বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

দীঘিনালায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সচেতন যুব সমাজের সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ১২:০১ পিএম
6 বার পড়া হয়েছে
দীঘিনালায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সচেতন যুব সমাজের সংবাদ সম্মেলন

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং এলাকায় কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে তা প্রত্যাহার এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মঙ্গলবার ৭ জুলাই রাট ৮ টার সনয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্থানীয় সচেতন যুব সমাজ।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি এক কিশোরকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করতে এলাকার কয়েকজন যুবক সহযোগিতা করেন। কিন্তু পরে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি উল্টো তাদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে অপরাধ প্রতিরোধে এগিয়ে আসা সাধারণ মানুষ নিরুৎসাহিত হবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তাদের দাবি, মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে এবং নির্দোষ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো ভিত্তি পাওয়া যাবে না। তাই সুষ্ঠু তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মেরুং এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক, যৌন অপরাধ ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং এক কিশোরকে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনাটিও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। পাশাপাশি মাদক ও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে সচেতন যুব সমাজের পক্ষ থেকে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—কিশোর নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা প্রদান, যুবকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রত্যাহার, মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পুনঃতদন্ত এবং মেরুং এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান জোরদার করা।

সংবাদ সম্মেলনে মেরুং এলাকার সচেতন যুব সমাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা আইনের শাসনে বিশ্বাসী এবং কোনো অপরাধীকে রক্ষা করার পক্ষে নন। তবে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মানবাধিকার সংশ্লিষ্টদের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

ঝুঁকিপূর্ণ বসতি, অচল জীবন: কাপ্তাইয়ে ঝিরির ঢল ও পাহাড় ধসের আতঙ্ক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম
দীঘিনালায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সচেতন যুব সমাজের সংবাদ সম্মেলন

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোটখাটো পাহাড় ধস, গাছ উপড়ে পড়া ও বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসকারী পরিবারগুলো চরম আতঙ্ক ও নির্ঘুম রাত পার করছেন। উপজেলার বড়ইছড়ি মারমা পাড়ায় পাহাড় ধসে সুইচিং উ মারমার বসতঘরের একাংশের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছে পরিবারটি।

সুইচিং উ মারমা জানান, পরিবারের সবাই চরম আতঙ্কে আছেন। পাহাড়ের আরও বড় অংশ ধসের আশঙ্কায় দ্রুত প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন তিনি। অন্যদিকে, ব্যাঙছড়ি মুসলিম পাড়ায় মো. নুরুল আলমের পরিবারসহ আরও অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন। টানা চার দিনের বৃষ্টিতে বাড়ির পাশে প্রবহমান প্রাকৃতিক ঝিরিটি ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। ঝিরির প্রবল তোড়ে নুরুল আলমের রান্নাঘর ও টয়লেটের মাটি ধসে যাচ্ছে এবং ঝিরির পাড়ের খুটি বা পিলারগুলো ভেঙে পড়ছে।

এছাড়াও তার বাড়ির উপরে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে এবং পাশে থাকা ৪০-৫০ বছরের পুরনো বিশাল একটি গাছ যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তার পরিবার নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। টানা বৃষ্টির ফলে রাইখালী, চন্দ্রঘোনা, ওয়াগ্গা ও চিৎমরমসহ বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে। গতকাল কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের বালুচর এলাকায় পাহাড় ধস ও গাছ পড়ে ৭ ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আজ একই এলাকায় পুনরায় গাছ পড়ে সড়ক বাধাগ্রস্ত হলে নৌবাহিনী ও বন বিভাগের যৌথ প্রচেষ্টায় তা অপসারণ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপ্তাই ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুনুর রহমান। ​দুর্যোগ মোকাবিলায় কাপ্তাই উপজেলা প্রশাসন বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিং করে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যারা এখনো ঝুকিপূর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করছেন, তাদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত প্রশাসনের নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড় ধসের ঝুঁকি আরও বাড়বে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি দ্রুত প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

টানা বৃষ্টিতে কাপ্তাইয়ে পাহাড় ধসের আতঙ্ক: প্রাণহানি এড়াতে খোলা হলো ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ পিএম
দীঘিনালায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সচেতন যুব সমাজের সংবাদ সম্মেলন

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​টানা চার দিনের অবিরাম ভারী বর্ষণে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় পাহাড় ধসের তীব্র ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ইতিমধ্যে ছোট-বড় পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রাণহানি এড়াতে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অব্যাহত বৃষ্টিপাতে কাপ্তাই ইউনিয়নের ঢাকাইয়া কলোনি, ব্যাঙছড়ি মুসলিম পাড়া, বরইছড়ি মারমা পাড়াসহ চন্দ্রঘোনা ও ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় পাহাড় ধসের খবর পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার কর্ণফুলী কলেজ এলাকায় পাহাড় ধসে ফরহাদ ইসলাম ছোটন (৫) ও আরিয়ান ইসলাম জোহান (১০) নামের দুই শিশু আহত হয়েছে। একইদিন বালুচর এলাকায় পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে প্রায় সাত ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

​২০১৭ সালের ১৩ জুন কাপ্তাইয়ে ভয়াবহ পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যুর ঘটনাটি এখনো জনমনে আতঙ্ক হিসেবে রয়ে গেছে। সেই ট্র্যাজেডির পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসন এবার কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ। এ লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য উপজেলায় মোট ২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক পরিবার এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া শুরু করেছে।

কর্ণফুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কর্ণফুলী স্টেডিয়াম, কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয়, মিতিঙ্গাছড়ি পাড়া কেন্দ্র, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, খ্রিষ্টিয়ান মিশন হসপিটাল ক্লাব, ডলুছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নারানগিরি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রাইখালী রিফিউজি পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কারিগরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছংড়াছড়ি আবাসিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিৎমরম ইউনিয়ন পরিষদ, চিৎমরম চাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিৎমরম উচ্চ বিদ্যালয়, কাপ্তাই বিএফআইডিসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওয়াগ্গা মুরালীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ওয়াগ্গা সড়ক ও জনপদ অফিসার রেস্ট হাউস এবং ওয়াগ্গা শীলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

​এদিকে, দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে পাহাড়ের ওপরের ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো দ্রুত টেন্ডারের মাধ্যমে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “আমরা সার্বক্ষণিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। ২০১৭ সালের মতো কোনো মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুত আছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থানকারীদের প্রতি অনুরোধ—প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দ্রুত নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসুন। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ গাছ অপসারণের বিষয়টিও আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি।”​দুর্যোগকালীন যেকোনো প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

টানা বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৩ পিএম
দীঘিনালায় মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সচেতন যুব সমাজের সংবাদ সম্মেলন

 

​সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়িতে টানা ভারী বর্ষণের ফারুয়া ইউনিয়নে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে বলে জানান উপজেলা বিএনপির সহ – সভাপতি শামসু তঞ্চঙ্গ্যা। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে তিনি  বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন । তিনি আরও জানান, এলাকা গুলো হলো – তক্তানালা, ওড়াছড়ি, যমুনা ছড়ি,যামু ছড়া, শুক্কর ছড়ি, চাইন্দা,আলেচং, রোয়াপড়া ছড়া, এগুজ্যাছড়ি, ঝাংবিল, ফারুয়া বাজার, উলুছড়ি, তাড়াছড়ি, চাইন্দা পাড়া, গোয়াইনছড়ি পাড়া সহ বেশকিছু এলাকা। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়াও যমুনা ছড়ির রবার্ট বম জানান, তাদের গীর্জায় বানের পানি ডুকেছে পড়েছে। এবং ঘরবাড়িতেও। অনেক ক্ষতি হয়েছে।

 

নির্ভরযোগ্য সূত্রে আরও জানা গেছে, অনেক ঘরবাড়ি, মদজিদ, গীর্জা এবং পাড়াকেন্দ্রে পানি ডুকে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ মানুষ, কাজে বের হতে পারছেনা নিম্ন আয়ের মানুষ। বিশুদ্ধ পানির সংকট হয়ে পড়েছে এলাকা গুলো, পানিবাহিত রোগ দেখা দিতে পারে। প্রবল স্রোত হওয়ায় যাতায়াত ও যোগাযোগে চরম অসুবিধা হচ্ছে। ক্ষয়-ক্ষতি পরিমাণ এখন নিরুপন করা সম্ভব হয়। আরো কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত হলে তলিয়ে যাবে ঐ এলাকাগুলো। সুদৃষ্টির প্রয়োজন প্রশাসন ও মন্ত্রণায়ের।

×