শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শিরোনাম:

দীঘিনালায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত,; ৩ গোলে এগিয়ে তারাবুনিয়া একাদশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৪ পিএম
5 বার পড়া হয়েছে
দীঘিনালায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত,; ৩ গোলে এগিয়ে তারাবুনিয়া একাদশ

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শনিবার ৩ অক্টোবর দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে মুখোমুখি হয় বাঘাইহাট বামে বাইবাছড়া একাদশ বনাম দীঘিনালা তারা বনিয়া একাদশ।

খেলায় উপস্থিত ছিলেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সহসাধারন সম্পাদক সুকেশ চাকমা, যুব সমিটির দীঘিনালা থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক রহেল চাকমাসহ এলাকার গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গ উপস্তিত ছিলেন।

খেলাকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। নির্ধারিত সময়ে মাঠে গড়ানো ম্যাচে শুরু থেকেই উভয় দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে।

খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে জড়ো হন বিপুলসংখ্যক দর্শক। তাদের করতালি ও উৎসাহ-উদ্দীপনায় পুরো মাঠ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত।

খেলায় বাঘাইহাট বামে বাইবাছড়া একাদশকে ৩/১ গোলে হারিয়ে জয় লাভ করে দীঘিনালা তারা বনিয়া একাদশ।

রাইখালী সিএনজি অটোরিকশা সমবায় সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, সভাপতি বেলাল সম্পাদক মিজানুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৫ পিএম
দীঘিনালায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত,; ৩ গোলে এগিয়ে তারাবুনিয়া একাদশ

 

রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী সিএনজি অটোরিকশা সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৮৮ জন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই সমিতির সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে কেন্দ্রে এসে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন।

নির্বাচন শেষে ভোট গণনায় সভাপতি পদে ৫৪ ভোট পেয়ে বেলাল উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আলী পেয়েছেন ২৪ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোর্শেদ পেয়েছেন ১৭ ভোট।

নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কাপ্তাই উপজেলা সমবায় অফিসার হিমেল দে বলেন, “সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।” এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।

চন্দ্রঘোনা থানার উপপরিদর্শক দুর্জয় বলেন, “নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।”

নির্বাচনে বিজয়ী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নবনির্বাচিত কমিটির কাছে সমিতির সদস্যদের প্রত্যাশা, আগামী তিন বছর তারা সমিতির সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সমিতির কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। নির্বাচনকে ঘিরে সমিতির সদস্যদের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যেও আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃত্বে রাইখালী সিএনজি অটোরিকশা সমবায় সমিতির কার্যক্রম আরও সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হবে।

কাপ্তাইয়ে দীর্ঘ দুই যুগ পর রাইখালী সিএনজি সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন, নেতৃত্বে বেলাল-মিজানুর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০১ পিএম
দীঘিনালায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত,; ৩ গোলে এগিয়ে তারাবুনিয়া একাদশ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার কাপ্তাই উপজেলার রাইখালী অটোরিক্সা সিএনজি চালক সমবায় সমিতি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ ২২ বছর পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় চালক ও ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে একটানা দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। সমিতির মোট ৮৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। স্বতঃস্ফূর্ত এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে সদস্যরা তাদের পছন্দের নেতৃত্ব বেছে নেন।

নির্বাচন শেষে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী বিভিন্ন পদে বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন, সভাপতি: মো: বেলাল উদ্দিন (চেয়ার প্রতীক) — ২৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সহ-সভাপতি: মো: আবুল কালাম (দোয়াত-কলম প্রতীক) — ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক: মো: মিজানুর রহমান (দেওয়াল ঘড়ি প্রতীক) — ৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। কোষাধ্যক্ষ: মো: সাদ্দাম হোসেন (মাইক প্রতীক) — ৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়া সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে বিজয় লাভ করেছেন, মো: ইউনুস (মই প্রতীক) — ৪৪ ভোট পেয়ে প্রথম নির্বাচিত। মো: ইয়াছিন (মোরগ প্রতীক) — ৪৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় নির্বাচিত, মো: পারভেজ হোসেন (প্রজাপতি প্রতীক) — ৩৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় নির্বাচিত, মো: জামশেদ (চশমা প্রতীক) — ৩৩ ভোট পেয়ে চতুর্থ নির্বাচিত, মো: মাসুদ (ডাব প্রতীক) — ৩৩ ভোট পেয়ে পঞ্চম নির্বাচিত।

সংগঠন সূত্রে আরও জানা যায়, রাইখালী অটোরিকশা সিএনজি চালক সমবায় সমিতি লি:-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও পরিচালনা  হিমেল দে সভাপতি হিসেবে এবং নিয়হলা মারমা ও মো: জাহাঙ্গীর আলম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ দুই যুগ পর অনুষ্ঠিত হওয়া এই নির্বাচনকে ঐতিহাসিক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় চালকরা।

নবনির্বাচিত এই কমিটি আগামী দিনে রাইখালী অঞ্চলের সিএনজি চালকদের কল্যাণ, পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রক্রিয়া চালু রাখতে ঐক্যবদ্ধ ভাবে চালকদের সার্থে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

থানচিতে দর্শনীয় স্থানগুলোতে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের নাম ! 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৩৫ এএম
দীঘিনালায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত,; ৩ গোলে এগিয়ে তারাবুনিয়া একাদশ

 

চিংথোয়াই অং মার্মা,
থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

পাহাড়, নদী, ঝিরিঝর্ণা আর বৈচিত্র্যময় নৈসর্গিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ বান্দরবানের থানচিতে পর্যটনের বিস্তার ঘটলেও উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে দর্শনীয় স্থানগুলোর ঐতিহ্যবাহী নাম ও ইতিহাস। প্রতিবছর প্রকৃতির টানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক। তবে পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যাপ্ত নামফলক, তথ্য ও ইতিহাস সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় অনেক স্থান ধীরে ধীরে নতুন ও অনানুষ্ঠানিক নামে পরিচিত হয়ে উঠছে। ফলে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে হারিয়ে যাচ্ছে প্রাচীন নাম, লোককথা ও ইতিহাসের সাংস্কৃতিক পরিচয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব পর্যটনখ্যাত স্থানের ঐতিহ্যবাহী নাম ও নামকরণের ইতিহাস সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেই। নেই কোথাও নামফলক, কোথাও থাকলেও স্থানটির নামের উৎপত্তি বা ইতিহাসের কোনো তথ্য নেই। ফলে পর্যটকেরা স্থানগুলোর প্রকৃত পরিচয় না জেনেই ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঐতিহ্যের নামটির বাংলার অনুবাদ করে নতুন কোনো নাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে সেটিই অনেক সময় প্রচলিত হয়ে উঠছে।

জানা গেছে, ঐতিহ্যবাহী নামগুলো বাংলায় অনুবাদ ও নতুন নামে পরিচিত করতে গিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যের নাম ও পরিচয়। তারমধ্যে ক্রাউ মক্যাহ্ টং বদলে হয়েছে ডিম পাহাড়, ঙাহ্ফাখুং থেকে নাফাখুম, বংড আস্বাং ক্যহলুং থেকে রাজাপাথর এবং ক্যাহপাজ্জা: থেকে বাঘের মুখ—এমন নামকরণে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। পর্যটনখ্যাত পর্যটনসহ বিভিন্ন স্থান ঘিরে রয়েছে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের স্মৃতি, লোককথা ও ইতিহাস। কিন্তু এসব স্থানের নামের উৎপত্তি, স্থানীয় তাৎপর্য কিংবা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সংরক্ষণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে পর্যটনকেন্দ্রের পরিচিতি বাড়লেও হারিয়ে যাচ্ছে সেসব স্থানের নিজস্ব ঐতিহ্যের নাম!

পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, একটি পর্যটনকেন্দ্রের পরিচয় শুধু তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সীমাবদ্ধ নয়। স্থানটির নাম, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অথচ তথ্যভিত্তিক সাইনবোর্ড ও নির্ভরযোগ্য পরিচিতি না থাকায় পর্যটকেরা এসব বিষয়ে জানার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নুমংপ্রু মারমা, মালিরাম ত্রিপুরা ও মংছোহ্রী মারমাসহ অনেকেই জানান, পাহাড়, ঝিরিঝর্ণা ও পর্যটন স্পটগুলোর অনেক নাম পূর্বপুরুষদের সময় থেকেই প্রচলিত। এসব নামের সঙ্গে স্থানীয় ইতিহাস ও স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছে সেসব ইতিহাস তুলে ধরার উদ্যোগ না থাকায় একসময় ঐতিহ্যবাহী নামগুলো হারিয়ে যেতে পারে।

রেমাক্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুইশৈথুই মারমা (রনি) বলেন, পর্যটন স্পটগুলোর ঐতিহ্যবাহী নাম ও স্থানীয় সংস্কৃতি সাইনবোর্ডের মাধ্যমে তুলে ধরে সংরক্ষণ করা গেলে পর্যটকদের কাছে এসব স্থানের সঠিক পরিচিতি ও ইতিহাস তুলে ধরা সম্ভব হবে।

পরিবেশবাদী যুব সংগঠন গ্রীন ভয়েসের পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমন্বয়ক সাচিনু মারমা বলেন, পাহাড়ের পর্যটন স্পটের নাম, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। নাম পরিবর্তন বা বিকৃতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব পর্যটন স্পটগুলোর ঐতিহ্যবাহী নাম সংরক্ষণ ও নামকরণের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, তথ্যসেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থানের দর্শনীয় নাম উল্লেখ করে ছোটআকারে সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী নাম সংরক্ষণে বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করা হবে।

অন্যদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, থানচির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি পর্যটন স্পটে স্থায়ী নামফলক স্থাপনের পাশাপাশি নামের উৎপত্তি, ইতিহাস, সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি বাংলা এবং ইংরেজিতে তুলে ধরা জরুরি। এতে পর্যটকেরা যেমন স্থানগুলোর প্রকৃত পরিচয় জানতে পারবেন, তেমনি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ঐতিহ্য এবং ইতিহাসও সংরক্ষিত থাকবে।

×