সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:

হালদা ও কর্ণফুলী নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবীদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬, ২:০৩ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
হালদা ও কর্ণফুলী নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবীদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

হালদা নদী ও এর সাথে সংযুক্ত কর্ণফুলী নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র রক্ষা এবং মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবীদের নিয়ে এক উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে “হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্রের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২য় পর্যায়)”-এর আওতায় এই সভার আয়োজন করা হয়। মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রামের অর্থায়নে অনুষ্ঠানটি বাস্তবায়ন করে কাপ্তাই সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।

​কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  রাঙ্গামাটি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।

​উদ্বুদ্ধকরণ সভায় বক্তারা হালদা ও কর্ণফুলী নদীর মৎস্য সম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র হালদা নদী এবং এর সাথে সংযুক্ত কর্ণফুলী নদীর জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। মা মাছ রক্ষা, পোনা নিধন রোধ এবং নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে মৎস্যজীবীদের সচেতন হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। বক্তারা মৎস্য সম্পদ রক্ষায় প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলে সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

​কাপ্তাই সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোঃ এরশাদ বিন শহীদের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই সাবেক চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আহসান হাবীব, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, কাপ্তাই সহকারি তথ্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, সভায় স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার (ইউপি সদস্য), গণমাধ্যমকর্মী এবং বিপুল সংখ্যক মৎস্যজীবী অংশ নেন। উপস্থিত মৎস্যজীবীরা নদী ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং প্রশাসনের সকল নির্দেশনাবলী মেনে চলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

দীঘিনালায় পিসিপি’র কলেজ ও থানা কমিটির যৌথ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬, ২:৪৭ পিএম
হালদা ও কর্ণফুলী নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবীদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা প্রতিনিধি :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় পিসিপির কলেজ ও থানা কমিটির কাউন্সিল সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১৫ জুন দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে স্থানীয় দলীয় কার্যলয়ে যৌথ কাউন্সিল অনুষ্টিত হয়।

অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন পার্বত্য চট্রগ্রাম জন সংহতি সমিটির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক বাঘাইছড়ি উপজেলার চেয়ারম্যান সুর্দশন চাকমা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন প্রত্যয় চাকমা সাংগঠনিক সম্পাদক জন সংহতি সমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি, প্রিতীময় চাকমা জনসংহতি সমিটি কেন্দ্রীয় কমিটি, সমির চাকমা সাংগঠনিক সম্পাদক দীঘিনালা থানা শাখা। অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন বিবেক চাকমা সভাপতি পিসিপি দীঘিনালা থানা কমিটি। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি সুজন চাকমা, হিলউইমেস্ন ফেডারেশমের জেলা কমিটির আহ্বায়ক মায়া চৌধুরী, যুব সমিটির দীঘিনালা থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রহেল চাকমা, ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেস চাকমা, ২নং বোয়ালখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা ও বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শতাধিক ছাত্র/ছাত্রী উপস্তিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা সংগঠনের আদর্শ, সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। তারা পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, উন্নয়ন এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুর্দশন চাকমা বলেন, পাহাড়ে কেবল শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই স্থায়ী শান্তি ফিরে আসতে পারে। তিনি বলেন, শান্তিচুক্তি পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার অন্যতম ভিত্তি।

তিনি নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। নতুন নেতৃত্বের প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে চুক্তি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে এবং পাহাড়ে শান্তি ও
উন্নয়নের ধারা সুসংহত হবে।

কাউন্সিলে কুজেন্দ্র মল্লিকা কলেজ শাখার রুবেল চাকমাকে সভাপতি, জ্ঞান জ্যোতি চাকমাকে সাধারন সম্পাদক ও সতেশ চাকমা সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

দীঘিনালা সরকারি ডিগ্রী কলেজ শাখার সুশীল চাকমাকে সভাপতি, পুর্ণ চাকমাকে সাধারন সম্পাদক ও পুর্ণ লক্ষন চাকমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ বিশিষ্ট সদস্য কমিটি গঠন করা হয়।

দীঘিনালা থানা কমিট সুবরণ চাকমাকে সভাপতি, জয় চাকমাকে সাধারন সম্পাদক ও সুমন চাকমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

নবাগত কমিটিকে শপথ বাক্য করান খাগড়াছড়ি জেলা কমিটির সহসাধারন সম্পাদক সুকেশ চাকমা।

কাপ্তাইয়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬, ১:০৮ পিএম
হালদা ও কর্ণফুলী নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবীদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​কাপ্তাই উপজেলায় ‘ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফর সাসটেইনেবল বাংলাদেশ’ (ওয়াইডিএসবি) প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষ ‘কিন্নরী’তে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​সভায় স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা, হেডম্যান, সাংবাদিক এবং স্থানীয় ইয়ুথ গ্রুপের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। এতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকট এবং পার্বত্য অঞ্চলের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

​কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: রায়হানুল ইসলাম সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ওয়াইডিএসবি’র নির্বাহী পরিচালক তাহহীদ ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ওমর ফারুক রনি, উপজেলা কৃষি অফিসার মো: আহসান হাবীব, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন এবং মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রিনি চাকমা।

​সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। পার্বত্য অঞ্চলে এর প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হার বৃদ্ধি, তীব্র পানি সংকট, ভূমিধস এবং কৃষিখাতে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এই সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম জোরদার করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

​বক্তারা আরও বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি। পাহাড়ি অঞ্চলে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বৃদ্ধি, পানি সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার আহ্বান জানান তারা।

​পরিশেষে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

বাঘাইছড়িতে অভিযানে ৪৬ কেজি অবৈধ মাছ জব্দ, নিলামে বিক্রি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
হালদা ও কর্ণফুলী নদীর মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাপ্তাইয়ে মৎস্যজীবীদের নিয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা অনুষ্ঠিত

 

আনোয়ার হোসেন, 
বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি- :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে কাপ্তাই হ্রদে চলমান সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে আহরিত প্রায় ৪৬ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছ জব্দ করেছে মারিশ্যা উন্নয়ন কর্পোরেশন। এ সময় অভিযানে নৌপুলিশও অংশ নেয়।‎‎

সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার উগলছড়ি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মাছগুলো জব্দ করা হয়।

‎‎সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কাপ্তাই হ্রদে কার্পজাতীয় মাছের নিরাপদ প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বর্তমানে সব ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। তবে কিছু অসাধু মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ী এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গোপনে মাছ শিকার ও বিক্রি করে আসছিল।‎‎জব্দকৃত মাছ দ্রুত নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা এবং সরকারি সম্পদের অপচয় রোধে তাৎক্ষণিকভাবে জনসম্মুখে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করা হয়।

মারিশ্যা উন্নয়ন কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নিলামে মাছগুলো বিক্রি করা হয়। নিলাম থেকে প্রাপ্ত ৭ হাজার ৯৭০ টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

‎‎মারিশ্যা উন্নয়ন কর্পোরেশনের (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা সন্তোষ চন্দ্র হালদার বলেন, “মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রজনন মৌসুমে মাছের নিরাপদ বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যারা আইন অমান্য করে মাছ শিকার, পরিবহন কিংবা বিক্রির চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।”‎তিনি আরও জানান, কাপ্তাই হ্রদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে

×