কৃষকরাই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি ; সরকার কৃষকদের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন এবং জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর —— এড. দীপেন দেওয়ান
রাঙ্গামাটিতে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ বিতরণ
সিএইচটি বার্তা ডেস্ক রিপোর্ট :
“কৃষক কার্ড থাকলে হাতে সেবা পাবেন সাথে সাথে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশের কৃষিখাতকে আধুনিকীকরণ ও প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় সরাসরি সরকারি সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের ফেনীতে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কেন্দ্রীয় এই উদ্বোধনের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে রাঙ্গামাটিতেও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয় এ কর্মসূচি।
রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন ঘোষণার সাথে সাথেই রাঙ্গামাটি প্রান্তে অপেক্ষমাণ কৃষকদের মোবাইল ফোনে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে যায়। মধ্যস্বত্বভোগীদের কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই মুহূর্তের মধ্যে মোবাইলে সহায়তার বার্তা পেয়ে উপস্থিত কৃষকরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

কৃষকদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী এড. দীপেন দেওয়ান বলেন, “কৃষকরাই আমাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বর্তমান সরকার কৃষকের ঘামের প্রকৃত মূল্যায়ন করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। এই ‘কৃষক কার্ড’ এমন একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষক সরাসরি তার ন্যায্য অধিকার ও সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন। আজ পাহাড়ি ও বাঙালি কৃষকরা যেভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই সহায়তা গ্রহণ করছেন, এই সম্প্রীতি ও কৃষির ঐক্যবদ্ধ উন্নয়নই আমাদের আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।”
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ প্রমাণ করে যে, বর্তমান বিএনপি সরকার শতভাগ কৃষিবান্ধব এবং প্রান্তিক মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আজ যে সরাসরি আর্থিক ও উপকরণ সহায়তা আপনাদের হাতে পৌঁছাচ্ছে, তা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে এবং আপনাদের মুখের হাসি ফোটাতে বড় ভূমিকা রাখবে। আমাদের এই পাহাড়ে কৃষির অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, পাহাড়ী ও বাঙ্গালী কৃষকরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আধুনিক সুবিধার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে পাহাড়ের অর্থনীতি তথা দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুর রকিব, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুজ্জামান, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি অলোকপ্রিয় চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন বাবলুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

| ২ অক্টোবর ২০২৬













