বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

তুখোড় ছাত্রনেতা ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহাদাত আলী বাবা আর নেই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫১ পিএম
13 বার পড়া হয়েছে
তুখোড় ছাত্রনেতা ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহাদাত আলী বাবা আর নেই

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই প্রতিনিধি :

চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদের এলাকার বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, তুখোড় ছাত্রনেতা ও সমাজসেবক মুহাম্মদ শাহাদাত আলীর বাবা হারুন রশীদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর এই প্রয়াণে ফতেয়াবাদসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুম হারুন রশীদ চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন মরহুম আব্দুল মজিদ শাহ (রাঃ)। বর্ণাঢ্য ও কর্মমুখর জীবনে তিনি স্ত্রী, চার পুত্র ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও আত্মীয়স্বজন রেখে গেছেন। এলাকার শিক্ষা, সমাজসেবা ও মানবকল্যাণমূলক নানা কর্মকাণ্ডে তাঁর পরিবার সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে আছে।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ফতেয়াবাদ আদর্শ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় তাঁর আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ীসহ সর্বস্তরের হাজারো মানুষ অংশ নিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়।

​পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। মহান রাব্বুল আলামিন যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দান করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই গভীর শোক কাটিয়ে ওঠার অটল শক্তি দেন—এটাই সকলের একান্ত প্রার্থনা।

দীঘিনালায় আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
তুখোড় ছাত্রনেতা ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহাদাত আলী বাবা আর নেই

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও অ্যালকোহল সেবনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় অল্প পরিমাণ ভদকা, গলিত ইয়াবার আলামতসহ ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী বাজারের ‘হোটেল একতা ইন’-এর তৃতীয় তলার ৩০৭ নম্বর কক্ষে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন খাগড়াছড়ির সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন। অভিযানে দীঘিনালা থানা পুলিশ সহযোগিতা করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মোঃ বাবুল মিয়া ওরফে বাবলু (৩৩), আব্দুর রহিম (২৪) এবং মোঃ শরীফুল ইসলাম ওরফে শরীফুল আলম (৩৩)। তারা দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় একটি ৩৭৫ মিলিলিটারের বোতলে আনুমানিক ১০ মিলিলিটার ভদকা, গলিত ইয়াবাসহ চারটি ফয়েল পেপার, গলিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন রঙের ১০টি বোতলের ছিপি, মাদক সেবনের তিনটি পাইপ, পাঁচটি লাইটার এবং মাদক সেবনে ব্যবহৃত পাঁচ টাকার একটি নোট উদ্ধার করা হয়।

পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রস্তুত করা জব্দ তালিকার ভিত্তিতে এবং তাঁর আদেশ অনুযায়ী গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে দীঘিনালা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

দীঘিনালা থানার এফআইআর নং-০১, তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার টেবিল ১৬ ও টেবিল ২৫-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়। মামলার তদন্তভার এসআই প্রাণতোষ বণিকের ওপর অর্পণ করা হয়েছে।

ভূমিদস্যু শাহ আলমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১১ পিএম
তুখোড় ছাত্রনেতা ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহাদাত আলী বাবা আর নেই

 

আবু বককর, লংগদু প্রতিনিধি :

রাংগামাটি জেলার লংগদু উপজেলায় ভূমি দস্যুর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে করেছেন ভূক্তভোগীরা। লংগদু প্রেস ক্লাব হল রুমে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘২৬ইং এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মাইনীমুখ ইউনিয়নের মুসলিম ব্লক গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম পিতা মো: ওবায়দুল হক (মিস্ত্রী) তিনি বিভিন্ন ভাবে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের বাবার সম্পত্তি পরিবারের অন্য কাউকে না দিয়ে জাল দলিল করে আত্মসাৎ করেছেন বলে পরিবারের সদস্য মা নুরবানু বেগম, ভাই নজরুল ইসলাম ও মামুন অভিযোগ করেন। একই মৌজার আঙ্গুরা বেগম স্বামী মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেনের ৩ (তিন) একর চাষিলা জমি জাল দলিলের মাধ্যমে জবর দখল করার চেষ্টা করে, অন্যদিকে শামসুন্নাহার গং এর ৬ (ছয়) একর জমির মধ্যে তার স্ত্রী নুর আক্তারের নামে ৩ (তিন) একর জাল দলিল করে জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা করে।

আরেক ভুক্তভোগী মনোয়ারা বেগমের ৪ (চার) একর চাষিলা জমি জাল দলিল করে জোড় পূর্বক দখলের চেষ্টা করে। অন্য আরেক ভুক্তভোগী আয়ুব আলী নামে রেকর্ডিও ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখল করার চেষ্টা করে। আব্দুল মান্নান নামের রেকর্ডের ১.৫০(এক একর পঞ্চাশ শতক) জমির মধ্যে ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমি জাল দলিল করে দখলের চেষ্টা করে।

অন্যদিকে রাংগামাটি পার্বত্য জেলায় চিকিৎসা ও শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ইবনে সিনা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার লংগদু (রাবেতা) হাসপাতাল।

হাসপাতালের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: সাইফুল ইসলাম বলেন, ইবনে সিনা ট্রাস্ট প্রতি বছর ৫০ থেকে ৬০ লক্ষ টাকা এখানে ভর্তুকি দিয়ে চিকিৎসা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের ০.৫০ (পঞ্চাশ শতক) জমির জাল দলিল করে বিভিন্ন ভাবে উন্নয়ন মুলক কাজের ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।

অভিযুক্ত শাহ আলম ইবনে সিনাসহ সকল ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছে বলে ভুক্তভোগী পরিবার সমুহ অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে দাবি করেন যে ভূমি দস্যু শাহ আলমকে আইনের আওতায় এনে অভিযোগকারী পরিবার ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের ; কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ এএম
তুখোড় ছাত্রনেতা ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহাদাত আলী বাবা আর নেই

“চূড়ান্ত জরুরি সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তি”

 

সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা অফিস :

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল রেখেই সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকল সাংগঠনিক কার্যক্রম বাতিলকরণ করে নতুনভাবে পুর্নগঠনের লক্ষ্য কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি তাৎক্ষণিক এই সিদ্ধান্তে গৃহিত হয়। নিম্নে বিস্তারিত ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর বর্ণনা দেয়া হলো –

বিষয়: ২৩ মে ২০২৫ তারিখের কাউন্সিল-পরবর্তী সকল কমিটি বাতিল, পূর্বের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল, সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং নতুন সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন প্রসঙ্গে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য, কর্মী, সমর্থক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, বৈধতা, ধারাবাহিকতা, ঐক্য ও কার্যক্রমকে সুসংগঠিত রাখার স্বার্থে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে নিম্নোক্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করা হলো।

১। ২৩ মে ২০২৫-এর কাউন্সিল-পরবর্তী সকল কমিটি বাতিল।

গত ২৩ মে ২০২৫ (শুক্রবার) বান্দরবান সদরস্থ নবোদয় সংঘের হলরুমে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা ও কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এবং উক্ত কমিটির অধীনে পরবর্তীতে গঠিত সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এবং অন্যান্য সাংগঠনিক কমিটি ও উপ-কমিটি অদ্য তারিখ থেকে বাতিল, বিলুপ্ত ও অকার্যকর ঘোষণা করা হলো।

উক্ত কমিটিসমূহের কোনো সদস্য, পদধারী বা দায়িত্বশীল ব্যক্তি অদ্য থেকে উক্ত কমিটির পদ-পদবি বা সাংগঠনিক পরিচয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা বা প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

২। পূর্বের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল।

সংগঠনের সাংগঠনিক ধারাবাহিকতা, শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের স্বার্থে পূর্বে গঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি বহাল থাকবে।

পরবর্তী লিখিত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটিই সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সমন্বয়, অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৩। পূর্ববর্তী সকল পদ-পদবি ও সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার বন্ধ

অদ্য থেকে বাতিল বা বিলুপ্ত ঘোষিত কোনো কমিটির—

– আহ্বায়ক
– সদস্য সচিব
– সভাপতি
– সাধারণ সম্পাদক
– সাংগঠনিক সম্পাদক
– সদস্য
– উপদেষ্টা
– সমন্বয়ক
– প্রতিনিধি

অথবা অন্য কোনো পদ-পদবি ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, প্রচার, ঘোষণা বা প্রতিনিধিত্ব করবেন না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম, পোস্টার, ব্যানার, লিফলেট, আমন্ত্রণপত্র, চিঠিপত্র বা অন্য কোনো প্রচারমাধ্যমে বাতিল কমিটির পদ-পদবি ব্যবহার করে সংগঠনের বর্তমান দায়িত্বশীল হিসেবে পরিচয় প্রদানও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না।

৪। অনুমোদনবিহীন কার্যক্রমের সাংগঠনিক স্বীকৃতি থাকবে না।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পূর্বানুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের নামে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী—

ক. সভা, বৈঠক বা মতবিনিময় সভা আহ্বান
খ. সমাবেশ, মিছিল বা কর্মসূচি ঘোষণা
গ. নতুন কমিটি গঠন বা ঘোষণা
ঘ. কোনো ব্যক্তিকে পদায়ন বা দায়িত্ব প্রদান
ঙ. সাংগঠনিক প্রতিনিধি মনোনয়ন;
চ. সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা প্রচার
ছ. সংগঠনের নামে চিঠি, বিবৃতি, বিজ্ঞপ্তি বা প্রেস রিলিজ প্রকাশ
জ. সংগঠনের নামে অর্থ সংগ্রহ বা আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা
ঝ. কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে যোগাযোগ
ঞ. সংগঠনের নাম, লোগো, প্যাড, সিল বা সাংগঠনিক পরিচয় ব্যবহার করতে পারবেন না।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হলে তা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের অনুমোদিত সাংগঠনিক কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে না।

৫। নতুন সাংগঠনিক কাঠামো গঠনের কর্তৃত্ব।

সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হবে।

প্রথম পর্যায়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন ও পুনর্গঠন সম্পন্ন করা হবে।

পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনক্রমে জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হবে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক গঠিত কোনো কমিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের অনুমোদিত সাংগঠনিক কমিটি হিসেবে স্বীকৃত হবে না।

৬। সাংগঠনিক সমন্বয়ের দায়িত্ব।

সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে কার্যকর, গতিশীল ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব প্রকৌশলী দিপু বড়ুয়াকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদানের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে।

তিনি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও অনুমোদন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য ও কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

তবে কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদিত সিদ্ধান্তের পরিপন্থী হতে পারবে না।

৭। সাংগঠনিক যোগাযোগ ও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সমন্বয়।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর সংগঠনের সাংগঠনিক যোগাযোগ, নতুন কমিটি গঠন, দায়িত্ব বণ্টন, কর্মসূচি গ্রহণ, সাংগঠনিক প্রতিনিধি মনোনয়ন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক কার্যক্রম কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদিত সমন্বয় ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সংগঠক ও কর্মীরা সাংগঠনিক বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পূর্বে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করবেন।

সাংগঠনিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত উদ্যোগ, পৃথক কমিটি বা সমান্তরাল সাংগঠনিক কাঠামো সৃষ্টি থেকে সকলকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।

৮। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের বিষয়ে সতর্কীকরণ।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা ও অনুমোদন অমান্য করে কেউ সংগঠনের নাম, পদ-পদবি, লোগো, প্যাড, সিল, পরিচয় বা সাংগঠনিক কাঠামো ব্যবহার করে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা ব্যক্তিগত দায় ও দায়িত্বে সংঘটিত কার্যক্রম হিসেবে বিবেচিত হবে।

এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির কোনো সাংগঠনিক অনুমোদন বা দায় থাকবে না।

প্রয়োজনে সংগঠনের সাংগঠনিক স্বার্থ, নাম, পরিচয় ও সম্পদ সুরক্ষার জন্য প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি সংরক্ষণ করে।

৯। বিভ্রান্তিকর প্রচার ও সাংগঠনিক পরিচয়ের অপব্যবহার নিষিদ্ধ।

কেউ যদি বাতিল কমিটির পদ-পদবি ব্যবহার করে নিজেকে সংগঠনের বর্তমান দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে পরিচয় দেন, সংগঠনের নামে বক্তব্য প্রদান করেন, কমিটি ঘোষণা করেন অথবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন, তাহলে তা সংগঠনের অনুমোদিত বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে না।

সকল নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও কর্মীদের প্রতি অনুরোধ করা হচ্ছে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত অনুসরণ করুন।

১০। চূড়ান্ত সাংগঠনিক নির্দেশনা।

এই বিজ্ঞপ্তি জারির পর পূর্ববর্তী সাংগঠনিক কাঠামো ও পদ-পদবি সংক্রান্ত বিভ্রান্তির অবসান ঘটবে।

কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ব্যতীত পূর্বে গঠিত সকল কমিটি বাতিল ও অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হবে।

নতুন কমিটি গঠন, পদায়ন, সাংগঠনিক দায়িত্ব প্রদান এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সিদ্ধান্ত ও অনুমোদনক্রমে সম্পন্ন হবে।

পরবর্তী কোনো বিজ্ঞপ্তি বা লিখিত সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনাসমূহ কার্যকর থাকবে।

১১। সকলের প্রতি আহ্বান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সদস্য ও কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো যাচ্ছে যে, ব্যক্তিগত মতপার্থক্য, বিভ্রান্তি, ভুল বোঝাবুঝি ও অভ্যন্তরীণ বিরোধ পরিহার করে সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে ঐক্য, শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান, দায়িত্বশীলতা ও সাংগঠনিক আনুগত্য বজায় রাখুন।

সংগঠনের ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও নতুন কমিটি গঠনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি যথাসময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।

এই বিজ্ঞপ্তি সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জারি করা হলো এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

আদেশক্রমে বাবু লুসাই মং প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

বার্তা প্রেরক

প্রকৌশলী নিউটন চাকমা
যুগ্ম আহবায়ক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্ট
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি।

×