| ৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম:

ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া ইউনিয়নের উলুছড়িতে রাইংখ্যং নদী পার হতে গিয়ে পানিতে ডুবে সুজন তঞ্চঙ্গ্যা (২২) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুজন তঞ্চঙ্গ্যা উলুছড়ি সদ্ধর্মরত্ন বৌদ্ধ বিহারের কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিজ বাড়ি থেকে রওনা হন। পথে রাইংখ্যং নদী পার হওয়ার সময় সাঁতার না জানা এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তিনি নদীর পানিতে ডুবে যান।

পরে দীর্ঘ সময় বাড়িতে ফিরে না আসায় স্বজনরা তাঁর খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে নদীতে তল্লাশি চালিয়ে একই দিন বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা ফজল তঞ্চঙ্গ্যা বিলাইছড়ি থানায় উপস্থিত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। পাশাপাশি ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের জন্য আবেদন করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় বিলাইছড়ি থানায় ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে অপমৃত্যু মামলা নং-০৪ রুজু করা হয়েছে। থানার এসআই আলাউদ্দীন আইনানুগ প্রক্রিয়ায় মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন।

গোবিন্দগঞ্জে জাল নথি তৈরি করে মিথ্যা মামলা করায় বাদীর কারাদন্ড

ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

 

মানিক সাহা, গাইবান্ধা:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে জাল নথি তৈরি করে একযুবকে বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাদী মোছাঃ নুরহাত জাহান লিজা (১৮) কে ৭ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসে.এম গালিব হাসান এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পুনতাইড় আমবাড়ি গ্রামের হামিদুর হক সরকারের মেয়ে নুরহাত জাহান লিজা ভূয়া জন্ম নিবন্ধন এবং ভূয়া কাবিননামা তৈরি করে তৌফিক হাসান সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানিকালে জন্ম নিবন্ধন, কাবিননামা ভূয়া প্রমাণিত হয়। কাবিননামারে ১৫নং কলামে তাৎক্ষণিক দেনমোহর অংকে ২হাজার টাকা এবং কথায় ২০ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও কাবিননামায় বিতর্কিত কথা উল্লেখ থাকায় এবং কাজীর স্বাক্ষর না থাকায় দাখিলকৃত সমস্ত প্রমাণাদি ভূয়া প্রমাণিত হয়। ফলে মামলাটি বাতিল করে আসামী তৌফিক হাসান (২১), মোঃ আনোয়ার হোসেন (৫০) এবং মোছাঃ টপি বেগম (৪৫) কে বেকসুর খালাস দেয়া হয়। তাদের সকলের বাড়ি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখাল বুরুজ মিয়াপাড়া গ্রামে।

জাল নথি তৈরি করে যৌতুক নিরোধ আইনে প্রতারণামূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করায় বাদী মোছাঃ নুরহাত জাহান লিজা (১৮) কে ৭ দিনের বিনা শ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়াও বাদী পক্ষের আইনজীবি ক্ষমা প্রার্থনা করায় তাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের সহকারী এপিপি মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, এ ধরণের প্রতারণামূলক মামলা অন্যকে হয়ারানী করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে এটা বিজ্ঞ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে। এই ধরণের মামলায় বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট ন্যায় বিচার করেছেন।

দিঘীনালায় সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠক

ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফের সাথে সৌজন্য বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে সীমান্তে হত্যা বন্ধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, কাঁটাতারের বেড়া এবং আন্তর্জাতিক সীমা ১৫০ গজের মধ্যে অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টা হতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত বাবুছড়া ৭ বিজিবি এর সীমান্ত এলাকায় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ উত্তর লক্কাছড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলারের ২২৭৮ এর মাঝখানে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন বাবুছড়া ৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল ইশতিয়াক আহমেদ ইবনে রিয়াদ। ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ১৫৪ ও ১৭৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট পিয়ুশ কুমার। এই সময় উভয় দেশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কোন ধরণের রাস্তা নির্মাণের জন্য আপত্তি জানায় বিজিবি। এ ধরণের নির্মাণ কাজ সীমান্ত বিধিবিধানে পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন। জবাবে বিএসএফের কমান্ডেন্ট ভবিষ্যৎতে এ ধরণের পুনরাবৃত্তি না হওয়া এবং নির্মিত রাস্তা ব্যবহার না করার আশ্বাস দেন।

এ ছাড়াও জোরপূর্বক বাংলাদেশে লোক পাঠানোর বিষয়ে বিএসএফকে সর্তক করেন। বাবুছড়া সীমান্ত নিরাপত্তা কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়টি বৈঠকে তুলে ধরা হয়। বিজিবির পক্ষ থেকে অবগত করা হয়, কোনো ধরণের হতাহতের ঘটনা ছাড়াই প্রায় এক বর্গকিলোমিটার অপদখলীয় ভূমি পুনরুদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সীমান্তের মেইন পিলার ২২৭৫ এর ৫-এস কিছু ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

বিজিবির মতে, দীর্ঘদিনের পর সৌজন্য আলোচনা সভায় সীমান্ত এলাকায় শান্তি নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি দুই বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সু-সম্পর্ক জোরদার ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে উভয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেনাবাহিনীর ২৬ ইসিবির উদ্যােগের উন্নয়ন কার্যক্রম

ফারুয়ার উলুছড়িতে পানিতে ডুবে শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকের মৃত্যু

 

বিশেষ প্রতিনিধি: 

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীনস্থ ২৬ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (২৬ ইসিবি) দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং আইন-শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দুর্গম ও চ্যালেঞ্জিং এলাকায় তাদের সাম্প্রতিক ও চলমান প্রধান ইতিবাচক কার

সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের ফলে এই দুর্গম পাহাড় ও বনাঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রবেশ সহজ হয়েছে, যা সশস্ত্র অপরাধী চক্রের আধিপত্য দূর করে সরকারি পূর্ণ প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করছে।

সড়কগুলোর সাথে প্রয়োজনীয় ব্রিজ, কালভার্ট, আধুনিক ড্রেনেজ সিস্টেম এবং রিটেইনিং ওয়াল তৈরি করা হচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন যাতায়াত ও জীবনযাত্রার মান সহজ করছে।

২৬ ইসিবি পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত ও দুর্গম সীমান্ত এলাকাগুলোতে সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ এবং দেশীয় সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি-বিলাইছড়ির মতো প্রত্যন্ত এলাকায় সীমান্ত সড়ক ও ক্যাম্পের অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তারা সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করছে।

সামগ্রিকভাবে, ২৬ ইসিবি শুধুমাত্র একটি প্রকৌশল ব্যাটালিয়ন হিসেবেই নয়, বরং অপরাধপ্রবণ ও পিছিয়ে পড়া জনপদকে মূল ধারার উন্নয়নের সাথে যুক্ত করতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ তা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের অধীনে ২৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন (ইসিবি) কর্তৃক ২০১৬ সালে রাজস্থলী প্রকল্প ক্যাম্প স্থাপনের মাধমে ০৩ জুলাই ২০১৯ তারিখে সীমান্ত সড়ক (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া-ফারুয়া-বিলাইছড়ি সাইচল-বড়খলি-থেগামুখ) নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। দূর্গম পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি প্রতিকূল আবহাওয়া, ভূমিধস ও প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল সদস্যরা এ অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন।

জনকল্যানমূলক কাজের অংশ হিসেবে ৩টি যাত্রী ছাউনি ০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিভিন স্থানে ০৯টি পানির পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭০৬৮০ টি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। এসব উন্নয়নমূলক কার্যক্রম দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে।

এই ধারাবাহিকতায় ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ২৬ ইসিবি কর্তৃক রাঙ্গামাটি জেলার বিলাইছড়ি উপজেলার সাইচল প্রকল্প ক্যাম্প সংলগ্ন গাছবাগান পাড়ার বৌদ্ধ বিহারটি সংস্কার ও সংস্করণের কাজের জন্য মোট আট বান টিন অনুদান দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সম্প্রীতির অপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়েছে।

শিক্ষার আলো যাতে দূর্গম পাহাড়ের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে, সেই উদ্দেশ্যে থুমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ইউনিফর্মসহ বিভিন্ন শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাকে আরও আনন্দের সাথে গ্রহণ করতে পারছে এবং একই সাধে দুজন শিক্ষকের বেতন-ভাতার যাবতীয় দায়িত্ব ২৬ ইসিবি কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে।

থুমপাড়াতে পূর্বে কোনো খেলার মাঠ ছিল না। মাঠ না থাকার কারণে এলাকার কোমলমতি শিশুরা খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। পরবর্তীতে ২৬ ইসিবির উদ্দোগের মাধ্যমে ঘুমপাড়াতে খেলার মাঠ তৈরী করা হয়েছে, যাতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা তাদের মনকে প্রফুল্ল রাখতে পারে।

থুমপাড়া কার্বারী বলেন, আমরা আগে কোন দিন রাজস্থলী চন্দ্রঘোনা, চট্রগ্রাম যেতে পারিনি, বর্তমান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি মহাযজ্ঞ সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করে আমাদের যাতায়াত ও উৎপাদিত কলা, হলুদ, আদা, বিভিন্ন প্রকার পণ্য চট্রগ্রাম ও রাঙ্গুনিয়াতে সরবরাহ করে থাকি। অপর দিকে আমার এলাকায় এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যানসার রোগে আক্রান্ত ছিল। তার বিষয়ে আমরা সাইসল ক্যাম্প অধিনায়ক কে বিষয়টি জানানোর পর তিনি ২৬ ইসিবির জোন কমান্ডারের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিপ্যাড করে ঢাকা সি এম এস হাসপাতালে ২৬ ইসিবির অধিনায়ক লে, কর্ণেল আবদুল্লাহ আল মাসুদ এর  নির্দেশে  চিকিৎসা, ঔষধ পত্র বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করে সুস্থ হওয়ার পর আজ স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে পরিবার পরিজন নিয়ে।

অপরদিকে ২৬ ইসিবির সহযোগিতায় বিহার নির্মাণের জন্য টেউটিন বিতরণ করা হয়। যাতে বৌদ্ধ ধর্মীয় যে কোন আচর অনুষ্টান রীতিনীতি পালন করতে পারে।

অপর দিকে বগাখালী নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলে ২৬ ইসিবি কর্তৃক সোলার প্যানেল স্থাপন, ৪ টি ফ্যান স্থাপন করা হয়েছে। যাতে করে শিক্ষাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে এবং আরামদায়কভাবে করা সম্ভব হয়। এরই পাশাপাশি মাঠ তৈরী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে জার্সি বিতরণসহ নানা ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, এ দুর্গম পাবর্ত্য অঞ্চলে কোন স্কুল খেলার মাঠ, ও অবকাঠামো উন্নয়ন ছিলনা। বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের মাঝে শিক্ষা প্রতিষ্টান সূপীয় পানির ব্যবস্থা সোলার সিস্টেম ফ্যানের ব্যবস্থা করে দিয়ে আমাদের কে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এ ধরণের ইতিবাচক কার্যক্রম যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে অদুর ভবিষৎ এ দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল একটি সমৃদ্ধি বাংলাদেশ রুপান্তর হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। দুর্গম থুমপাড়ায় নারী পুরুষ শিশুদের  চিকিৎসা সেবা ও ত্রান বিতরণ অব্যাহত আছে।

সীমান্ত প্রকল্পের আওতায় (রাজস্থলী-দুমদুমিয়া- থাচ্চি-লইতংপাড়া থেগামুখ) শীর্ষক প্রকল্প ১৩০ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১ম পর্যায়ে ইতিমধ্যে ৭৬ কিলোমিটার ফ্লেক্সিবল পেভমেন্ট এর কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ২য় পর্যায়ে বগাখালী হতে করল্লা ছড়ি পর্যন্ত ২৮ কিঃ মিঃ কাজ চলমান রয়েছে। ৩য় পর্যায়ে করল্লাছড়ি হতে যেসামুখ পর্যন্ত ২৬ কিঃমিঃ এবং অদয়াবাব হতে থালিপাড়া পর্যন্ত ২২ কিঃমিঃ কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। এই রাস্তা তৈরীর ফলে একটি নিরবিচ্ছিন্ন রোড কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক স্থাপিত করা হয়েছে।

×