| ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম:

“পাহাড়ের বুকে এক টুকরো স্বর্গ” ত্যাগের মহিমায় ড. নাগাসেন গড়েছেন অনাথ শিশুদের ভবিষ্যৎ

“পাহাড়ের বুকে এক টুকরো স্বর্গ” ত্যাগের মহিমায় ড. নাগাসেন গড়েছেন অনাথ শিশুদের ভবিষ্যৎ

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

সুদূর লন্ডনে উচ্চশিক্ষা ও পিএইচডি শেষ করে যেখানে বিলাসিতার হাতছানি ছিল, সেখানে নাড়ির টানে দুর্গম পাহাড়ে ফিরে এসেছেন ড. নাগাসেন মহাথেরো। নিজের ব্যক্তিগত সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলার কুকিমারা এলাকায় তিনি গড়ে তুলেছেন ‘লোটাস শিশু সদন’। ২০১১ সালে স্থানীয় সুইপ্রু কারবারি ও গংজ মারমার দান করা ৫ একর জমিতে রোপণ করা সেই শিক্ষার বীজ আজ কয়েকশ সুবিধাবঞ্চিত শিশুর স্বপ্ন জয়ের কারখানায় পরিণত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটি কেবল প্রথাগত শিক্ষা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে নৈতিকতা, দক্ষতা ও মানবতা। ড. নাগাসেন মহাথেরোর মতে, শুধু অন্ন-বস্ত্র নয়, গুণগত শিক্ষাই একজন অনাথ শিশুকে সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এখানে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি অহিংসা চেতনা, যুক্তিবোধ এবং সৃজনশীল কর্মদক্ষতা অর্জনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বর্তমানে লোটাস শিশু সদনে প্রাথমিক পর্যায়ে ৯৫ জন এবং মাধ্যমিক পর্যায়ে ২৯০ জনসহ মোট ৩৮৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এর মধ্যে প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ আবাসিক সুবিধায় থেকে পড়াশোনা করছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক মিলিয়ে ২০ জন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। গত বছরই প্রতিষ্ঠানটি নিম্ন মাধ্যমিক পর্যায়ে বোর্ড থেকে পাঠদানের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে। সুশৃঙ্খল রুটিন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশের কারণে এটি পাহাড়ের অনাথ ও পিছিয়ে পড়া শিশুদের মূলধারায় ফেরার প্রধান ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে।

“আমাদের লক্ষ্য হলো এমন এক প্রজন্ম তৈরি করা যারা নিজের উন্নতির পাশাপাশি প্রকৃতি ও মানবতার কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। শিক্ষা যেন কেবল পুঁথিগত না হয়ে জীবনমুখী হয়, আমরা সেই চেষ্টাই করছি।”

বিশাল এই কর্মযজ্ঞ চললেও বর্তমানে নানা সীমাবদ্ধতায় হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ৫ একরের এই বিশাল ক্যাম্পাসে বিশুদ্ধ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া বিপুল সংখ্যক আবাসিক শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের খাবারের ব্যয় মেটাতে মূলত ব্যক্তিগত ও বেসরকারি অনুদানের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনা দিন দিন চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে।

প্রতিষ্ঠাতা ড. নাগাসেনের দর্শনে প্রকৃতি ও মানুষ অবিচ্ছেদ্য। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা জাগিয়ে তুলতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই প্রতিষ্ঠানটি পাহাড়ের দরিদ্র পরিবারের জন্য এক আশীর্বাদ। যথাযথ সরকারি সহায়তা ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে লোটাস শিশু সদন পাহাড়ের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আবারও চট্টগ্রাম ভাসল মাত্র পৌনে এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

“পাহাড়ের বুকে এক টুকরো স্বর্গ” ত্যাগের মহিমায় ড. নাগাসেন গড়েছেন অনাথ শিশুদের ভবিষ্যৎ

 

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার :

মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের টানা ভারী বৃষ্টিতে’ই আবারও জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম নগরী।

শুক্রবার (১৯ জুন)২৬খ্রিঃ সকালে হওয়া এই বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।
ফলে ছুটি’র দিনেও জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ ও শ্রমজীবী পেশাজীবীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৮টার সময় শুরু হওয়া মুষলধারে বৃষ্টি প্রায় ৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। অল্প সময়ের এ বর্ষণেই চকবাজার, কাতালগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান পানি জমে যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টির পর চকবাজার ও কাতালগঞ্জ এলাকার বেশ কয়েকটি সড়ক দ্রুত পানির নিচে চলে যায়। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক যানবাহন মাঝপথে আটকে পড়ে। এতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি সময় লাগার পাশাপাশি দুর্ভোগও বাড়ে।
অনেক পথচারীকে হাঁটুসমান পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে দেখা যায়।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বছরের পর বছর ধরে তারা জলাবদ্ধতার সমস্যা ভোগ করছেন। একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও বাস্তব পরিস্থিতির তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রিকশাচালক রাসেল বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তাদের আয়ও কমে যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত নাইম বলেন, রাস্তায় পানি জমে থাকায় যানবাহনের সংকট দেখা দিয়েছে। বাধ্য হয়ে নোংরা পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
এ সুযোগে কিছু পরিবহনচালক অতিরিক্ত ভাড়াও আদায় করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার জন্য আলোচিত প্রবর্তক মোড়ে এবার তুলনামূলক কম পানি জমতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় হিজড়া খালে চলমান উন্নয়নকাজের ফলে ওই এলাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

তবে আশপাশের নিচু এলাকা ও সংযোগ সড়কগুলো পানির নিচে চলে যাওয়ায় সামগ্রিক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মেলেনি। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম জানান, শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০টা পর্যন্ত নগরীতে ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। স্বল্প সময়ে ভারী বর্ষণের কারণেই নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমেছে।
দিনভর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং থেমে থেমে আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল পুনর্খনন ও সংস্কারকাজের ধীরগতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক বাসিন্দা।

আলীকদমে শিক্ষা ও উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে রিজিয়ন কমান্ডারের মতবিনিময়

“পাহাড়ের বুকে এক টুকরো স্বর্গ” ত্যাগের মহিমায় ড. নাগাসেন গড়েছেন অনাথ শিশুদের ভবিষ্যৎ


‎সুশান্ত কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা,
‎আলীকদম (বান্দরবান) প্রতিনিধি :

‎বান্দরবানের আলীকদমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন বান্দরবান রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম।

‎ শনিবার (২০ জুন) আলীকদমের মুরুং কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ সভায় পার্বত্য এলাকার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মুরুং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা হয়।

‎সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আলীকদম জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আশিকুর রহমান আশিক এবং আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুরুল আলম।

‎এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

‎সভায় জানানো হয়, বর্তমানে মুরুং কমপ্লেক্সের ছাত্রাবাসে ১২৪ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি শিক্ষার্থীকে আবাসনের সুযোগ দিতে ছাত্রাবাসের ধারণক্ষমতা ২০০ থেকে ২৫০ জনে উন্নীত করার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন রিজিয়ন কমান্ডার।

‎এছাড়া শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত দুইজন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সভায় কুরুকপাতা ইউনিয়নে নতুন একটি মুরুং কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও উত্থাপিত হয়। সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম বলেন,“শিক্ষাই পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির প্রধান ভিত্তি। মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”

‎সভায় বক্তারা মুরুং জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সামাজিক অগ্রগতি ও জীবনমান উন্নয়নে মুরুং কমপ্লেক্সের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এর অবকাঠামোগত ও প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎বক্তারা বলেন, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে আলীকদম জোন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মুরুং কমপ্লেক্স সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন রামগড় কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের

“পাহাড়ের বুকে এক টুকরো স্বর্গ” ত্যাগের মহিমায় ড. নাগাসেন গড়েছেন অনাথ শিশুদের ভবিষ্যৎ

 

সাইফুল ইসলাম, রামগড় :

খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না। তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, “পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ একসময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনাও আরও বিস্তৃত হবে।

×