শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:

কারাগারের শিকল পেরিয়ে মায়ের শেষ বিদায়ে লোঙা খুমি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬, ৪:২০ পিএম
4 বার পড়া হয়েছে
কারাগারের শিকল পেরিয়ে মায়ের শেষ বিদায়ে লোঙা খুমি

 

রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবানের রুমায় প্রায় তিন বছর পর মায়ের মরদেহের সামনে এসে শেষ বিদায় জানালেন হাজতি লোঙা খুমি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারায় তাকে শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, স্বজন ও এলাকাবাসীর কান্নায় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লোঙা খুমির মা পাইত্লেন খুমি (৭৩) গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আনুমানিক সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি রুমা সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের গির্জাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার স্বামী হইকিং খুমি বহু বছর আগেই মৃত্যুবরণ করেন।

জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৯ মে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রুমা বাজার থেকে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) -এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে লোঙা খুমিকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে রুমা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর কারা কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমতি ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শুক্রবার (২৬ জুন) তাকে শেষবারের মতো মায়ের মরদেহ দেখার সুযোগ দেওয়া হয়।

মায়ের মরদেহের পাশে দাঁড়িয়ে শেষবারের মতো বিদায় জানান লোঙা খুমি। এ সময় তার অশ্রুসিক্ত চোখ, স্বজনদের আহাজারি এবং উপস্থিত মানুষের নীরব বেদনায় পুরো পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

দীর্ঘ তিন বছর পর পরিবারের সঙ্গে এই ক্ষণিকের পুনর্মিলন উপস্থিত সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়। মায়ের শেষ বিদায়ে সন্তানের এমন অসহায় উপস্থিতি রুমাজুড়ে এক বেদনাবিধুর ও হৃদয়স্পর্শী দৃশ্যের জন্ম দেয়।

রাজস্থলীর শফিপুরে মানববন্ধন: অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬, ৩:৩০ পিএম
কারাগারের শিকল পেরিয়ে মায়ের শেষ বিদায়ে লোঙা খুমি

 

রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের শফিপুর এলাকায় বিভিন্ন অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

শুক্রবার (২৬ জুন) ৩নং শফিপুর এলাকায় আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, হয়রানির অভিযোগ, সামাজিক অস্থিরতা এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, স্থানীয় দুই ব্যক্তি—মো. রিয়াজ উদ্দিন রানা ও আব্দুর রাজ্জাক (পিএসপি)-এর বিরুদ্ধে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, সামাজিক বিভেদ সৃষ্টি, কবরস্থান ও মসজিদকে কেন্দ্র করে বিরোধ উসকে দেওয়া এবং এলাকায় অস্থির পরিবেশ তৈরির অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান তারা।

বক্তারা বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি। আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা হলো—প্রশাসন সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করবে এবং সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এম. মিজানুর রহমান (প্রিন্স) বলেন, “শফিপুর দীর্ঘদিন ধরে শান্তি ও সম্প্রীতির জনপদ হিসেবে পরিচিত। আমরা চাই এই পরিবেশ অটুট থাকুক। সাধারণ মানুষের জমি-সংক্রান্ত অভিযোগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যা মামলা এবং সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগগুলো প্রশাসন গুরুত্বসহকারে তদন্ত করুক। দোষী যে-ই হোক, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য কাউকে হেয় করা নয়। আমরা চাই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকুক।”

মানববন্ধনে বক্তব্য দিয়ে মো. আব্দুল জব্বার বলেন, “সাংবাদিকতা একটি মর্যাদাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পেশা। কোনো পরিচয় ব্যবহার করে যদি সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করা হয়, তবে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়। আবার অভিযোগের ক্ষেত্রেও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসা প্রয়োজন।”
তিনি আরও বলেন, “জমি-সংক্রান্ত বিরোধ, সামাজিক প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি কিংবা মানুষের মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগ অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। তাই প্রশাসনের উচিত নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।”

এ সময় বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কুদ্দুস গাজী, মো. তালিব হোসেন, মো. আওয়াল হোসেন, মো. জুলহাস সিকদার ও মো. মাসুদুর রহমান। বক্তারা বলেন, শফিপুরে শান্তি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।

মানববন্ধন শেষে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। এতে উত্থাপিত অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক মো. রিয়াজ উদ্দিন রানা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, “কবরস্থানের গাছ বিক্রি এবং একটি মসজিদের নামে সরকারি-বেসরকারি অনুদান আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে আমি সংবাদ প্রকাশ করেছিলাম। ওই সংবাদ প্রকাশের পর থেকে আমার পরিবার বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার বাড়িঘর ও জায়গা দখলের অভিযোগ রয়েছে এবং আমার ভাই ও ভাতিজাকে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। এখন উল্টো আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা হয়েছে। আমি বিষয়টি প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাই এবং প্রকৃত দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানাই।”

স্থানীয়দের মতে, শফিপুরের দীর্ঘদিনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সামাজিক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখতে সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণই বর্তমান পরিস্থিতি সমাধানের সবচেয়ে কার্যকর পথ।

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ রুমা উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬, ৩:০৫ পিএম
কারাগারের শিকল পেরিয়ে মায়ের শেষ বিদায়ে লোঙা খুমি

 

মথি ত্রিপুরা, রুমা :

বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ, রুমা উপজেলা শাখার ২য় ত্রিবার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২৬ সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন – গর্ডেন ত্রিপুরা, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আন্তনি ত্রিপুরা, এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে লাভে ত্রিপুরা।

নবনির্বাচিত সভাপতি গর্ডেন ত্রিপুরা বলেন, ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সার্বিক কল্যাণে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করব।

সাধারণ সম্পাদক আন্তনি ত্রিপুরা বলেন, সকল সদস্যের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তরুণ প্রজন্মকে সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে ঐক্য ও উন্নয়নের পথকে আরও সুদৃঢ় করতে কাজ করব।

সাংগঠনিক সম্পাদক লাভে ত্রিপুরা বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের মাধ্যমে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করব। সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।

এদিকে, নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে ত্রিপুরা স্টুডেন্টস্ ফোরাম, বাংলাদেশ, রুমা উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃত্বে বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যাণ সংসদ রুমা উপজেলা শাখা আরও সুসংগঠিত হবে এবং ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সংস্কৃতি, সামাজিক উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পাশাপাশি তারা নবনির্বাচিত নেতাদের সফলতা ও সর্বাঙ্গীণ মঙ্গল কামনা করেন।

বাঙ্গালহালিয়া মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের কর্তৃক এক ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীকে অর্থ প্রদান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৬ জুন, ২০২৬, ২:২৫ পিএম
কারাগারের শিকল পেরিয়ে মায়ের শেষ বিদায়ে লোঙা খুমি

 

চাইথোয়াইমং মারমা, বিশেষ প্রতিবেদক:

মানবিক আর্থিক সহায়তা সংগঠনিক উদ্যোগে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া পাথরবান পাড়ার ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর মোঃ মহিবুল্লাহর পরিবারের পাশে ২৬শে জুন শুক্রবার সকালে বাঙ্গালহালিয়া মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তার পরিবারের হাতে চিকিৎসার জন্য সামান্য আর্থিক সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

জানা যায়, ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোঃ মহিবুল্লাহ। চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিন সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের জীবনযাপনও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা মহিবুল্লাহর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে নগদ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা,মোঃ সুমন খান ,মোঃ ছাদেক হোসেন, সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ, উচ্চপ্রু মরমা, মোঃ বেলাল হোসেন, মোঃ রিয়াদ, মোঃ শাকিব আহমেদ হীরা, মোঃ নাঈম, মোঃ রিয়াজুল, সাবেক মেম্বার শফিকুল ইসলাম মিতু, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রিন্ট ইলেকট্রনিক্স সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা গণমাধ্যম কে বলেন,”মানবতার সেবায় কাজ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষ এগিয়ে এলে ক্যান্সার আক্রান্ত মহিবুল্লাহর মতো অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও পরিবারের কষ্ট কাটরে অনেকটাই লাঘব উপকার হবে।”

সহায়তা গ্রহণ করে মহিবুল্লাহর পরিবারের সদস্যরা মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “এই কঠিন দুঃখের সময়ে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমরা মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। এই সহযোগিতা আমাদের চিকিৎসা ও সংসারের ব্যয় নির্বাহে জীবিকা কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।”

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলও এ ধরনের মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে সমাজের সামর্থ্যবান হৃদয়বান ব্যক্তি ও বিভিন্ন সামাজিক স্বেচ্ছা সেবি মানবিক সংগঠনকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

×