বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ৪:৪৪ পিএম
0 বার পড়া হয়েছে
কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

 

কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের লোহার বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবিএম বোরহান উদ্দীন সরকার বাদী হয়ে কাপ্তাই থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন।

​অভিযোগে মো. ইসমাইল ও মো. হাসান খানসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (২৪ জুন) কেপিএম স্কুল থেকে লোহার বেঞ্চের পাঠাতন চুরি করে পাচারের চেষ্টা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে কেপিএম নিরাপত্তা বাহিনী ও আনসার সদস্যরা দ্রুত অভিযান চালায়। নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা মালামাল ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনী চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করে।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেন, “বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চুরির ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

​শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো সংবেদনশীল স্থান থেকে সরকারি সম্পদ চুরির চেষ্টার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

কাপ্তাইয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের পরিকল্পনা সভা : লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৬ হাজার শিশু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

 

​রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

​সারাদেশের ন্যায় আগামী ২৮ জুন রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবারের ক্যাম্পেইনে উপজেলার মোট ৫ হাজার ৯৯১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

​ক্যাম্পেইনটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে এক অবহিতকরণ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. রুই হলা অং মারমার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম।

​সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, “শিশুদের অপুষ্টি প্রতিরোধ ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে এই ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

​সভায় ১ বছর ২ মাস পর কাপ্তাই জুড়ে শুরু হতে যাওয়া এই ক্যাম্পেইনের সার্বিক প্রস্তুতি, কার্যক্রম বাস্তবায়নের কৌশল এবং নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকর্মী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অংশীজনদের সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ক্যাম্পেইনের খুঁটিনাটি ও প্রস্তুতি।

২৮ জুন (রবিবার) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু। ১২২টি নিয়মিত ইপিআই (EPI) কেন্দ্র। দুর্গম এলাকার পাশাপাশি যাতায়াতকারী শিশুদের জন্য লঞ্চঘাট, ফেরীঘাট ও বাস স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে ‘মোবাইল কেন্দ্র’ স্থাপন করা হয়েছে।

​সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইমা ইসলাম, কাপ্তাই আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা চয়ণ বড়ুয়া, উপজেলা সহকারী তথ্য ও কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মাহদুল হাছান প্রমুখ।

​ক্যাপসুল সরবরাহ ও চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভাপতির বক্তব্যে ডা. রুই হলা অং মারমা জানান, ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ইতোমধ্যে কাপ্তাইয়ে এসে পৌঁছেছে। ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। তিনি নির্ধারিত দিনে শিশুদের নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

​সভায় বিভিন্ন সরকারি বিভাগের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিবৃন্দ এবং স্থানীয় অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

দীঘিনালায় হাচিনসন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের বিদায় সংবর্ধনা ও জন্মদিন উদযাপন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ২:৪২ পিএম
কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

 

রুপম চাকমা, দিঘীনালা :

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার হাচিনসন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: আবুসামা এর বিদায় সংবর্ধনা ও জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ২৫ জুন দুপুর ২টার সময়ে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন দেব প্রিয় বড়ুয়া প্রধান শিক্ষক হাচিবসন পুর উচ্চ বিদ্যালয়, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো: আরিফুল ইসলাম জাহিদ, দীঘিনালা উপজেলা বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক মোবারক হোসেন মহিন, দৈনিক নতুন সময়ের দিঘীনালা প্রতিনিধি মো: লোকমান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ এবং অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে কর্মসূচি শুরু হয়।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিদায়ী শিক্ষক মো: আবু সামা-এর দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, সততা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞান বিতরণের পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর কর্মময় জীবন বিদ্যালয়ের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

পরে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিদায়ী শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক, ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন, যা অনুষ্ঠানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে।

একই অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষকের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শেষান্তে বিদায়ী শিক্ষক উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই বিদ্যালয়ের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভালোবাসা আমি আজীবন মনে রাখব।”

সার্বিকভাবে বিদায় সংবর্ধনা ও জন্মদিন উদযাপন অনুষ্ঠানটি আনন্দ, আবেগ ও আন্তরিকতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।

প্রকল্পের বরাদ্দ না পাওয়ার অভিযোগে থুইসাইঅং মারমার বিরুদ্ধে ক্ষোভ জনপ্রতিনিধি ঙাংরাও ম্রো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ২:০৯ পিএম
কেপিএম স্কুল এন্ড কলেজের বেঞ্চ চুরির ঘটনায় থানায় অভিযোগ

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমা উপজেলার ৪ নম্বর গালেংগ্যা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রুইফ পাড়ায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচির আওতায় ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের একটি সিসি রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের কোনো কাজ শুরু না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা-কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় খাদ্যশস্য (চাল) বরাদ্দের বিপরীতে বর্তমান ইউপি সদস্য ঙাংরাও ম্রোর নামে “রুইফ পাড়া হতে ঝিড়ি যাওয়ার রাস্তা সিসি রাস্তা নির্মাণ” শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পটির জন্য মোট ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গত ২৪ জুন সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্প এলাকায় কোনো ধরনের নির্মাণকাজের অস্তিত্ব নেই। সেখানে দীর্ঘদিনের পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি গাছের সাঁকো এবং কাঁচা পাহাড়ি রাস্তা ছাড়া উন্নয়নকাজের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে পড়ে, ফলে স্থানীয়দের প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসী জানান, পাড়ার মানুষ এই পথ ব্যবহার করে ঝিড়ি থেকে পানি সংগ্রহ করেন। ঝিড়িতে পৌঁছানোর আগে একটি ছোট গাছের সাঁকো পার হতে হয়, যা বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায় এটি এখন “মরণফাঁদে” পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, গত কয়েক সপ্তাহে ওই সাঁকো থেকে পড়ে কয়েকজন শিশু আহত হয়েছে। এছাড়া পানি আনতে যাওয়া বৃদ্ধ নারীরাও প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, এখন সমাজের নেতা থেকে শুরু করে অনেক জনপ্রতিনিধির ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে। প্রকল্পের নামে সরকারি অফিসে কাগজপত্র দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কাজ হয় না। অনেক সময় প্রকল্পের বরাদ্দের সুবিধাও সাধারণ মানুষ জানতে পারে না।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য ঙাংরাও ম্রো বলেন, আমার নামে প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে শুনে আমি রুমা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের (পিআইও) সহকারী জিপঙ্করের সঙ্গে কথা বলি। তিনি আমাকে থুইসাইঅং মারমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

তিনি আরও বলেন, থুইসাইঅং মারমার সঙ্গে দেখা হলে তিনি জানান, প্রকল্পের টাকা আমাকে দেওয়া হবে না। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগে সংসদ সদস্যের রুমা সফর এবং সাংগ্রাই উৎসবে অনেক ব্যয় হয়েছে। এসব কারণে প্রকল্পের অর্থ দেওয়া সম্ভব হবে না।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ঙাংরাও ম্রো বলেন, আমি বিষয়টি নিয়ে তার সঙ্গে তর্ক করেছি। আমি সংসদ সদস্যকেও বিষয়টি জানাবো। কারণ এমপি মহোদয় তো মনে করবেন আমি প্রকল্পটি পেয়েছি। তিনি কাজ দেখতে এলে আমি কী জবাব দেব?

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য থুইসাইঅং মারমার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার সহকর্মী বিপ্লব মারমা বলেন, ২৫ জুন কাজ শুরু করা হবে বলে কথা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় মেম্বার ঙাংরাও ম্রো জানান, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আজ কেউ কাজ শুরু করতে আসেননি।

এ বিষয়ে রুমা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কাউছার আলী বলেন, প্রকল্পটির জন্য মোট ৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রাথমিকভাবে ২ মেট্রিক টন চাল ছাড় করা হয়েছে, যাতে কাজ শুরু করা যায়। কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সমাপ্তির ছবি ও প্রতিবেদন জমা দিলে সরেজমিনে পরিদর্শন করে বাকি ২ মেট্রিক টন চাল ছাড় করা হবে। নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন না হলে অবশিষ্ট বরাদ্দ প্রদান করা হবে না এবং তা সরকারি কোষাগারে ফেরত যাবে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হলে রুইফ পাড়ার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং নিরাপদে চলাচল ও পানি সংগ্রহ করা সম্ভব হবে।

×