনাই। বর্তমানে ও ২/৩ দিন যাবত বিলাইছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি। বিগত সময় থেকে আমার ছেলে,মেয়ে ও বাবার সুচিকিৎসা জন্য সরকারি, বেসরকারি, সংস্থা অফিসে আর্থিক সাহায্য সহযোগীতা অনুদান আশায় অফিসে অফিসে, দরজায় দরজায় গিয়েছিলাম, কিন্তুু,দুঃখের বিষয় পুরাকপাল আমার আজ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। তবু, আামাদের, হাস মুরগি, গরু ছাগল গাড়ি বাড়ি বিক্রি করে  এবং মহাজনদের কাছে শোধে টাকা নিয়ে চিকিৎসা চালিয়েছি।আবারো এখন আমার সুচিকিৎসার জন্যে ভাল হাসপাতালে চিকিৎসা না করলে আমার শারিরীক অবস্থা খারাপ দিকে হওয়ার সম্ভাবনায় বেশি, বর্তমানে আমার নাই কোন টাকা পয়সা, নাই কোন ধন সম্পদ বিক্রি করার মত কিছু। শুধু আছে সৃষ্টিকর্তার নাম ডাকা ছাড়া কিছুই নাই।

ধন্যবাদ দাদা, সুস্থ হলে দেখা হবে আবার। God blessed to you all family member. I prayer for your family.

See You soon.

বিকাশ/ নগদ- 01616231700.

ত্রুয়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাজেকে উদলছড়ি ৫৪ বিজিবির জনসচেতনতামূলক আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
একজন হার্টের রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন 

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাজেক ইউনিয়নের উদলছড়ি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মহাপরিচালকের দিকনির্দেশনায় এবং বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন (৫৪ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মহিউদ্দিন ফারুকীর নির্দেশক্রমে এ জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উক্ত আলোচনা সভায় ৫৪ বিজিবির অধীনস্থ বিওপির বিওপি কমান্ডার মোঃ মশিউর রহমান, বিওপির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, উদলছড়ি পাড়ার কারবারি ও স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় নির্বাচনকালীন সময়ে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকার আহ্বান জানানো হয়।

একই সঙ্গে অধিনায়কের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবিকে সর্বদা সতর্ক ও তৎপর থাকার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। পাহাড়ে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির ভূমিকার কথাও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এ সময় পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত সকল জনগোষ্ঠীর সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করা হয়।
উল্লেখ্য, আলোচনা সভা শেষে গন্ডাছড়া পাড়ার কারবারি বদীচন্দ্র কারবারি বলেন, “বিজিবি যেভাবে আমাদের সর্বদা চিকিৎসা সেবা ও মানবিক সহায়তা দিয়ে পাশে থাকে, সেই বিবেচনায় আমরাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাব।”

রামগড়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে মহিলা দলের দোয়া মাহফিল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৭ এএম
একজন হার্টের রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন 

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধ :

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে খাগড়াছড়ির রামগড়ে উপজেলা মহিলা দলের উদ্যোগে পৃথক তিনটি স্থানে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রামগড় সদর ইউনিয়ন মহিলা দলের আয়োজনে লামকুপাড়ায় প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দুপুরে রামগড় পৌর মহিলা দলের আয়োজনে বল্টুরাম এলাকায় এবং বিকেলে পাতাছড়া ইউনিয়ন মহিলা দলের উদ্যোগে নাকাপা বাজারে পৃথকভাবে এসব সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
সভাগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জাকারিয়া জিনাত বিথী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলা দলের সভাপতি কুহেলী দেওয়ান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মারিয়ম আক্তার মনি, যুগ্ম সম্পাদক আকলিমা খানম, সাংগঠনিক সম্পাদক তাসলিমা সিরাজ সীমা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রামগড় উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি জাহানারা আক্তার, পৌর মহিলা দলের সভাপতি পারুল আক্তার, উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক আমেনা বেগম, পৌর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক তানজিনা আলম, উপজেলা মহিলা দলের যুগ্ম সম্পাদক সালমা আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক মরিয়ম আক্তারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বিলাইছড়িতে হঠাৎ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলেন ইউএনও হাসনাত জাহান খান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৪ পিএম
একজন হার্টের রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি বাজারে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসনাত জাহান খান। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে কোর্ট পরিচালনার সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মোঃ মোস্তাফা কামাল, মো. নাদিম মাহমুদ (এস আই), উপজেলা নির্বাচন অফিসার  ছালেহ আহমদ ভুইঁয়া, থানা এসআই মো. নাদিম মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।

বাজার এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করার সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর বিভিন্ন ধারায় ৩টি স্টোরকে মোট ৪,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এতে বিসমিল্লাহ স্টোরকে মূল্য তালিকা না থাকায় ৩৮ ধারায় ১,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ইদ্রিস স্টোরকে (ইসহাক) মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য দোকানে থাকায় ৫১ ধারায় ২,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সুনীল স্টোর (সুমনের) মূল্য তালিকা না থাকায় ৩৮ ধারায় ১,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

×