| ৩১ মে ২০২৬
শিরোনাম:

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনী সাবজোন কর্তৃক হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনী সাবজোন কর্তৃক হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন

 

বিশেষ প্রতিবেদক:

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় এবং রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডারের তত্ত্বাবধানে রাজস্থলী আর্মি ক্যাম্পে হেডম্যান ও কারবারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন রাজস্থলী সাব-জোন কমান্ডার ক্যাপ্টেন ইজাজ আহমেদ সাকিব। সম্মেলনটি নিয়মিত মাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। সাব-জোন কমান্ডার স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রয়োজন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত হন।

সভাপতির বক্তব্যে ক্যাপ্টেন ইজাজ আহমেদ সাকিব রণজয়ী আটত্রিশ দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন। তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে অবদান রেখে চলেছে। তিনি বলেন, কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সাথে আরও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন বলেন, “আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই। পাহাড়ের দুর্গম এলাকার মানুষ যারা এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি, তাদেরকে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক সুবিধার আওতায় আনার জন্য আমরা কাজ করছি। ভবিষ্যতেও এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।” এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী সাব-জোনের কর্মরত জেসিও ওয়ারেন্ট অফিসার তৌহিদ, ১নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ২নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৪ জন ওর্য়াড মেম্বার, ৫ জন হেডম্যান ও ৫৩ জন পাড়া কারবারী।

এছাড়াও স্থানীয় প্রিন্ট ইলেকট্রনিকস গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের শেষ আশ্রয়ও গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনী সাবজোন কর্তৃক হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

দেশের ভিতর আরেক দেশ খ্যাত চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় কোনো সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু বা অপরাধী চক্রের অভয়ারণ্য থাকতে দেয়া হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অপরাধী চক্রের সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ আর দেয়া হবে না।

রবিবার (৩১ মে)২৬খ্রিঃ জঙ্গল সলিমপুর এলাকা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিগত বছরগুলোতে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে অপরাধী গোষ্ঠীর আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। জঙ্গল সলিমপুর তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রামে সংঘটিত কয়েকটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ব্যবসায়ীদের বাসভবনে হামলা এবং চাঁদাবাজির ঘটনার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়। তিনি জানান, গত ৯ মার্চ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে পরিচালিত যৌথ অভিযানে জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের গড়ে তোলা সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে দেয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা, পাহারা ও অবৈধ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মাধ্যমে এলাকায় যে সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছিল, তা অনেকাংশে ধ্বংস করা সম্ভব হয়েছে। তবে তথ্য ফাঁসের কারণে কিছু ক্ষেত্রে মূল লক্ষ্য অর্জনে বাধা সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, এর পেছনে কারা জড়িত এবং কারা ইন্ধন যুগিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ভূমিদস্যু ও অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা বিভিন্ন কারণে এ এলাকায় বসতি স্থাপন করেছেন, তাদের আপাতত উচ্ছেদের কোনো পরিকল্পনা নেই। প্রকৃত বাসিন্দাদের জন্য টেকসই পুনর্বাসন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, জঙ্গল সলিমপুরকে মূলধারার যোগাযোগ ব্যবস্থার আওতায় আনতে আধুনিক সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সলিমপুর ইউনিয়নের সঙ্গে সীতাকুণ্ড, ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ, বিজিবি, র্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়েও কাজ চলছে। তিনি জানান, বায়েজিদ লিংক এলাকার খাস জমিতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের দীর্ঘদিনের ঝুলে থাকা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুধু জঙ্গল সলিমপুর নয়, বেতুয়া ও চা বাগানসহ আশপাশের অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলো থেকেও সন্ত্রাসীদের স্থায়ীভাবে নির্মূল করা হবে। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

ঈদের আনন্দে বান্দরবানে চতুর্থ দিনে পর্যটকের ভিড়।

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনী সাবজোন কর্তৃক হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন

মো.আলম; বান্দরবান প্রতিনিধি:

কোরবান ঈদের ছুটির শেষ দিনে বান্দরবানের পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে কিছুটা বেড়েছে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি।

রোববার (৩১ মে) সকাল থেকেই বিভিন্ন পর্যটন স্পট, বিনোদন কেন্দ্র ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঘেরা এলাকাগুলোতে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে অনেকেই শেষ মুহূর্তে ঘুরতে বের হয়েছেন

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ছুটির শুরুতে তুলনামূলক কম পর্যটক এলেও শেষ দিনে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং পরিবহন খাতেও কিছুটা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

পর্যটকদের অনেকে জানান, কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে স্বল্প সময়ের অবকাশ কাটাতে তারা বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে এসেছেন। তবে ভিড় বাড়ায় কিছু এলাকায় যানজট ও পার্কিং সমস্যারও সৃষ্টি হয়েছে।

হোটেল ব্যবসায়ীরা জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ছুটির শেষ দিন হওয়ায় সন্ধ্যার পর পর্যটকদের ফেরার চাপ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সকাল থেকে দিনে প্রায় ৩০০ ঊর্ধ্বে চান্দের গাড়ি ছেড়ে গিয়েছে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে। বেশিরভাগ দেবতাখুম, নীলাচল, শৈলপ্রপাত আর চিম্বুক কেন্দ্রে। আর হোটেল মোটেল ৯০ শতাংশ বুকিং হয়েছে। সবচেয়ে আকর্ষণ চাঁন্দের গাড়িতে। খোলা আকাশের নিচে হইহুল্লোড় করে ছুটে যাচ্ছেন পর্যটকরা।

চাঁদের গাড়ি ও মাইক্রোবাস সমিতি টিকিট কাউন্টার কামাল জানান, সকাল থেকে স্টেশন থেকে গাড়ি ছেড়ে গেছে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০টা।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দে বলেন, ‘ছুটির শেষ দিনেও প্রতিটি স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আশা করছি নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে ঘুরে নিজ গন্তব্য ফিরে যেতে পারবেন পর্যটকরা।’

ঝড়ে গাছের ডাল ভেঙে ঘরের ওপর, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন বৃদ্ধ জিংআলহ্ বম

রাজস্থলীতে সেনাবাহিনী সাবজোন কর্তৃক হেডম্যান-কারবারী সম্মেলন

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের সময় ঘরের ওপর বড় আকৃতির গাছের ডাল ভেঙে পড়লেও অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেন ৮১ বছর বয়সী জিংআলহ্ বম। ঝড়ে তাঁর বসতঘর ক্ষতিগ্রস্থের পাশাপাশি বাগানের আম ও অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) সকাল ১০টার দিকে রুমা সদর ইউনিয়নের এডেন রোড পাড়ায় নিজ বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ঘটনার বর্ণনা দেন জিংআলহ্ বম। তিনি জানান, ঝড়ের একদিন আগে পাশের বাড়ির এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মারা যান। প্রতিবেশী হিসেবে তিনি মৃত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে লাশের পাশে বসে ছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নিজ ঘরের দিকে রওনা দেন। বয়সের কারণে লাঠির সাহায্যে হাঁটতে হাঁটতে তাঁর ঘরে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগে।

জিংআলহ্ বম বলেন, ঘরের বারান্দায় পা দিয়ে ভেতরে ঢুকার মুহূর্তেই বিকট শব্দে একটি বড় আমগাছের ডাল ভেঙে ঘরের ছাদের ওপর পড়ে। ডালটি আমার কানের পাশ ঘেঁষে পড়ে। মনে হয়েছিল ঘরটি ভূমিকম্পের মতো কেঁপে উঠছে। ঈশ্বরের দোয়ায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছি। আর কয়েক সেকেন্ড আগে হলে হয়তো আমিও লাশ হয়ে যেতাম।

স্থানীয়রা জানান, ওই দিনের প্রবল ঝড়ে রুমার বিভিন্ন এলাকার বাগানের আম ও অন্যান্য ফল-ফসল ব্যাপকভাবে ঝরে পড়ে। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জিংআলহ্ বমের ঘরের একপাশের ছাদ গাছের ডাল পড়ে দেবে গেছে। পরে পাড়াবাসীর সহযোগিতায় ডালটি সরিয়ে ফেলা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত ছাদ এখনো মেরামত করা হয়নি। রুমা সদর ইউনিয়নের এডেন রোড পাড়ার বাসিন্দা ও পাড়া প্রধান (কারবারি) জিংআলহ্ বম বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন। তাঁদের ছেলে-মেয়েরা বিয়ে করে আলাদা সংসার গড়েছেন। বার্ধক্যে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বাগানের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, ঝড়ে বাগানের আমসহ বিভিন্ন ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ঘরও ভেঙে গেছে। ঘর মেরামতের জন্য ঢেউটিন প্রয়োজন। কিন্তু কোথা থেকে পাব বুঝতে পারছি না। বয়সের কারণে ঠিকমতো হাঁটতেও পারি না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছেও যেতে পারছি না। কেউ যদি মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে ভাঙা ঘরটি মেরামত করতে পারব।

স্থানীয়দের দাবি, ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই বৃদ্ধ দম্পতির পাশে দাঁড়াতে সরকারি ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঘর মেরামতের সহায়তা প্রদান করা হলে শেষ বয়সে নিরাপদ আশ্রয়ে বসবাস করতে পারবেন তারা।

×