| ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম:

​বোধিপুর বন বিহারে আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব

​বোধিপুর বন বিহারে আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব

 

​নিজস্ব প্রতিবেদক:

আসছে শুভ প্রবারণা পূর্ণিয়াযোগে ত্রৈমাসিক বর্ষাবাসের সমাপ্তি ঘটিয়ে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসবের অংশ হিসেবে পাহাড়ি অঞ্চলের অন্যান্য বনবিহারের ন্যায় এবারও বোধিপুর বন বিহারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব। আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি. ৯ ও কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং ২৫৭০ বুদ্ধাব্দে দুই দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য ধর্মীয় উৎসব উদযাপিত হবে।

​বৌদ্ধ ধর্মে কঠিন চীবর দানকে দানে শ্রেষ্ঠ, দানের রাজা এবং দানোত্তম হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। স্বয়ং বুদ্ধ কর্তৃক এই দানকে ‘দানশ্রেষ্ঠ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মিগার মাতা, মহোপাসিকা, মহাপুণ্যবতী বিশাখা কর্তৃক প্রবর্তিত এই দানের পুনর্জাগরণে পরম পূজ্য বনভন্তে পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা পালন করেছিলেন। বনভান্তের বাণী—“ত্যাগই সুখ, ভোগই দুঃখ”—এই চেতনা ধারণ করেই বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন সত্য, শুভ ও শান্তির অন্বেষণে এই ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নেন।

​দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানসূচি এবারের আয়োজনে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

​২৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি., রবিবার (বিকাল ও রাত পর্ব)
​দুপুর ০২:০০ টায় বেইনকর্মী ও দায়ক-দায়িকাদের পঞ্চশীল গ্রহণ ও অষ্টপরিষ্কার দান উৎসর্গ করা হবে।
​দুপুর ০২:৩০ মিনিটে বেইন ঘরের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। বিকাল ০৩:০০ টায় ঐতিহ্যবাহী চারকায় সুতা কাটা শুরু হবে।

​সন্ধ্যা ০৬:০০ টায় সুতা সিদ্ধ ও রং করা, রাত ০৭:০০ টায় সুতা শুকানো এবং রাত ০৭:৩০ মিনিটে নলী ভরা ও তুম করা হবে।

​রাত ১০:০০ টায় বেইন টানা শুরু এবং রাত ১০:৩০ মিনিটে বেইন বুনা শুরু হবে, যা একটানা পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে।

​২৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি., সোমবার (সকাল ও বিকাল পর্ব)
​সকাল ০৬:০০ টায় কঠিন চীবর সেলাই শুরু এবং ০৬:৩০ মিনিটে বুদ্ধ পতাকা উত্তোলন করা হবে।
​সকাল ০৬:৪৫ মিনিটে ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশ এবং ০৮:৩০ মিনিটে মঞ্চে আসন গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
​সকাল ০৯:০০ টায় ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন ও পঞ্চশীল গ্রহণ এবং ০৯:১৫ মিনিটে বুদ্ধ মূর্তি দান, অষ্টপরিষ্কার দান ও সংঘ দান উৎসর্গ করা হবে।

​সকাল ১০:০০ টায় অনুত্তর পুণ্যক্ষেত্র ভিক্ষুসংঘের বিশেষ ধর্মদেশনা এবং সকাল ১১:০০ টায় ভিক্ষুসংঘকে পিণ্ডদান করা হবে।

​দুপুর ১২:০০ টায় অতিথিবৃন্দের ভোজন গ্রহণ, দুপুর ০১:১৫ মিনিটে পুণ্যার্থী ও অতিথিদের আসন গ্রহণ এবং ০১:৩০ মিনিটে ভিক্ষু সংঘের আসন গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
​দুপুর ০১:৪৫ মিনিটে উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন এবং দুপুর ০২:০০ টায় পঞ্চশীল গ্রহণ, কঠিন চীবর দান, কল্পতরু দান, ফানুস বাতি দান ও উৎসর্গ করা হবে।
​বিকাল ০২:৩০ মিনিটে বিশ্বশান্তি কামনায় ভিক্ষুসংঘের নিকট আশীর্বাদ প্রার্থনা, ০২:৪৫ মিনিটে স্বাগত বক্তব্য এবং ০৩:০০ টায় অতিথিবৃন্দের মূল্যবান বক্তব্য ও ভিক্ষুসংঘের ধর্মদেশনা অনুষ্ঠিত হবে।

​পরিশেষে সন্ধ্যা ০৬:০০ টায় প্রদীপ পূজা ও ফানুস ওড়ানোর মধ্য দিয়ে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসবের সমাপ্তি ঘটবে।

​অনুষ্ঠানটি সর্বাঙ্গ সুন্দর, সফল ও সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সর্বস্তরের বৌদ্ধ জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং কায়িক, বাচনিক, মানসিক ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেছেন কঠিন চীবর দান উদযাপন কমিটি ২০২৬-এর সভাপতি ধন মনি চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক ফুটন্ত চাকমা।

দিঘীনালা বন বিহারে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন

​বোধিপুর বন বিহারে আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ির দিঘীনালা বন বিহারে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন করা হয়েছে। রবিবার ২৫ অক্টোবর এ উপলক্ষে বিহারে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্টানে প্রধান ধর্মআলোচক হিসেবে উপস্হিত ছিলেন দিঘীনালা বন বিহারের আজীবন অধ্যক্ষ শ্রদ্ধেয় নন্দপাল মহাস্হবির ভান্তে, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের সদস্য শান্তি প্রিয় চাকমা, ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, ২নং বোয়ালখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমা উপস্তিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এসব কর্মসূচিতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা অংশগ্রহণ করে বুদ্ধের অহিংসা, শান্তি, মৈত্রী ও করুণার বাণী স্মরণ করেন।

ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে সকাল ৯ টায় বুদ্ধপূজা, বুদ্ধ মুর্তি দান,সংঘদান, অষ্টপরিস্কারসহ নানা ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ও ধর্মদেশনা ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে উৎসবটি পালন করা হয়।

প্রবারণা পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। আষাঢ়ী পূর্ণিমা থেকে শুরু হওয়া তিন মাসব্যাপী বর্ষাব্রত শেষে আশ্বিনী পূর্ণিমায় প্রবারণা উদযাপিত হয়। এদিন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বর্ষাব্রত সমাপ্ত করেন এবং আত্মশুদ্ধি, সংযম ও ধর্মীয় অনুশীলনের মাধ্যমে জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উৎসবকে কেন্দ্র করে দিঘীনালা বন বিহার ও আশপাশের এলাকায় ধর্মীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিতে বিহার প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে ওঠে। এ সময় দেশ ও জাতির মঙ্গল, বিশ্বশান্তি এবং সকল প্রাণীর সুখ-শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।

প্রবারণা পূর্ণিমার মূল শিক্ষা হলো আত্মশুদ্ধি, ক্ষমাশীলতা, অহিংসা ও সম্প্রীতির চর্চা। এই শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতিময় সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধরা।

দিঘীনালা বন বিহারে আয়োজিত এ ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ধর্মীয় সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।

বাংলাদেশ মেইলের বর্ষসেরা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার বিপ্লব তালুকদার

​বোধিপুর বন বিহারে আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজের তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, প্রতিনিধি সম্মেলন ও গুণীজন সংবর্ধনা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা, পুরস্কার বিতরণী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্প্রতি রাজধানীর ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের অডিটরিয়ামে আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজের সম্পাদক এম এ রাশেদ তালুকদার। এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে হয়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজের প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক এ বি জিয়াউদ্দিন হোসেন। এতে প্রধান আলোচক ছিলেন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি সানের ক্রীড়া সম্পাদক ও বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক শামীম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি দিনেশ মাহাতো।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, স্টাফ, বিভাগীয় ব্যুরোপ্রধান, জেলা, উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট অতিথিরা অংশ নেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংবাদ সংগ্রহ, বস্তুনিষ্ঠ উপস্থাপনা, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা সাংবাদিকদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য বর্ষসেরা মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার নির্বাচিত হন খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি বিপ্লব তালুকদার।

গুণীজনদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা দেওয়া হয়। ক্রীড়া সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য ডেইলি সানের ক্রীড়া সম্পাদক শামীম চৌধুরী, মানবসেবায় অবদানের জন্য ইউএনবির বিশেষ প্রতিনিধি মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং বিনোদন সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ প্রতিদিনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মোস্তফা মতিহারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

চলচ্চিত্র অঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চিত্রনায়ক জয় চৌধুরীকেও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়ার পর্ব।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজ পাঠকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। দেশ-বিদেশে ইতিবাচক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারা গড়ে তুলতে পোর্টালটির ভূমিকার প্রশংসা করেন তাঁরা।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ মেইল২৪.নিউজ ভবিষ্যতেও পেশাদারিত্ব, দায়িত্বশীলতা ও বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রেখে সংবাদ পরিবেশন করবে এবং দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কাপ্তাইয়ে তারুণ্যের দীপ্ত পায়ে ক্রীড়ার আলো ছড়াচ্ছেন সমাজসেবক অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা

​বোধিপুর বন বিহারে আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২২তম কঠিন চীবর দানোৎসব

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিনিধি :

“আজকের শিশু ও তরুণরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।” এই প্রত্যয় নিয়ে কাপ্তাই উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি জনপদের তরুণ সমাজকে মাদক ও অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার অনন্য উদ্যোগ নিয়েছেন সমাজসেবক অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। নিজ ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের খেলোয়াড়দের মাঝে নিয়মিত ফুটবল ও জার্সি বিতরণ করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ অক্টোবর কাপ্তাই উপজেলার ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মুরালী পাড়ার ‘লারং স্পোর্টিং ক্লাব’-এর তরুণ খেলোয়াড়দের হাতে ফুটবল ও জার্সি তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে গত ২৩ অক্টোবর একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাপছড়ি ওপর পাড়ার ক্ষুদে খেলোয়াড়দের মাঝেও ফুটবল বিতরণ করা হয়।​গ্রামের পর গ্রামে ঘুরে এমন উৎসাহব্যঞ্জক উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত স্থানীয় খেলোয়াড় ও ক্রীড়ামোদী যুবসমাজ।

অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তরুণরা বলেন, এই উপহার তাদের খেলাধুলার প্রতি স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ​এ বিষয়ে সমাজসেবক অজিত কুমার তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, “শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজকে রক্ষা করতে হলে তাদের মাঠে রাখতে হবে।”

তিনি আরও জানান, গ্রামের প্রান্তে যারা খেলাধুলা করেন, তাদের যেকোনো প্রয়োজনে তার এই সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তার এমন নিঃস্বার্থ ক্রীড়া অনুদান কাপ্তাইয়ের যুবসমাজকে সুস্থ ও সৃজনশীল ধারায় এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যা স্থানীয় সর্বমহলে দারুণ প্রশংসিত হয়েছে।

×