| ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম:

ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার 

ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার 

 

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,

বিলাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধিঃ

বিলাইছড়িতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েটস্ এর মাধ্যমে আরও ৬০০ পরিবারকে ত্রাণ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

রবিবার (১৯ জুলাই) সকাল ১১টায় আশিকা ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েটস এর আয়োজনে- উপজেলা কনফারেন্স রুমে UK,AID,SIDA – ও অন্যান্য দাতাগোষ্ঠীর সহায়তায় এইসব ত্রাণ দেওয়া হবে অবহিতকণ সভায় জানা যায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউএনও’র প্রতিনিধি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ওমর ফারুক, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা, সুনীল কান্তি দেওয়ান, এস আই, সিরাজুল ইসলাম, আশিকার ম্যানেজার (এ্যাডমিন) ডা. ঝুমালিয়া চাকমা, আশিকার ফোকাল পারসন রবিন চাকমা, উপজেলা সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা সুজিত চাকমা, সজীব চাকমা, বিএনপির শান্তি রায় চাকমা (রায়ধন), কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শান্তি বরন তালুকদার প্রমূখ।

আরো জানা গেছে, ফারুয়া ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ আরও ৬০০ (ছয়শত) পরিবারকে চাউল, তৈল, ডাল, আলু এবং সুরক্ষা কিডস্সহ – অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

পাইন্দু খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, রুমা জুড়ে চাঞ্চল্যর সৃষ্টি

ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার 

 

রুমা প্রতিনিধি, বান্দরবান :

বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাইন্দু ইউনিয়নের পাইন্দু খাল থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পাইন্দু ইউনিয়নের চান্দাপাড়া ও পাইন্দুপাড়ার মাঝামাঝি পাইন্দু খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে তারা বিষয়টি রুমা থানায় অবহিত করলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর সহায়তায় মরদেহটি উদ্ধার করে।

মরদেহ উদ্ধারের সময় রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মানস বড়ুয়া, পাইন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উহ্লামং মারমা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। উদ্ধার শেষে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্তে কোনো অপরাধমূলক ঘটনার সংশ্লিষ্টতা বা অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, জনবসতিপূর্ণ এলাকার খাল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নানা ধরনের জল্পনা-কল্পনার পাশাপাশি আতঙ্ক বিরাজ করছে।

দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে পাহাড়ি বাঙ্গালিদের মাঝে ২৬ হাজার চারা বিতরণ

ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার 

 

রুপম চাকমা, দীঘিনালা :

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় দীঘিনালা জোনের উদ্যোগে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার ১৯ জুলাই ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন দিঘীনলা জোনে স্থানীয় পাহাড়ি বাঙ্গালিদের মাঝে মোট ২৬০০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্তিত ছিলেন দীঘিনালা জোনের মেজর শিবাবুন সাকিব রুশাদ পিএসসি, উপ-অধিনায়ক ৪ ইবি, এ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন আব্দুল্লা আল আজমী, উপ-অধিনায়ক মেজর মো: রুশাদ পিএসসি বলেন, একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। গাছ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে।

কর্মসূচিতে স্থানীয়, ৩নং কবাখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, ২নং বোয়ালখালি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চয়ন বিকাশ চাকমাসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা দীঘিনালা জোনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

দীঘিনালা জোন কর্তৃপক্ষ জানায়, সবুজায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজ বিএনপি নেতা : উদ্ধারে ডুবুরি দলের অভিযান

ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার 

 

রিপন মারমা, কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) প্রতিনিধি :

রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ে হ্রদ পথে মালামাল নিয়ে ফেরার পথে মো. মাসুদ (৫০) নামে এক বিএনপি নেতা নিখোঁজ হয়েছেন। তিনি কাপ্তাই ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর নৌবাহিনীর ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

নিখোঁজ মো. মাসুদ কাপ্তাই বিএফআইডিসি শিল্প এলাকার চিপার হাউস এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল সওদাগরের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মৌসুমী ফল ও কাঁচামালের ব্যবসা করে আসছেন।

​স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, মো. মাসুদ নিয়মিত প্রতি বৃহস্পতিবার বিলাইছড়ি ও ফারুয়া বাজার থেকে মালামাল কিনতে যান এবং শনিবার ইঞ্জিনচালিত বোটযোগে কাপ্তাই জেটিঘাটে ফিরে আসেন। সেই ধারাবাহিকতায় শনিবার ভোরে মালামাল নিয়ে রওনা দিলেও জেটিঘাটে পৌঁছাননি। পরবর্তীতে রাইংখিয়ং বাজার সংলগ্ন এলাকায় মালামালসহ তার বোটটি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। ওই এলাকা থেকেই তিনি নিখোঁজ হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্গম এলাকা এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিষয়টি জানাজানি হতে কিছুটা দেরি হয়।

​এ বিষয়ে কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউছুপ বলেন, “নিখোঁজের খবর পাওয়ার পরই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে কাপ্তাই নৌবাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করি। খবর পেয়ে নৌবাহিনীর ডুবুরি দল সন্ধ্যা থেকে কাপ্তাই হ্রদে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। রাত ১১টা পর্যন্ত টানা তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় আপাতত উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, কাপ্তাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এবং বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উদ্ধার অভিযানে নৌবাহিনীকে সার্বিক সহযোগিতা করছেন।

নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত করে কাপ্তাই ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. মজিব এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হোসেন জানান, পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিখোঁজ নেতার সন্ধানে স্থানীয়ভাবেও নানা প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

×