সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

বাঘাইছড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৩ এএম
25 বার পড়া হয়েছে
বাঘাইছড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা (খাগড়াছড়ি) :

রাঙ্গামাটি বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের সুরুংনালা গ্রামে এক বৃদ্ধার বসত ঘর গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভোর সকালে এক দুর্ঘটনায় আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় নারগী চাকমার বসতঘর।

আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ে। ঘরের আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দৈনন্দিন ব্যবহারের সামগ্রী—সবই মুহূর্তের মধ্যে ভস্মীভূত হয়।

এমন দুর্দিনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বঙ্গলতলি ইউনিয়নের জারুল বন বিহারের রত্নবোধি নামেএক বৌদ্ধ ভিক্ষু।

মানবিক উদ্যোগ নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আর্থিক সহায়তার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। তার এই উদ্যোগে ইতোমধ্যে অনেকেই সাড়া দিতে শুরু করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আগুনের ভয়াবহতায় ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং পরিবারটি খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়।

প্রতিবেশীরা তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি নাগরী চাকমার বসত ঘর।

জারুল বন বিহারের অধ্যক্ষ রত্নবোধি ভান্তে বলেন, “মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা সবাই যদি সামান্য সহায়তার হাত বাড়াই, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।” তিনি আরও জানান, সংগৃহীত অর্থ দিয়ে নতুন করে বসতঘর নির্মাণ এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে। তারা মনে করেন, এমন মানবিক পদক্ষেপ সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত নারগী চাকমা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আপনাদের সহায়তা পেলে আমরা আবার নতুন করে শুরু করতে পারবো।”

সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বিলাইছড়ি যুবদলের সভাপতি কাদের এর নেতৃত্বে কাদামাটির উপর শক্ত মাটি বসিয়ে যাতায়াতের সুবিধা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
বাঘাইছড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

বিলাইছড়ি বাজার হাসপাতাল ঘাটের রাস্তাটি প্রতিবছর কাপ্তাই হ্রদের পানি কমলে পলি/কাদা পড়ে পরিত্যক্ত হয়ে থাকে। যা মানুষ চলাচলে চরম অসুবিধা হয়। এইসময়ে  প্রতিদিন বাজারে আসা-যাওয়া লোকজন কাদার উপর দিয়ে হাটতে হয়। বিকল্প তেমন সুবিধা রাস্তা না থাকায় সেটি একমাত্র ভরসা। তাই প্রতিদিন মালামাল ক্রয়-বিক্রয় ও আসা যাওয়া নিয়ে চরম দূর্ভোগে পড়ে পথচারীরা। পানি শুকালে কাপ্তাই – রাঙ্গামাটি থেকে আসে এমন নৌকা ও লঞ্চগুলো এই ঘাট দিয়ে উঠা- নামা করে। কাদা থাকায় সবচেয়ে বিপদে পড়ে চাকরিজীবিরা। এছাড়া রাস্তাটি হাসপাতালের কাছে হওয়ায় রোগী নিয়ে উঠানামা করাও বেশ অসুবিধা।

 

এ অবস্থা দেখে বিলাইছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির যুবদলের সভাপতি মোঃ কাদের জানান, ১০০ মিটারের মতো রাস্তা। মানুষজন বাজার উঠতে খুবই অসুবিধায় পড়ে। পানি শুকিয়ে গেলে বিকল্প রাস্তা বলতে নেই। কাদার উপর দিয়ে হেটে এসে কোথায় হাত, পা ধুঁইবে সেই ব্যবস্থাও নেই। এজন্য আমিসহ কয়েকজন নিয়ে কাদা বা পলির উপরে শক্ত মাটি ভরাট করে এর উপরে গাছ দিয়ে চলাচলের উপযোগী বা সুবিধা করছি। এটা করতে কয়েকদিন সময় লেগেছে। এতে তিনি চমক দেখালেন, কাদা/পলির উপর শক্ত মাটি বসিয়ে যাতায়াতের সুবিধা। এতে অবশ্যই সদর ইউনিয়ন পরিষদ, বাজার ফান্ড এবং বাজার সমবায় সমিতি, বিএনপির মানিক চাকমা, ব্যবসায়ী রঞ্জিত দোকানদার, মনি ও বাবুলাল মেম্বারের সহযোগিতা রয়েছে।

তাছাড়া কাদের জানান, বিলাইছড়ি বাসী বিএনপির এ্যাড. দীপেন দেওয়ানকে বিপুল ভোটে জয়ী করেছে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন সবসময় জনগণের পাশে থাকার জন্য। তার নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠন সবসময় জনগণের পাশে থাকবে। যার প্রমাণ এটি। এই ঘাট বা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করে। এবং মালামাল নিয়ে আসা হয়।

এছাড়াও রাঙ্গামাটির লঞ্চ চালক মো.শহীদ জানান, আগামী মঙ্গলবার হতে লঞ্চ ঐ ঘাটে প্রতিদিন আসবে  এবং রাঙ্গামাটি ফিরবে। স্থানীয় পথচারীরা জানান, এটা বিলাইছড়ি আপামর সাধারণের জন্য খুবই উপকার হয়েছে।

বিলাইছড়ির দুর্গম ৫ কেন্দ্রের জনবল ও সরঞ্জাম হেলিকপ্টারে পৌঁছালো সদরে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৭ পিএম
বাঘাইছড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯নং রাঙ্গামাটির আসনে বাংলাদেশে সবচেয়ে দুর্গম উপজেলা  বিলাইছড়ির বড়থলি ও ফারুয়া ইউনিয়নে হেলিসর্টি ৫টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণকারী জনবল,ফলাফল ও নির্বাচনী সরঞ্জামসহ সদরে নিরাপদে পৌঁছেন বলে জানা গেছে। এতে যাওয়া- আসাসহ প্রায় এক সপ্তাহ সময় লেগেছে।

 

রবিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে বিলাইছড়ি সেনা জোনে পৌঁছালে সর্বশেষ টীম সেখান থেকে উপজেলায় পৌঁছান বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসনাত জাহান খান। তিনি জানান, ১৩টি কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সু-সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরো জানান, দুর্গম রাইমং ছড়া বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয় কেন্দ্রে গত ৭ ফেব্রুয়ারি, ৮ ফেব্রুয়ারী

ফারুয়া সরকারি প্রা: ও তারাছড়ি বেসরকারি প্রা: বিদ্যালয় এবং ১০ ফেব্রুয়ারিতে প্রাংজং পাড়া ও বড়থলি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হেলিকপ্টারে তাদের পাঠানো হয়। আর ১৩ই ফেব্রুয়ারি হতে পর্যায়ক্রমে আজ ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আকাশ পথে নিরাপদে সবাই চলে আসে।

এছাড়াও উপজেলা নির্বাচন অফিসার ছালেহ আহাম্মদ ভুইঁয়া জানান, সব কেন্দ্রের ফলাফল ও ব্যালট এবং বাক্সসহ প্রিজাইডিং অফিসারের কাছ হতে বুঝে পেয়েছেন বলেও জানান,তিনি আরো জানান, উপজেলায় সর্বমোট ২৪৫১৫:ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১২৪৩৮ জন। যা শতকরা হার ৫০.৪২ %। তার মধ্যে দীপেন দেওয়ান (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ১০৮৮৭ ভোট। আর হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দিয়েছেন  ১৯৮৯ টি, না এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৯৫০৭, প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যা এর সমষ্টি ১১৪৯৬, বাতিল ৯৪২ টি ভোট।

আলীকদমে বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৩ পিএম
বাঘাইছড়িতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রত্নবোধি নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যাঁ,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় রহস্যজনক ভাবে রহিমা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ার) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ২নং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড পুরাতন কানামাঝি ঘাট এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহত রহিমা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেবের স্ত্রী। কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা তাৎক্ষণিক ভাবে জানা যায়নি। তবে সন্দেহ ভাজন হিসেবে দুই পুত্রবধূসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।

‎পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বাড়ির ভেতরে এক বৃদ্ধার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে কল দেন। খবর পেয়ে আলীকদম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

‎এ বিষয়ে আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহ জানান, রাত ৯টায় ৯৯৯-এ কল আসে যে, আলীকদম উপজেলার শিবাতলী এলাকায় এক বৃদ্ধার গলাকাটা লাশ পড়ে আছে। পরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। তবে সন্দেহজনক দুই পুত্রবধূসহ চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×