রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে পৌঁছালো সদরে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৭ পিএম
0 বার পড়া হয়েছে
বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে পৌঁছালো সদরে

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯নং রাঙ্গামাটির আসনে বাংলাদেশে সবচেয়ে দুর্গম উপজেলা  বিলাইছড়ির বড়থলি ও ফারুয়া ইউনিয়নে হেলিসর্টি ৫টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণকারী জনবল,ফলাফল ও নির্বাচনী সরঞ্জামসহ সদরে নিরাপদে পৌঁছেন বলে জানা গেছে। এতে যাওয়া- আসাসহ প্রায় এক সপ্তাহ সময় লেগেছে।

 

রবিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে বিলাইছড়ি সেনা জোনে পৌঁছালে সর্বশেষ টীম সেখান থেকে উপজেলায় পৌঁছান বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসনাত জাহান খান। তিনি জানান, ১৩টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সু-সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরো জানান, দুর্গম রাইমং ছড়া বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত ৭ ফেব্রুয়ারি, ৮ ফেব্রুয়ারী

ফারুয়া সরকারি প্রা: ও তারাছড়ি বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয় এবং ১০ ফেব্রুয়ারিতে প্রাংজং পাড়া ও বড়থলি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হেলিকপ্টারে তাদের পাঠানো হয়। আর ১৩ই ফেব্রুয়ারি হতে পর্যায়ক্রমে আজ ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আকাশ পথে নিরাপদে সবাই চলে আসে।

এছাড়াও উপজেলা নির্বাচন অফিসার ছালেহ আহাম্মদ ভুইঁয়া জানান, সব কেন্দ্রের ফলাফল ও ব্যালট এবং বাক্সসহ প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ হতে বুঝে পেয়েছেন বলেও জানান,তিনি আরো জানান, উপজেলায় সর্বমোট ২৪৫১৫:ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১২৪৩৮ জন। যা শতকরা হার ৫০.৪২ %। তার মধ্যে দীপেন দেওয়ান (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ১০৮৮৭ ভোট। আর হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দিয়েছেন  ১৯৮৯ টি, না এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৯৫০৭, প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা এর সমষ্টি ১১৪৯৬, বাতিল ৯৪২ টি ভোট।

আলীকদমে বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৩ পিএম
বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে পৌঁছালো সদরে


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রহস্যজনক ভাবে রহিমা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ার) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড পুরাতন কানামাঝি ঘাট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহত রহিমা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেবের স্ত্রী। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি। তবে সন্দেহ ভাজন হিসেবে দুই পুত্রবধূসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।

‎পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ির ভেতরে এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে কল দেন। খবর পেয়ে আলীকদম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

‎এ বিষয়ে আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহ জানান, রাত ৯টায় ৯৯৯-এ কল আসে যে, আলীকদম উপজেলার শিবাতলী এলাকায় এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ পড়ে আছে। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। তবে সন্দেহজনক দুই পুত্রবধূসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলীকদমে পাওয়না টাকা চাইতে গিয়ে প্রবাসীর ঘরে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৭ পিএম
বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে পৌঁছালো সদরে

‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

‎বান্দরবানের আলীকমে সদর ইউনিয়নে ১নং ওয়ার্ড ছাবের মিয়াপাড়া এলাকায় পাওয়না টাকা চাইতে গিয়ে প্রবাসীর ঘরে হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আলীকম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী ছাবের মিয়ার পাড়ার মৃতঃ আব্দু সোবাহান ছেলে  ছাবের (২৯)।

‎অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একই এলাকার মোঃ আরাফাত (৩৮), পিতা মৃত্যু মোঃ আব্দু সোবাহান তার ছেলে মোঃ আরাফাত বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট দুই লাখ টাকা গ্রহণ করেন।

‎অভিযোগকারী জানান, ২০২০ সালের ২১ ডিসেম্বর ও ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দুই দফায় অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা ধার নেন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও অভিযুক্তরা ওই টাকা ফেরত না দিয়ে নানা অজুহাত দেখাতে থাকেন। পরবর্তীতে টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর বাড়ি ভাংচুর করাসহ ভুক্তভোগী ও তার স্ত্রীকে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

‎ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা একাধিকবার তার বাড়িতে এসে মারধরের হুমকি প্রদান করে এবং এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে তাকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। এতে তিনি ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

‎এ বিষয়ে আলীকদম থানায় দায়ের করা অভিযোগে ভুক্তভোগী তার এবং তার পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

‎বাড়ি ঘর ভাংচুর ও পাওনা টাকার অভিযোগের বিষয়ে জানতে, মোঃ আরাফাতের মোবাইলে একাধিক বার কল দিয়েও তার সাথে কথা বল সম্ভব হয়নি এবং তিনি কল রিসিভ করেনি।

‎আলীকদম থানার এসআই তদন্ত কর্মকর্তা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মেধাবী ও নীতিবান পার্বত্য মন্ত্রীত্ব প্রত্যাশায় পাহাড়বাসীর দৃঢ় অবস্থান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০০ পিএম
বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে পৌঁছালো সদরে

 

উচ্চপ্রু মার্মা :

পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি,পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, একজন মেধাবী, সৎ, নীতিবান ও দূরদর্শী নেতৃত্ব, যিনি পার্বত্য জনপদের বাস্তবতা, বৈচিত্র্য ও সম্ভাবনাকে হৃদয়ে ধারণ করে উন্নয়নের পথকে আরও সুদৃঢ় করবেন। সেই প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

শৈশব থেকেই অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান মেধা, সততা ও ভদ্র-নম্র আচরণের জন্য সুপরিচিত। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর পথচলা ছিল আদর্শনিষ্ঠ ও সংগ্রামী। ব্যক্তি জীবনে সরলতা এবং সামাজিক জীবনে দায়িত্ববোধ তাঁকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। পাহাড়ের মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি হয়ে উঠেছেন গণমানুষের নেতা।

গত ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রোববার, রাঙামাটিতে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ লতিকা তালুকদার তাঁর বক্তব্যে দীপেন দেওয়ানের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, সততা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অত্যন্ত বাস্তব ও হৃদয়গ্রাহীভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পাহাড়ের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য প্রয়োজন পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতৃত্ব—যে নেতৃত্ব বিভাজন নয়, ঐক্যকে শক্তিশালী করবে।

দল-মত, জাতি-ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ের সর্বস্তরের মানুষ ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৪ ভোট দিয়ে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে বিপুলভাবে জয়যুক্ত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। এই অভূতপূর্ব সমর্থন শুধু একটি নির্বাচনী বিজয় নয়; এটি পাহাড়ের মানুষের বিশ্বাস, আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন। এতে স্পষ্ট হয়েছে, পাহাড়বাসী এখনও যোগ্য, সৎ ও নীতিবান ব্যক্তিকেই নেতৃত্বে দেখতে চান।

বর্তমানে পাহাড়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলে একটাই আলোচনা—অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে যেন যথাযথ মর্যাদা দিয়ে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তাঁর মতো অভিজ্ঞ ও গ্রহণযোগ্য নেতার হাতে অর্পণ করা হলে পাহাড়ের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে সবার দৃষ্টি এখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর নীতি নির্ধারক ও শীর্ষ নেতৃত্বের দিকে। পাহাড়বাসীর বিনম্র আহ্বান—জনগণের প্রত্যাশাকে মূল্যায়ন করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।

একজন মেধাবী ও নীতিবান নেতার নেতৃত্বে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে—এমন বিশ্বাসই আজ সবার মাঝে দৃঢ়।
পাহাড়ের মানুষের কণ্ঠে তাই উচ্চারিত হচ্ছে একটাই দাবি—
“মেধাবী ও নীতিবান পার্বত্য মন্ত্রী চাই।”
অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানের প্রতি রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অনেক অনেক শুভ কামনা।

×