বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:

বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪১ পিএম
2 বার পড়া হয়েছে
বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

বিলাইছড়ি উপজেলা  কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন। সাক্ষাতে  উপস্থিত ছিলেন কার্বারী সমিতির উপদেষ্টা কল্পরঞ্জন চাকমা।

বুধবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২ টায় নিজ কার্যালয়ে তিনি  এই সাক্ষাৎ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কার্বারী সমিতির সভাপতি জয়সিন্ধু চাকমা, সাধারণ সম্পাদক রুপ কুমার চাকমা, সহ-সাধারণ সম্পাদক বিতুময় চাকমা, মহিলা কার্বারী চন্দ্র চাকমা প্রমূখ।

সাক্ষাতে উপজেলা ভূমি অফিস, কার্বারী সমিতির অফিস এবং কার্বারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা এবং উন্নয়ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বিলাইছড়ি উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর কর্তৃক বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৭ পিএম
বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে বৃক্ষরোপণে “সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত (৫ বছরে ২৫ কোটি) জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলজিইডি নির্মিত রাস্তায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচী চলমান রয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমজাদ হোসেন।

তিনি আরও জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) – এর উদ্যোগে বিলাইছড়ি হতে কারিগরপাড়া পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণে প্রথমধাপে আমতলা পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার রাস্তার দুইধারে বিভিন্ন জাতের ৫০০ ফলজ, বনজ ও ঔষধি চারা রোপণ করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, মাসব্যাপী রোপনে বর্তমানে ৩০০ চারা রোপন করা হয়েছে। বাকী ২০০ চারা রাস্তার পাশে রোপনে চলমান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে জনবলের মাধ্যমে দ্রুত রোপন করা হবে।

সরকারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিবেশে ভারসাম্য বজায় রাখতে, বন্যা, ভূমিধস, খরা, থেকে রক্ষা পেতে গাছের চারা রোপণের বিকল্প নেই। তাছাড়া বাড়ি ও রাস্তার পাশে বিশুদ্ধ বায়ু, অক্সিজেন এবং ছায়া পেতে ঝোপঝাড় গাছ রোপণ করা আমাদের মূল লক্ষ্য জানান এই কর্মকর্তা।

কুসংস্কার দূর করে ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ মুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যে রাঙামাটিতে ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬, ২:৩৫ পিএম
বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন 

 

সিএইচটি বার্তা ডেক্স :

পার্বত্য অঞ্চলে কুষ্ঠরোগ নিয়ে সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে এবং সচেতনতা বাড়াতে এককাতারে শামিল হয়েছেন সব ধর্মের প্রতিনিধিরা। বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাঙামাটি শহরের মোটেল জজ সভাকক্ষে লেপ্রসি মিশনের উদ্যোগে ‘অ্যাডভোকেসি ও পিস বিল্ডিং’ বিষয়ক এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে রাঙামাটির বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা ও গির্জার ধর্মীয় গুরুদের পাশাপাশি লেপ্রসি মিশনের ডিস্ট্রিক্ট বেইস অ্যাডভোকেসি প্ল্যাটফর্মের নেতারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য লুৎফুন্নেছা বেগম এবং বিশেষ অতিথি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি মেজর (অব.) ডা. অজয় প্রকাশ চাকমা বক্তব্য দেন।

কর্মশালায় সংস্থার কর্মকর্তা ডা. জীবক চাকমা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের ২৬টি উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবা, আর্থিক সাহায্য ও গবেষণার পাশাপাশি সরকারি চিকিৎসকদের সাথে সমন্বয় করে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে কুষ্ঠমুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করছেন।

বক্তারা জোর দিয়ে বলেন যে কুষ্ঠ একটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ যার চিকিৎসা বিনামূল্যে দেওয়া হয়, তাই কুসংস্কার ছেড়ে রোগীদের প্রতি সবার মানবিক আচরণ করা উচিত।

বিলাইছড়িতে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে সমন্বয় সভা 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ জুলাই, ২০২৬, ২:২৮ পিএম
বিলাইছড়িতে কার্বারী সমিতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি:

অংশীদারীত্বের  ভিত্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রামে সহনশীল জীবিকায়নের জন্য (পিআরএলসি)- প্রকল্পের আওতায় সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কৃষক ও কমিউনিটি নেতাদের নিয়ে এই সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২১ জুলাই) সকাল ১০ টায় উপজেলা কনফারেন্স রুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা হিলফ্লাওয়ার – এর আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা (ভা.) প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা রুপন কান্তি চৌধুরী এবং মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের প্রশিক্ষক ভিক্টোরিয়া চাকমা, শুরুতে পিআরএলসি প্রকল্পের সমন্বয়কারী জ্যোতি বিকাশ চাকমা প্রকল্পের কার্যক্রম সম্বন্ধে বিস্তারিত তুলে ধরেন বা অবহিত করেন।

এসময় কৃষক ও কমিউনিটি লিডারদের যে কোনো সেবা / সহযোগিতা নিতে উপজেলা দপ্তরের সাথে যোগাযোগ রাখতে পরামর্শ দেন।

×