পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত সরকারের উচ্চ পর্যায়ের তিন কমিটি গঠন এবং সামরিকায়ন বৃদ্ধির আশংকায় নাগরিক সমাজের গভীর উদ্বেগ
যৌথ বিবৃতি
ছবি- প্রতীকি
সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
আজ ১৪ সেপ্টেম্বর রোজ সোমবার পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি-বাঙ্গালীর মধ্যে স্থায়ী শান্তি বিরাজ ও পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীদের সুষ্ঠু পরিবেশে বসবাস করা, পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের ধারা-উপধারাসহ সবধরনের চুক্তি মোতাবেক পার্বত্য এলাকায় স্থায়ী শান্তিতে বসবাস করার লক্ষ্য উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সমাধানের জন্য বিএনপি সরকারের প্রতি ৫২ জন নাগরিক স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবাদ স্বরূপ যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। তা হুবহু তুলে ধরা হলো-
অতিসম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা নিরসনের নামে নতুন করে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি’ এবং ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি’ ও ‘ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি’ গঠনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদের দীর্ঘদিনের সমস্যা জিয়িয়ে রেখে অধিকতর সামরিকায়নের মাধ্যমে পাহাড়ীদের দমন পীড়নের পথ উন্মুক্ত করার প্রচেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়ে ৫২ জন নাগরিক নিম্নোক্ত বিবৃতিতে প্রদান করেছেন।
“আমরা সকলে অবগত আছি যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা একটি জাতীয় ও রাজনৈতিক সমস্যা। পাহাড়ের আদিবাসীদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার সুরক্ষার দাবির বিষয় তোয়াক্কা না করে সেখানে সামরিকায়নের মাধ্যমে দমন পীড়নের পথ বেছে নিয়ে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল বহুদিন ধরে। ষাটের দশকে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ের প্রায় ১ লাখ জনগোষ্ঠীকে উদ্বাস্তু করা হয়েছে। পরবর্তীতে সেনাক্যাম্প স্থাপন ও সম্প্রসারণ পাহাড়ের কৃষি উৎপাদন, জীবনজীবিকা, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, জনমিতি এবং ঐ এলাকার আদিবাসীদের জীবনযাত্রা ব্যপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। যার ফলে আমরা দীর্ঘ দুই যুগেরও অধিক সময় সশস্ত্র সংঘাত দেখেছি। সেই সংঘাতে সামরিক বেসামরিক বহু মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং নিপীড়নের শিকার হয়েছেন বহু নিরীহ আদিবাসী ব্যক্তি ও পরিবার। বিভিন্ন সরকারের সাথে ধারাবাহিক ২৬ বার বৈঠকের মাধ্যমে ১৯৯৭ সালে একটি চুক্তিতে উপনীত হওয়া গেলেও সেটি স্বাক্ষরের ২৯ বছর পার হলেও চুক্তির মৌলিক ধারাগুলি বাস্তবায়িত না হওয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ের আদতে কোন সুরাহা হয়নি।
ফলে পাহাড়ের সমস্যার কার্যত কোনো সমাধান এখনো হয়নি। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে একটি গুরুত্বপূর্ণ জোরালো দাবি ছিল- পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী পাহাড় থেকে সেনাশাসন প্রত্যাহার করা। অভ্যুত্থান পরবর্তী অন্তরবর্তীকালীন সরকারের সময়ে ভঙ্গুর আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির মধ্যে পাহাড়ীরা অন্তত দুই বার রক্তক্ষয়ী সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার হয়েছেন। সেখানে কমপক্ষে ৭ জন আদিবাসী প্রাণ হারান এবং মানবাধিকার লংঘনের শিকার হন অনেকেই। এমনি বাস্তবতায় নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি প্রস্তাবিত ‘রেইনবো নেশন’ এর প্রতি আকুন্ঠ সমর্থন জানিয়ে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে পাহাড়ের মানুষ বিএনপি’র প্রতি একচেটিয়া রায় দিয়ে তিন জেলা থেকেই তিনজন বিএনপি প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছেন।
কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি যে, পার্বত্য চুক্তির অবলম্বনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এককভাবে সেই এলাকার কোন প্রতিনিধির উপর ন্যস্ত হবার কথা থাকলেও বাস্তবে সেটা করা হলো না। বিশেষ করে চুক্তিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে মন্ত্রণালয়ে একজন অ-পাহাড়ী প্রতিমন্ত্রী নিযুক্তিতে পাহাড়ের জনসাধারণ আপত্তি জানালেও তাদের বক্তব্যকে আমলেই নেয়া হয়নি।
অধিকন্তু গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ কর্তৃক তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। যার একটিতে প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি, দ্বিতীয়টিতে স্বরাষ্ট্রসচিবকে সভাপতি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি এবং তৃতীয়টিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়। উক্ত কমিটি সমূহের মধ্যে উপরোক্ত দু’টি কমিটিকে সচিবালয় সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সুবিধা প্রদান করবে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)। এটি একটি উদ্দেশ্য প্রনোদিত, নির্লজ্জ ও কর্তৃত্বপরায়ন পদক্ষেপ বলে আমরা মনে করি।
কারণ উপরোক্ত বিশেষ সংস্থার বিরুদ্ধে আদিবাসীদের অধিকার হরণের চালিকাশক্তির ভূমিকা পালনের অভিযোগ ও ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। আশংকা করা যৌক্তিক যে, এর ফলে আদিবাসীদের মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা আরো বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সেনা-শাসন আরও বেশি দমন-পীড়নের রূপে প্রকাশ পাবে । এ সবই বিএনপি’র প্রতিশ্রুত নির্বাচনী ইশতেহারের সাথে যেমন সাংঘর্ষিক, সেইসাথে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক একাধিকবার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়াবে বলে আমরা মনে করি। এর ফলে পার্বত্য তিন জেলার শান্তি, সম্প্রীতি, সংহতি ও স্থিতিশীলতা পুনপ্রতিষ্ঠার পথও রূদ্ধ হবার আশংকা সৃষ্টি হবে।
যদিও কমিটি সমূহের কার্যপরিধির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক পরামর্শক কমিটিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন, নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার জন্য আগামী দুই মাসের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটিকে সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। এই সুপারিশ নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক নির্বাহী কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশলের খসড়া প্রণয়ন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটিকে দেবে। এরপর জাতীয় কমিটি সেই কর্মকৌশল চূড়ান্ত করবে। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র সচিব এর সভাপতিত্বে গঠিত কমিটিকে পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে প্রচলিত আইন, চুক্তির শর্ত ও বিধি-বিধান পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় সংশোধন ও সংস্কার এবং নতুন আইন ও বিধি প্রণয়ণে সুপারিশ প্রদানের কথা বলা হয়েছে। যা আশাজনক বিবেচিত হলেও, গোয়েন্দা ও সেনা কর্তৃত্বের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রনাধীন অবস্থায় উল্লেখিত কার্যাবলী ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’-এর প্রত্যাশা পূরণে কতটুকু সহায়ক হবে আর কতটা সামরিকায়ন নিশ্চিত হবে তা নিয়ে যথেষ্ট আংশকা রয়েছে।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য,পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিতে উপনীত হওয়ার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের (১৯৯১-১৯৯৫) অবদান ছিল অতি তাৎপর্যপূর্ণ ও অনস্বীকার্য। পূর্ববর্তী সরকারের আলোচনার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাথে তৎকালীন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন সরকার (১৯৯১-১৯৯৫) ১৩ বার আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছিল শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে। যা পরবর্তীতে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির রূপ লাভ করে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এটা হয়ে ছিল নেহাতই ঐতিহাসিক সমঝোতা আলোচনার স্বাভাবিক ধারাবাহিকতায়।
কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় সরকারের একটি বিশেষ মহল পার্বত্য বিষয়টিকে সেই প্রেক্ষাপটে বিবেচনায় না নিয়ে আশির দশকের ন্যায় পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে নিরাপত্তার চশমা দিয়ে দেখার চেষ্টা করছে এতে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সামরিকায়ন জোরদারে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও অশান্তিকে উস্কে দেবার অশুভ ছায়া লক্ষ করছি।
আমরা দৃঢ়ভাবে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই যে, অতীতের সরকারসমূহ সামরিক ও বেসামরিক আমলা কর্তৃত্বের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসীদেরকে দমন-পীড়নের মধ্যে রেখে শাসন করার চেষ্টা করেছে। তার বিপরীতে আমরা পেয়েছি সংঘাত, রক্তপাত, বিভেদ এবং বিদ্বেষের চাষ। সেই সংঘাত ও বিভেদ থেকে সরে এসে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হিসেবে ১৯৯৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালে এসেও এ ধরণের সামরিক ও বেসমারিক আমলা কর্তৃত্বের প্রেসক্রিপশনে পার্বত্য সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করাটা হবে সেই উল্টো পথে যাত্রা যা কার্যত শান্তি ও সম্প্রীতির বিপরীতে পুনরায় সংঘাত ও বিদ্বেষের পরিবেশ সৃষ্টিতেই ইন্ধন যোগাবে, যা আমাদের কারোরই কাম্য নয়।
এমতাবস্থায় আমরা সরকারকে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যাকে রাজনৈতিক উপায়ে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষ সমূহের সকল বৈধ প্রতিনিধির সাথে পুনরায় আলোচনা করে কমিটিগুলো গোয়েন্দা-নিয়ন্ত্রনমুক্ত ভাবে পুনর্গঠনসহ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহনের আহ্বান জানাচ্ছি। এবং একই সাথে সদ্য গঠিত কর্তৃত্ববাদী আমলাতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার যে কোন প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকার জোর দাবি জানাই।
বিবৃতিতে যারা স্বাক্ষর করেছেন-
১. আনু মোহাম্মদ, প্রাক্তন অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২. অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, মানবাধিকার কর্মী ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
৩. খুশী কবির, সমন্বয়কারী, নিজেরা করি
৪. শিরীন পারভিন হক, সদস্য, নারীপক্ষ
৫. ড. ইফতেখারুজ্জামান, নির্বাহী পরিচালক, টিআই-বি
৬. আবু সাঈদ খান, লেখক ও সাংবাদিক
৭. অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
৮. শহিদুল আলম, আলোকচিত্রী
৯. শামসুল হুদা, নির্বাহী পরিচালক, এএলআরডি
১০. ড. সুমাইয়া খায়ের, অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১১. ড. সামিনা লুৎফা, অধ্যাপক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১২. ড. জোবাইদা নাসরীন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩. তাসনিম সিরাজ মাহবুব, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪. ড. খাইরুল চৌধুরী, অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫. মাহমুদুল সুমন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৬. ফারহা তানজীম তিতিল, সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
১৭. রেহনুমা আহমেদ, লেখক
১৮. অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
১৯. অ্যাডভোকেট তবারক হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোট
২০. পাভেল পার্থ, লেখক ও গবেষক
২১. ড. ঈশিতা দস্তিদার, নৃবিজ্ঞানী ও গবেষক
২২. সায়দিয়া গুলরুখ, সাংবাদিক ও গবেষক
২৩. এ্যাড. ইমতিয়াজ মাহমুদ, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
২৪. মনিন্দ্র কুমার নাথ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ
২৫. রোজিনা বেগম, গবেষক ও অধিকার কর্মী
২৬. জাকির হোসেন, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ
২৭. এড. সাইদুর রহমান, প্রধান নির্বাহী, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন
২৮. মোঃ আলমগীর কবির, সাধারণ সম্পাদক, বাপা
২৯. সালেহ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন
৩০. হিরণ মিত্র চাকমা, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম
৩১. শাহেদ কায়েস, কবি ও প্রাবন্ধিক
৩২. মিঠুন রাকসাম, কবি, প্রকাশক ও আদিবাসী সংস্কৃতি কর্মী
৩৩. এ্যড. প্রকাশ বিশ্বাস, আইনজীবী ও গল্পকার
৩৪. সাঈদ আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী
৩৫. আবু আহমেদ ফয়জুল কবির, মানবাধিকারকর্মী
৩৬. দীপায়ন খীসা, মানবাধিকার কর্মী
৩৭. ড. হানা শামস আহমেদ, অধিকার কর্মী
৩৮. মুক্তাশ্রী চাকমা, অধিকার কর্মী
৩৯. বিজয় কেতন চাকমা, লেখক
৪০. প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, অব: উপ সচিব
৪১. শিশির চাকমা, কবি ও সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব
৪২. ইন্দু লাল চাকমা, অব: মৎস্য কমকর্তা
৪৩. নব কুমার চাকমা, সমাজকর্মী
৪৪. প্রজ্ঞা জ্যোতি চাকমা, আদিবাসী অধিকার কর্মী
৪৫. সিদ্ধেশ্বর চাকমা, আদিবাসী সমাজ কর্মী
৪৬. প্রবৃত্তি কুমার চাকমা, অব: কর্মচারী ও সমাজ কর্মী
৪৭. উক্রাচিং মারমা, নারী অধিকার কর্মী
৪৮. ডা: মংউষা থোয়াই, বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও লেখক
৪৯. মংথুইপ্রু বাবুল, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক
৫০. তনয়া ম্রো, কবি ও লেখক
৫১. প্রসন্ন কুমার চাকমা, অবঃ প্রধান শিক্ষক ও লেখক
৫২. মো. নুর খান, মানবাধিকার কর্মী
বার্তা প্রেরক,
শামসুল হুদা
নির্বাহী পরিচালক

| ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬













