মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

রামগড়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬, ৪:৪৬ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
রামগড়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে অনলাইন জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় জুয়া পরিচালনায় ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন, হিসাব সংবলিত খাতা ও অনলাইন জুয়ার স্ক্রিনশট জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর আওতায় একটি মামলা দায়ের করেছে রামগড় থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১ জুন (সোমবার) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে রামগড় থানার এসআই মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মাস্টারপাড়ায় ক্যজাই মারমা (৩৯) এর বসতঘরে অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে জুয়া খেলা চলছে। সংবাদের সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ২/৩ জন ব্যক্তি দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘরের ভেতর থেকে ক্যজাই মারমাকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্বীকার করেন যে, তিনি একটি OPPO স্মার্টফোন ব্যবহার করে shillongteerground.com ও teernightindia.com নামের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে অন্যদের সঙ্গে যোগসাজশে অনলাইন জুয়া পরিচালনা ও খেলায় অংশ নিতেন।

অভিযানকালে ঘটনাস্থল থেকে একটি OPPO অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি Symphony বাটন ফোন, জুয়ার হিসাব লেখা একটি খাতা এবং অনলাইন জুয়ার স্ক্রিনশট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত খাতার ২৯টি পাতায় বিভিন্ন তারিখ ও টাকার অঙ্ক উল্লেখ ছিল বলে পুলিশ জানায়।

রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজির আলম জানান, এ ঘটনায় থানায় এফআইআর নং-১, তারিখ ২ জুন ২০২৬, জিআর নং-১৬ মূলে সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর ২০/২৭ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

দীঘিনালায় চিরকুটসহ যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
রামগড়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকায় মো. হাসান (৩৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে পুলিশ তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দীঘিনালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রাণতোষ বণিক বলেন, “প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, হাসান দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং এ নিয়ে পারিবারিক কলহ চলছিল। নিহতের স্ত্রী জানান, সোমবার বিকেলে পারিবারিক বিরোধের পর তিনি বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে যান। পরদিন সকালে ফিরে এসে স্বামীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

দুর্গম গালেংগ্যা ও আশপাশের ইউনিয়নে উন্নয়নের ছোঁয়া নেই, চরম ভোগান্তিতে বাসিন্দারা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
রামগড়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম গালেংগ্যা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষা, যোগাযোগ, সুপেয় পানি ও স্বাস্থ্যসেবার সংকট দীর্ঘদিন ধরে বিরাজ করছে। উন্নয়নের সুবিধা থেকে বঞ্চিত এসব এলাকার বাসিন্দারা নিত্যদিন নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাংতং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের যথুরাম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গালেংগ্যা হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গালেংগ্যা বাগান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট ও অবকাঠামোগত দুরবস্থার কারণে শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষকদের মাসের পর মাস বিদ্যালয়ে দেখা যায় না। ফলে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পাঠদান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবন ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণের অভাবও শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও দুর্বল করে তুলেছে।

এদিকে, শুকনো মৌসুম এলেই গালেংগ্যা ইউনিয়নসহ রুমা উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় সুপেয় ও ব্যবহারযোগ্য পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়। বন উজাড় ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে পাহাড়ি ঝিরি ও প্রাকৃতিক পানির উৎসগুলো ক্রমশ শুকিয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

স্থানীয় কৃষক অবিরাম ত্রিপুরা, রাইমং ত্রিপুরা ও আব্রাহাম ত্রিপুরা বলেন, পানি সংকটের পাশাপাশি রাস্তাঘাটের বেহাল অবস্থা, শিক্ষার অনগ্রসরতা এবং চিকিৎসাসেবার অভাব আমাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। উন্নয়নের অনেক প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবে তার সুফল আমরা পাচ্ছি না।

অন্যদিকে, অতীতে ভিজিডি কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগও ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, খাদ্য সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না গেলে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

এলাকাবাসীর দাবি, দুর্গম গালেংগ্যা ইউনিয়নসহ রুমা উপজেলার পিছিয়ে পড়া জনপদগুলোতে শিক্ষা, যোগাযোগ, সুপেয় পানি, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।

তাদের মতে, সরকারি নজরদারি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে এসব এলাকার মানুষের জীবনমানের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সম্ভব।

এ্যাড. দীপেন দেওয়ান মন্ত্রীত্ব পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২ জুন, ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
রামগড়ে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ পত্র প্রজ্ঞাপনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে গৃহীত হলে বা জমা দিলে তা পুনঃবহালের দাবি জানান বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপি। তিনি পদত্যাগ করতে পারেন না বলেও এমন তীব্র প্রতিবাদ জানান। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০ টায় বাজার প্রাঙ্গণে এই প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক জয়সিন্ধু চাকমা নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক ধনমনি চাকমা এবং যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও কর্ণধার শান্তি রায় চাকমা (রায়ধন)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক দীলিপ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. মামুন, তাঁতী দলের সভাপতি মো. কামাল, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মিলন চাকমা এবং বিএনপির ইমন চাকমাসহ অন্যান্য  অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

বক্তারা বলেন, দীপেন দেওয়ান একজন সৎ, সাহসী, শিক্ষিত এবং বলিষ্ঠ নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তি। অন্যায়কে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। বিগত ১২ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে যা স্মরণীয়। জনসমর্থন থেকে শুরু করে দলমত নির্বিশেষে সকলের জনপ্রিয় ও প্রিয়পাত্র ছিলেন। কিন্তু কিছু কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্র ও ভুল সিদ্ধান্ত এবং ভুল মেসেজের কারণে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থতা দেখিয়ে নিজেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। যা ছিলো ইচ্ছার বাইরে। এত বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ায় উপজেলা বিএনপি কোনো ভাবে মানতে পারছে না। তাই সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

×