শিরোনাম:

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

 

উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্থলী (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, নারী অধিকার রক্ষা এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) বাঙ্গালহলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মিশন হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ প্রবীর খিয়াং এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিজয় মারমা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সিথি চাকমা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিথি চাকমা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা একটি গুরুতর সামাজিক সমস্যা। এ সমস্যা প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, বরং পরিবার, সমাজ এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। তিনি নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

ডাঃ প্রবীর খিয়াং বলেন, একটি উন্নত ও মানবিক সমাজ গঠনে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ৩নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা, হেডম্যান ক্যশৈথুই মারমা , রাজস্থলী প্রেসক্লাব সভাপতি,আজগর আলী খান, যুগ্ম সম্পাদক, উচ্চপ্রু মারমা,মাসাং মারমা,ওয়াংসুইনু মারমা,ক্রয় মা মারমাসহ  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সভায় বক্তারা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সামাজিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং নারীদের প্রতি সম্মান ও সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শেষে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

রামগড়ে ঈদ উপলক্ষে ৭৩৯০ জন হতদরিদ্র পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলায় পবিত্র ঈদ উপলক্ষে সরকারের বিশেষ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির চাল বিতরণ করা হচ্ছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে উপজেলার দুইটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ৭৩৯০টি হতদরিদ্র পরিবার এই সুবিধা পাচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস এম এ করিম জানান, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ঈদকে সামনে রেখে ভিজিএফ চাল বিতরণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আগামীকাল (১২ মার্চ) বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে উপজেলার দুই ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকায় একযোগে এই চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।”

তিনি আরও বলেন, তালিকাভুক্ত প্রকৃত হতদরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে স্বচ্ছতার সঙ্গে এই চাল বিতরণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, Vulnerable Group Feeding (VGF) কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নিরাপত্তামূলক মানবিক সহায়তা কর্মসূচি। এই কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগকবলিত, দুস্থ ও চরম দরিদ্র পরিবারগুলোর মাঝে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য—সাধারণত চাল—বিতরণ করা হয়। বিশেষ করে ঈদ, পূজা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে এই সহায়তা প্রদান করা হয়, যাতে অসহায় মানুষদের খাদ্য সংকট কিছুটা লাঘব হয়।

রামগড়ে ৪৩ বিজিবির অভিযানে ১১৮ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১৮ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)। বুধবার (১১ মার্চ) মধ্যরাত আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে রামগড় ব্যাটালিয়নের (অধীনস্থ) পানুয়াছড়া বিওপির একটি টহলদল সীমান্ত পিলার ২২০৫/৬-আরবি থেকে প্রায় ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে হারবাতলী রহমতপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে। জোন সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

টহলদল সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা হারবাতলী এলাকায় ফাঁদ পেতে অবস্থান নেন। এ সময় ভারত থেকে সাতজন চোরাকারবারী বাংলাদেশের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করে। টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে চোরাকারবারীদের সঙ্গে থাকা সাতটি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে দ্রুত ভারতের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাতটি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলোর ভেতর থেকে মোট ১১৮ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশি মদ পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ করে বিজিবি সদর দপ্তরে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

রামগড় ৪৩ বিজিবির জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আহসান উল ইসলাম (পিএসসি) বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতেও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে বিজিবি ২৪ ঘণ্টা সীমান্তে কাজ করছে। সীমান্তে চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানবপাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তথ্য দিয়ে বিজিবিকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

দীঘিনালায় তরমুজের দাম আকাশ-ছোঁয়া, ক্রেতাদের চরম ভোগান্তি

বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা

 

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি, খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বাজারে তরমুজের দাম বর্তমানে বেশ চড়া। আকার ও মানভেদে প্রতি পিচ তরমুজ ২০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা অসন্তোষ দেখা দিলেও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি।

বুধাবর দীঘিনালা বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন বাজার ও ফলের দোকানে তরমুজের ভালো চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে গরমের শুরু হওয়ায় ক্রেতারা তরমুজ কিনতে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই শুধু দেখে চলে যাচ্ছেন।

স্থানীয় কয়েকজন ক্রেতা জানান, গত বছরের তুলনায় এবার তরমুজের দাম অনেক বেশি। সাধারণ মানুষের পক্ষে ৫০০-৬০০ টাকা দিয়ে একটি তরমুজ কেনা বেশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ী মোঃ আনোয়ার জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তরমুজ এনে বাজারে বিক্রি করতে পরিবহন খরচসহ নানা কারণে দাম বেড়েছে। সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সামনে তরমুজের সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কিছুটা স্বাভাবিক হতে পারে। বর্তমানে গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তরমুজের চাহিদাও বাড়ছে দীঘিনালা বাজারে।

×