| ২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা নির্বাহ উর্পাজন সংস্কার রক্ষার্থে প্রান্তিক পরিবর্তন পিছিয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা নির্বাহ উর্পাজন সংস্কার রক্ষার্থে প্রান্তিক পরিবর্তন পিছিয়েছে

 

বিশেষ প্রতিবেদক :

পার্বত্য চট্টগ্রামের (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ১১টি প্রধান ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী— চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো, লুসাই, বম, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি ও চাক—প্রকৃতি, জুম চাষ ও স্বতন্ত্র সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে বাঁধা এক অনন্য জীবনপ্রবাহের অধিকারী।

​জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি :

জুম চাষ (লেঙবা/ঝুম) : পাহাড়ের ঢালে পাড় কেটে ধান, মারফা, তুলা, তিল ও শাকসবজি ফলানো ঐতিহ্যবাহী ও যৌথ কৃষি ব্যবস্থা।

​মাচাং ঘর : বাঁশ ও কাঠ দিয়ে মাটির ওপর উঁচুতে তৈরি ঘর, যা আর্দ্রতা ও পোকামাকড় থেকে রক্ষা করে এবং নিচের অংশে গবাদি পশু বা জুমের সরঞ্জাম থাকে।

​পানি ও ঝিরি নির্ভরতা : পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে চলা ঝিরি-ঝরনা হলো সুপেয় পানি ও দৈনন্দিন গৃহস্থালির প্রধান উৎস।

​নির্বাচিত জাতিগোষ্ঠীর বেঁচে থাকার বৈশিষ্ট্য ও রূপরেখা জাতিগোষ্ঠী প্রধান বসতি/অঞ্চল বিশেষ বৈশিষ্ট্য ও জীবন-জীবিকা তুলে ধরা হলো-

চাকমা : রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি

সমতলের কাছাকাছি বসবাসকারী : স্থায়ী কৃষি ও তাঁতশিল্পে দক্ষ। সাংগ্রাই ও বিজু উৎসবে মুখর।

মারমা : বান্দরবান, খাগড়াছড়ি

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী সাংগ্রাই উৎসব ও জলকেলি তাদের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক বন্ধনের প্রতীক।

ত্রিপুরা : খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি

বৈসুক উৎসব ও গড়াইয়া নৃত্য প্রসিদ্ধ : জুম ও মিশ্র চাষে পারদর্শী।

তঞ্চঙ্গ্যা : রাঙ্গামাটি (কাপ্তাই, রাজস্থলী) ঐতিহ্যবাহী রঙিন পোশাক (পিনোন-হাদি) ও গহনার বিশেষ কারুকাজ জুম ও মাছ শিকার নির্ভর।

ম্রো : বান্দরবান (রুমা ও থানচি)

প্রকৃতিপূজারি ; বাঁশের তৈরি সুউচ্চ মাচাং ঘর এবং ‘জিয়াং’ বা মুড়ং বাদ্যযন্ত্র ও রিবাং নৃত্য অনন্য।

লুসাই: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান

ঐতিহ্যবাহী সুতি কাপড়ের বুনন ও পাহাড়ি ফলমূল সংগ্রহ; তুলনামূলক বিচ্ছিন্ন ও নিজস্ব কমিউনিটি আইনপ্রিয়।

বম : বান্দরবান

খ্রিস্টধর্মের প্রভাব বেশি; কোরাস গান, বাঁশশিল্প ও পাহাড়ি জুমচাষে সুসংগঠিত।

পাংখোয়া : রাঙ্গামাটি (বিলাইছড়ি)

ঝরনাপারের অতি দুর্গম এলাকায় বাস; ঝুড়ি ও বাঁশের কারুকাজে সিদ্ধহস্ত।

খিয়াং : বান্দরবান

ছোট পরিসরের জনগোষ্ঠী; মারমা ও বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রভাবযুক্ত মিশ্র জীবনধারা।

খুমি : বান্দরবান (থানচি, রুমা)

অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি চূড়ায় বসবাস; চুল বাঁধার ভিন্ন শৈলী এবং কঠোর জুমনির্ভর আত্মনির্ভরশীলতা।

চাক : বান্দরবান (নাইক্ষ্যংছড়ি)

নিজস্ব ভাষা ও বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃতির বাহক; সীমান্ত ঘেঁষা প্রকৃতিতে জুম ও পাহাড়ি বনজ সম্পদ সংগ্রহজীবী।
বেঁচে থাকার অন্তহীন কাহিনি (সংগ্রাম ও রূপান্তর)
​প্রকৃতির সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও সহাবস্থান: খরা, জুম ফলন বিপর্যয় বা পাহাড়ি ঢলে ভূমিধস মোকাবিলা করে তারা প্রতি বছর নতুন করে জুমের বীজ বোনে। এই জীবনপ্রবাহ কেবল অর্থনীতি নয়, এটি এক ধরনের পরিবেশগত দর্শন।

​সংস্কৃতির সংরক্ষণ বনাম আধুনিকায়ন: কাপ্তাই বাঁধের প্লাবনভূমি থেকে শুরু করে আধুনিক বাজার অর্থনীতির ধাক্কা—পাহাড়ের মানুষ আজ একদিকে ঐতিহ্যবাহী জুম ও বনজ অধিকার রক্ষার লড়াই করছে, অন্যদিকে শিক্ষা ও প্রযুক্তির ছোঁয়ায় নতুন গন্তব্য খুঁজছে।

​নারীর অবদান: জুমের খেত পরিচর্যা থেকে শুরু করে তাঁতের কাপড় বোনা—পাহাড়ি নারীর শ্রম ও দক্ষড়াই মূলত পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখে।

​পাহাড়ের প্রতিটি সূর্যোদয় তাদের কাছে এক নতুন সংগ্রাম—যেখানে বাঁশ, জুমের ছাই, ঝিরির পনির ঠান্ডা জল আর মাচাংয়ের রাত মিলে তৈরি হয় এক অদম্য টিকে থাকার মহাকাব্য।

বিলাইছড়িতে পালবার লিং সেন্টারের বার্ষিক কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা নির্বাহ উর্পাজন সংস্কার রক্ষার্থে প্রান্তিক পরিবর্তন পিছিয়েছে

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলায় পালবার লিং সেন্টার বাংলাদেশের উদ্যোগে বার্ষিক দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারে দিনব্যাপী এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি ২৯৯নং আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।

অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ভদন্ত দেবানন্দ মহাথের এবং সভাপতিত্ব করেন প্রজ্ঞাবারিধি অধ্যাপক ভদন্ত সুমেধানন্দ মহাথের।

এ সময় ভিক্ষুসংঘের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত বিপস্সী মহাথের, ভদন্ত ওয়ারাসামী মহাথের, ভদন্ত ইন্দাচারা মহাথের এবং পালবার লিং সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও বিলাইছড়ি বাজার সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ দেবতিষ্য ভিক্ষুসহ বিভিন্ন বিহারের ভিক্ষুসংঘ।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী মৈত্রী দেওয়ান, বিলাইছড়ি সেনা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মো. সাকিব হাসান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভি দাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুস সালাম ফকির, সাধারণ সম্পাদক মো. জাফর আহাম্মদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক উষা কিরণ বড়ুয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো পুণ্যার্থী।

দিনব্যাপী আয়োজনে কঠিন চীবর দানের পাশাপাশি বুদ্ধপূজা, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান, কল্পতরু দান, পিণ্ডদানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় দানানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রভাত কান্তি বড়ুয়ার লেখা বুদ্ধকীর্তন এবং তাঁর জীবন ও কর্মের ওপর রচিত একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন।

দীঘিনালার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনাকুঠিরে ৫ তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা নির্বাহ উর্পাজন সংস্কার রক্ষার্থে প্রান্তিক পরিবর্তন পিছিয়েছে

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার ছোট মেরুং বিশ্ব শান্তি মৈত্রী ভাবনা কুঠিরে যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৫তম মহান কঠিন চীবর দান উদযাপন করা হয়েছে।

রবিবার ১নভেম্বর দিনব্যাপি অনুষ্টানে সকালে বুদ্ধ মুর্তিদান, সংঘ দান, অষ্টপরিস্কার দান করা হয়।

এতে অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন নন্দবংশ মহাস্হবির ভান্তে, ছোট মেরং বিশ্ব শান্তি ভাবনা কুঠিরের অধ্যক্ষ সুগতবংশ মহাস্হবির ভান্তে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য শান্তি প্রিয় চাকমা, এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জ্ঞান জীত চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দেশ ও বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ, শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় দেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

পাশাপাশি সকল প্রকার হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ও অশান্তি দূর হয়ে বিশ্বজুড়ে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশনা প্রদানকালে নন্দ বংশ মহাস্হবির ভান্তে বলেন, বুদ্ধ ধর্ম হলো শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের ধর্ম। বুদ্ধের আদর্শ অনুসরণ করে প্রত্যেক মানুষের জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

তিনি বলেন, সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে সবাইকে বুদ্ধের উপদেশ মেনে চলতে হবে। এ সময় তিনি উপস্থিত সকলের প্রতি পঞ্চশীল পালনের আহ্বান জানান।

নন্দ বংশ ভান্তে আরও বলেন, পঞ্চশীল মানুষের নৈতিক ও আদর্শ জীবন গঠনের অন্যতম ভিত্তি। পঞ্চশীল পালন করলে মানুষ হিংসা, লোভ, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে পারে। তাই ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রত্যেকের পঞ্চশীল পালন করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি সবাইকে হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে মৈত্রী, করুণা, ভালোবাসা ও মানবতার আদর্শে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান।

অনুষ্টানে দ্বিতীয় পর্ব উপস্তিত ভিক্ষু সংঘ উদ্দেশ্য কল্পতরু ও কঠিন চীবর দানের মাধ্যমে দিন ব্যাপি কঠিন চীবর দান অনুষ্টান সমাপ্ত হয়।

খাগড়াছড়ি জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি দায়িত্ব পেলেন অংগ্য মারমা

পার্বত্য চট্টগ্রামের ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা নির্বাহ উর্পাজন সংস্কার রক্ষার্থে প্রান্তিক পরিবর্তন পিছিয়েছে

 

মানিকছড়ি (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে ৩৪ নং সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য মাধবী মারমার পক্ষে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন যুব নেতা ও সাংবাদিক অংগ্য মারমা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জাতীয় সংসদের প্যাডে সংসদ সদস্য মাধবী মারমা স্বাক্ষরিত এক পত্রে অংগ্য মারমাকে এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

মনোনীত অংগ্য মারমা খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার গঞ্জ পাড়ার স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি বাংলাদেশ মারমা যুব ঐক্য পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং মানিকছড়ি উপজেলা শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলার আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটিতে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি দীর্ঘদিন মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা ও উন্নয়নমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন।

তিনি জাতীয় দৈনিক মানবকণ্ঠ, সরেজমিন বার্তা, এই বাংলা পত্রিকার এবং স্থানীয় দৈনিক অরণ্য বার্তা ও আলোকিত পাহাড় পত্রিকার জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও অনলাইন নিউজ পোর্টাল সিএইচটি বার্তা, আজকের প্রতিদিন ও বার্তা বাজার-এ কাজ করার সুবাদে স্থানীয় মানুষের সুখ-দুঃখ ও নানা সমস্যার কথা গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘কারিতাস বাংলাদেশ’ এবং সমবায় অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত দি মারমা ক্রেডিট ইউনিয়নে বিভিন্ন সামাজিক ও সমবায় সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অংগ্য মারমা সংসদ সদস্য মাধবী মারমার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সামগ্রিক উন্নয়ন কর্মকান্ডকে আরও গতিশীল করতে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে তার দায়িত্ব পালন করবেন।

এলাকার শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

×