শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শিরোনাম:

দুর্গম ধুপশীল পাড়ায় ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
1 বার পড়া হয়েছে
দুর্গম ধুপশীল পাড়ায় ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ-

“আজকের কৃতি শিক্ষার্থী, আগামী দিনের আলোকিত সমাজ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ধুপশীল এলাকার কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে  সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ই  মার্চ) দুপুরে ধুপশীল যুব পরিষদের আয়োজনে এবং ধুপশীল ৭ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাই স্কুল পর্যায়ে ১ম, ২য়  এবং ৩য় স্থান অধিকার করা মেধাবী শিক্ষার্থীদের  পুরস্কার দেওয়া হয়। এছাড়াও এসএসসি, এইচএসসি, বিএ, এম.এ পাস করা এবং  বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়া  মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে সংবর্ধনা হিসেবে সন্মাননা স্মারক ক্রেস তুলে দেওয়া হয়। এতে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি দেওয়ান নিজেই প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এইসব পুরস্কার ও ক্রেস তুলে দেন। প্রধান অতিথি সকলকেই ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, কোন এলাকায় যুবক এবং সমাজ ঠিক তাকলে সেই এলাকার মানুষ জ্ঞানী হবে। আদামও পরিস্কার থাকবে। এলাকা উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদ সবসময় আন্তরিক। সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে । তিনি আরো বলেন,যুব সমাজ যদি ঠিক থাকে তালে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বাজায় থাকে। বিশেষ করে ইঙ্গিত করে বলেন মদ, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে সমাজকে দুরে রাখতে  যুবকের ভুমিকা অপরিসীম। তিনি সবাইকে শিক্ষা অর্জন করে সমাজের, দেশের এবং জাতির হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা মেম্বার রানী বালা তঞ্চঙ্গ্যা, ওয়ার্ড মেম্বার শুক্র সেন তঞ্চঙ্গ্যা,ধুপশীল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুখ কুমার তঞ্চঙ্গ্যা। শিক্ষানুরাগী বিদ্যাসাগর তঞ্চঙ্গ্যা, বিমল তঞ্চঙ্গ্যা, শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র চাকমা, রুপমোহন তঞ্চঙ্গ্যা,শান্ত জিৎ তঞ্চঙ্গ্যা,উত্তম জয় তঞ্চঙ্গ্যা,সুমন্ত তঞ্চঙ্গ্যা এবং ধুপশীল যুব পরিষদের সভাপতি শান্ত তঞ্চঙ্গ্যা,উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রিয় তঞ্চঙ্গ্যা, সদস্য সচিব মঞ্জুরী তঞ্চঙ্গ্যা। সঞ্চালনায় অন্তরা মার্মা ও হেমন্ত তঞ্চঙ্গ্যা।আরও ছিলেন বিজয় তঞ্চঙ্গ্যা, সুজন তঞ্চঙ্গ্যা, সুমন তঞ্চঙ্গ্যা, স্বপন জয় তঞ্চঙ্গ্যা প্রমূখ।

এসময় ধুপশীল যুব পরিষদের সভাপতি শান্ত তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ধুপশীল যুব পরিষদ একটি সামাজিক সংগঠন।  এই সংগঠনের প্রধান উদ্যেশ্য সমাজকে শিক্ষা,  সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এগিয়ে নেওয়া এবং সমাজের খারাপ বিষয়গুলো পরিত্যাগ করে সমাজকে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় তার জন্য এই পরিষদ। এছাড়া যুব পরিষদের সভাপতি  শান্ত তঞ্চঙ্গ্যার উদ্যাগেই সর্বপ্রথম ২০১৫ সালে ধুপশীল পাড়ায় কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং সেই ধারাবাহিকতায় আজ ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

রাজস্থলীতে ছাত্রদলের উদ্যোগে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৯ পিএম
দুর্গম ধুপশীল পাড়ায় ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন রাজস্থলী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাইমুল ইসলাম রনি।

আজ (১৩ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে সম্প্রতি রাজস্থলী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এ ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ও ত্যাগী অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর হাতে ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

রাজস্থলী উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাইমুল ইসলাম রনি বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা সাহস ও ত্যাগের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করেছেন, তাদের অবদান কখনোই ভোলার নয়। ঈদ আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও রাজস্থলীর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশে ছাত্রদল সবসময় থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, দলের শক্তি হলো তৃণমূলের কর্মীরা। তাদের ত্যাগ ও পরিশ্রমের কারণেই সংগঠন এগিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের সম্মান জানাতে এবং ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে আমরা এই আয়োজন করেছি।”

উপহার সামগ্রী পেয়ে নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ঈদের আগে এই উপহার আমাদের জন্য আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে। নেতার এমন উদ্যোগ আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে এবং সংগঠনের জন্য কাজ করার শক্তি যোগাবে।”
এসময় স্থানীয় ছাত্রদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সংগঠনের ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।‌

রামগড়ে জ্বালানি তেলের সংকট, খুচরা দোকানে উপচে পড়া ভিড়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৩:০৪ পিএম
দুর্গম ধুপশীল পাড়ায় ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় : 

প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার সরবরাহ, লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ চালকদের। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে অনেক যানবাহন চালক প্রয়োজন অনুযায়ী পেট্রোল ও অকটেন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, রামগড়ে বড় কোনো ফিলিং স্টেশন না থাকায় এ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। উপজেলায় একটি পাম্প থাকলেও সেখানে পর্যাপ্ত তেল মজুদ না থাকায় মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন খুচরা দোকানে। ফলে পেট্রোল ও অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। তবে ডিজেলের সরবরাহ তুলনামূলকভাবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এজেন্ট মালিকপক্ষ।

উপজেলার বিভিন্ন খুচরা পেট্রোল দোকান ঘুরে দেখা গেছে, তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকদের উপচে পড়া ভিড়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার করে পেট্রোল বা অকটেন দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ জ্বালানি না পেয়ে অনেক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

খুচরা দোকান মালিকরা জানান, রামগড়ে বড় কোনো ফিলিং স্টেশন না থাকায় গ্রাহকদের চাপ তাদের ওপরই বেশি পড়ছে। তারা বলেন, যতটা সম্ভব তেল সরবরাহ করা হচ্ছে এবং প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২ লিটার করে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। তবে অনেক গ্রাহক নিয়মের চেয়ে বেশি তেল নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

তাদের মতে, তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। এই আতঙ্কজনিত কেনাকাটা বা ‘প্যানিক বায়িং’-এর কারণেই মূলত সাময়িকভাবে এ সংকট তৈরি হয়েছে।

রাজস্থলীতে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট : চরম দুর্ভোগে চালক ও উদ্বিগ্ন কৃষক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১:৩০ পিএম
দুর্গম ধুপশীল পাড়ায় ৫ম তম কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত 

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলায় হঠাৎ করেই জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন দোকান ও বিক্রয়কেন্দ্রে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল পাওয়া না যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা। একই সঙ্গে কৃষি মৌসুমে সেচ কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব ধীরে ধীরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো রাজস্থলী উপজেলাতেও পড়তে শুরু করেছে। কয়েকদিন আগে কিছু কিছু দোকানে সীমিত পরিমাণে জ্বালানি তেল পাওয়া গেলেও গতকাল রাত থেকে হঠাৎ করেই অধিকাংশ দোকান ও বিক্রয়কেন্দ্রে তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

সরজমিনের ঘুরে দেখা যায়,উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক চালক জ্বালানি তেলের জন্য এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কোথাও তেল নেই, আবার কোথাও সীমিত পরিমাণে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে জরুরি কাজেও অনেকেই যানবাহন ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতেও ব্যাপক প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাত থেকে কয়েকটি দোকানে ঘুরেও তেল পাইনি। অনেক জায়গায় বলা হচ্ছে তেল শেষ হয়ে গেছে। আবার কোথাও কোথাও স্বাভাবিক দামের চেয়ে বেশি দাম চাওয়া হচ্ছে ,১৪০-১৫০ করে নিচ্ছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী । এতে আমরা খুবই সমস্যায় পড়েছি।”

প্রাইভেটকার চালক মো. জসিম উদ্দিন জানান, হঠাৎ করে তেলের সংকট তৈরি হওয়ায় গাড়ি চালানো কঠিন হয়ে গেছে। অনেক সময় যাত্রী নিয়ে বের হতে পারছি না। এতে আমাদের আয়-রোজগারও কমে গেছে।”

অন্যদিকে তেলের সংকটের কারণে কৃষি কার্যক্রম নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে অনেক কৃষক বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য ডিজেলচালিত সেচ পাম্প ব্যবহার করেন। কিন্তু জ্বালানি তেলের অভাবে সেই সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

স্থানীয় কৃষক উ থুইচিং মারমা বলেন, এখন জমিতে পানি দেওয়ার সময়। যদি ডিজেল না পাওয়া যায় তাহলে ধানসহ অন্যান্য ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা খুবই চিন্তায় আছি। দ্রুত তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া দরকার।”

আরেক কৃষক মংচিং মারমা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কৃষিকাজ এমনিতেই অনেক কষ্টের। তার উপর যদি জ্বালানি তেলের সংকট থাকে তাহলে চাষাবাদ করা আরও কঠিন হয়ে যায়।”

এদিকে স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এক তেল ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা আগের মতো তেল পাচ্ছি না। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দোকানে তেল রাখতে পারছি না। অনেক সময় অল্প কিছু তেল এলেও তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জ্বালানি তেলের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে রাজস্থলী উপজেলার পরিবহন ব্যবস্থা, কৃষিকাজ ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সুযোগ নিয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির চেষ্টা করছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বন্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করা হোক। তবেই রাজস্থলীর মানুষের ভোগান্তি কিছুটা লাঘব হবে বলে মনে করছেন তারা।

×