দীঘিনালায় বন্যায় ঘরহারা বিধবা শান্তি বালা ত্রিপুরার মেলেনি সরকারি সহায়তা
রুপম চাকমা, দীঘিনালা :
বন্যায় বসতঘর হারিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ একটি কুঁড়েঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ১নং মেরুং ইউনিয়নের মাইফা পাড়া বিধবা শান্তি বালা ত্রিপুরা।
স্বামীহারা শান্তুি বালা ত্রিপুরা জানান বন্যায় তার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও এখন পর্যন্ত তিনি কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা বা সহায়তা পাননি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্যার পানিতে শান্তি বালা ত্রিপুরার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর তিনি আশ্রয় নেন একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে। সামান্য জায়গার ওই ঘরেই কষ্টে দিন-রাত কাটছে তার। বৃষ্টি হলে ঘরের ভেতরে পানি পড়ে এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই রাত কাটাতে হয় তাকে।
শান্তি বালা ত্রিপুরা বলেন, “বন্যায় আমার ঘর নষ্ট হয়ে গেছে। এখন এই ছোট কুঁড়েঘরে অনেক কষ্টে থাকি। আমার স্বামী নেই, নিজেরও তেমন কোনো আয় নেই, সারাদিন জঙ্গল থেকে থেকে সবজী সংগ্রহ করে বাজারে সবজী বিত্রুয় করে দিন কাটাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, বন্যার পর বিভিন্ন সরকারি সহায়তার কথা শুনলেও তার ভাগ্যে কোনো সহায়তা জোটেনি। জরাজীর্ণ ঘরটি সংস্কার কিংবা নতুন করে বসতঘর নির্মাণের সামর্থ্যও তার নেই।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শান্তি বালা ত্রিপুরার মতো অসহায় মানুষের তালিকা করে দ্রুত সরকারি সহায়তার আওতায় আনা প্রয়োজন। বিশেষ করে একজন বিধবা নারী হিসেবে তার জন্য নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বন্যায় ঘর হারানো এই অসহায় নারীর পাশে দাঁড়িয়ে একটি নিরাপদ বসতঘর নির্মাণসহ সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি এখন এলাকাবাসীর।

| ২ অক্টোবর ২০২৬












